...
...
Next Story

China-Pakistan Relations: অন্তরীক্ষেও জোট কৌশল! চিনের সহায়তায় প্রথম মহাকাশে নভশ্চর পাঠাবে পাকিস্তান

China-Pakistan Relations: ২০১৯ সালে চিন ও পাকিস্তান যৌথভাবে এই মহাকাশ অভিযান নিয়ে কাজ শুরু করে। আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে শেষের দিকে দুই পাইলটের মধ্যে একজনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচনের পরিকল্পনা রয়েছে চিনের।

Published on: Sep 29, 2026, 21:19:00 IST
Advertisement

China-Pakistan Relations: চিনের মহাকাশ কূটনীতির ওপর ভর করে নতুন এক ইতিহাসে পা রাখতে যাচ্ছে পাকিস্তান। চিনের তৈরি তিয়ানগং মহাকাশ স্টেশনে পাঠানোর জন্য প্রথম মহাকাশচারী বাছাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসলামাবাদ। এ জন্য সে দেশের দুই পাইলটকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনও নাগরিককে মহাকাশে পাঠানোর এই মিশন মূলত বেজিং ও ইসলামাবাদের মধ্যে মহাকাশ সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

চিনের সহায়তায় প্রথম মহাকাশে নভশ্চর পাঠাবে পাকিস্তান (সৌজন্যে এক্স )
চিনের সহায়তায় প্রথম মহাকাশে নভশ্চর পাঠাবে পাকিস্তান (সৌজন্যে এক্স )

চিনের রাজধানী বেজিংয়ের চায়না অ্যাস্ট্রনট রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারে টানা কয়েক মাস ধরে কঠোর প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানের পাইলট জিশান আলি এবং খুররম দাউদ। মহাকাশের ওজনহীন পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেওয়া, জটিল যন্ত্রপাতি পরিচালনা, সেন্ট্রিফিউজ ড্রিল এবং দ্রুতগতিতে চিনা ম্যান্ডারিন ভাষা শেখার মতো কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে তাঁদের। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে পাকিস্তানের মহাকাশ সংস্থা সুপারকোর কর্মকর্তা আমের গিলানি জানিয়েছেন, পাকিস্তানের দুই পাইলটের মধ্যে কে মহাকাশে যাবেন, তা এখনও ঠিক হয়নি। চিন জানিয়েছে, এ বিষয়ে অক্টোবরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।

২০১৯ সালে চিন ও পাকিস্তান যৌথভাবে এই মহাকাশ অভিযান নিয়ে কাজ শুরু করে। আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে শেষের দিকে দুই পাইলটের মধ্যে একজনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচনের পরিকল্পনা রয়েছে চিনের। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচিত পাইলট মহাকাশে যাওয়ার আগে পাকিস্তানে ফিরবেন না। চিনে প্রশিক্ষণ শেষ করে সেখান থেকেই মহাকাশে যাবেন। মহাকাশ থেকে ফেরার পর বিশ্রাম নিয়ে পাকিস্তানে ফিরবেন।

মহাকাশে মানববাহী অভিযানের ক্ষেত্রে বেজিংয়ের ওপর ইসলামাবাদের গভীর নির্ভরতাকে আবারও প্রকাশ্যে এনেছে এই অভিযান। পাকিস্তানের নিজস্ব কোনও স্বাধীন অরবিটাল উৎক্ষেপণ যান (orbital launch vehicle) বা মানববাহী মহাকাশযান নেই। এই যৌথ সহযোগিতার আওতায় রয়েছে চিনের মাধ্যমে পাকিস্তানি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ, একটি যৌথ স্যাটেলাইট-নেভিগেশন ব্যবস্থা এবং ২০২৮ সালের দিকে চিনের চ্যাং’ই-৮ চন্দ্রাভিযানে পাকিস্তানের একটি রোভার পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘সুপারকো’ (Suparco) স্পষ্ট জানিয়েছে যে, চাঁদে পাকিস্তানি মহাকাশচারী পাঠানোর বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি প্রতিশ্রুতি বা আলোচনা হয়নি। পাকিস্তানের জন্য এই আসন্ন অভিযান মহাকাশে মানুষ পাঠানোর প্রথম পদক্ষেপ; অন্যদিকে চিনের কাছে এটি নিজেদের মহাকাশ স্টেশনের আন্তর্জাতিক সক্ষমতা তুলে ধরার এক বড় সুযোগ।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks