...
...
Next Story

Bengaluru Daycare: শিশুদের ওয়াশিং মেশিনে বসিয়ে, বাথরুমে আটকে ‘শাস্তি!’ বেঙ্গালুরুর ডে-কেয়ারে অমানবিক অত্যাচার

Bengaluru Daycare: পুলিশ এবং চাইল্ড হেল্পলাইনে দায়ের হওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, দুই থেকে তিন বছর বয়সি শিশুদের কান্নাকাটি থামানোর জন্য জোর করে ফ্রন্ট-লোডিং ওয়াশিং মেশিনের ড্রামের ভেতরে বসিয়ে রাখা হত। এখানেই শেষ নয়, টয়লেটে ব্যবহৃত জেট স্প্রে দিয়ে শিশুদের মুখে জোর করে জল ছেটানোর মতো অমানবিক কাজও করা হতো।

Published on: Jul 2, 2026, 14:29:04 IST
Advertisement

Bengaluru Daycare: কর্মব্যস্ত বাবা-মায়ের ভরসার জায়গা ছিল কর্পোরেট অফিসের ভেতরের ডে-কেয়ার সেন্টার। কিন্তু সেই সেন্টারের ভেতরেই যে শিশুদের ওপর এমন ভয়াবহ নির্যাতন চালানো হতো, তা প্রকাশ্যে আসতেই শিউরে উঠেছে গোটা দেশ। বেঙ্গালুরুর এইচএএল ক্যাম্পাসে অবস্থিত তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ক্যাপজেমিনির ডে-কেয়ার সেন্টারে দুই থেকে তিন বছর বয়সি শিশুদের ওপর অমানবিক অত্যাচারের অভিযোগে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

বেঙ্গালুরুর ডে-কেয়ারে অমানবিক অত্যাচার (সৌজন্যে টুইটার)
বেঙ্গালুরুর ডে-কেয়ারে অমানবিক অত্যাচার (সৌজন্যে টুইটার)

পুলিশ এবং চাইল্ড হেল্পলাইনে দায়ের হওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, দুই থেকে তিন বছর বয়সি শিশুদের কান্নাকাটি থামানোর জন্য জোর করে ফ্রন্ট-লোডিং ওয়াশিং মেশিনের ড্রামের ভেতরে বসিয়ে রাখা হত। এখানেই শেষ নয়, টয়লেটে ব্যবহৃত জেট স্প্রে দিয়ে শিশুদের মুখে জোর করে জল ছেটানোর মতো অমানবিক কাজও করা হতো। এছাড়া, শাস্তি হিসেবে তাদের দীর্ঘক্ষণ বাথরুমে আটকে রাখা হত বলেও অভিযোগ। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার কয়েকটি ভিডিও ভাইরাল হতেই চাঞ্চল্য ছড়ায়। ভিডিওগুলোতে শিশুদের ওপর হওয়া এই অমানবিক অত্যাচারের চিত্র দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন অভিভাবকরা। যদিও ভিডিওগুলোর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। এই ঘটনার পরই তড়িঘড়ি পদক্ষেপ নিয়ে ওই ডে-কেয়ারের পাঁচজন মহিলা কর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ক্যাপজেমিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের কর্মী ও তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তা এবং সুস্থতা তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ক্যাম্পাসের ভেতরের ডে-কেয়ার সেন্টারটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। একজন কর্মকর্তা জানান, 'শিশুদের কান্না থামানোর জন্য তাদের ওয়াশিং মেশিনের ড্রামের ভেতরে বসিয়ে রাখা হতো। পাশাপাশি টয়লেটের জেট স্প্রে দিয়ে তাদের মুখে জল ছিটানো হতো এবং অনেক সময় বাথরুমে আটকে রাখা হতো।' অভিযোগ অনুযায়ী, নির্যাতনের কিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি সামনে আসে। এরপর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কর্ণাটক রাজ্য শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনেও পৃথকভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেক অভিভাবকই আইটি কম্পানিতে কাজ করার কারণে সন্তানদের ওই ডে-কেয়ারে রেখে যেতেন। এখন এই ঘটনার পর কর্পোরেট ক্যাম্পাসের ভেতরে শিশু পরিচর্যাকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা ও নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks