...
...
Next Story

US Tariff Plan: ০, ১০০, ২০০! ওষুধের বাজারে বড় চমক ট্রাম্পের, চাপে পড়তে পারে ভারত

US Tariff Plan: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জেনেরিক ওষুধ রপ্তানিকারক দেশ ভারত এ সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতকে বিশ্বের ‘ফার্মেসি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড’ বলা হয়।

Published on: Jul 22, 2026, 11:39:32 IST
Advertisement

US Tariff Plan: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেনেরিক ওষুধ আমদানির ক্ষেত্রে বড় নীতিগত পরিবর্তনের ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ১ আগস্ট থেকে নতুন শুল্ক নীতি কার্যকর হবে। তবে প্রথম দুই বছর আমদানি করা জেনেরিক ওষুধের উপর কোনও শুল্ক লাগবে না। এরপর তৃতীয় বছরে ১০০ শতাংশ এবং তার পরের বছর থেকে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ উৎপাদন বাড়াতে এবং বিদেশের উপর নির্ভরতা কমাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আর এই সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে ভারতের উপর। কারণ, বিশ্বে জেনেরিক ওষুধের অন্যতম বৃহৎ উৎপাদক ভারত এবং ভারতীয় ওষুধ শিল্পের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

ওষুধের বাজারে বড় চমক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের
ওষুধের বাজারে বড় চমক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের

নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, আগামী ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে নতুন শুল্কনীতি কার্যকর হবে। তবে প্রথম দুই বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া সব জেনেরিক ওষুধের উপর শুল্কহার শূন্য শতাংশই থাকবে। এরপর তৃতীয় বছরে জেনেরিক ওষুধের উপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। আর তার পরের সময় থেকে এ হার বেড়ে ২০০ শতাংশে উন্নীত হবে।

কী বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

ট্রুথ সোশ্যাল-এ ডোনাল্ড ট্রাম্প লিখেছেন, ‘২০২৬ সালের ১ আগস্ট থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া সব জেনেরিক ওষুধের উপর দুই বছর শূন্য শতাংশ শুল্ক বহাল থাকবে। এরপর এক বছরের জন্য শুল্ক ১০০ শতাংশ করা হবে এবং তারপর তা ২০০ শতাংশে উন্নীত হবে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘জেনেরিক ওষুধের উৎপাদন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা ও উৎপাদন সুবিধা গড়ে তুলবে না, তাদের জন্য এটি এক ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।’ ট্রাম্পের কথায়, এই নীতির মূল লক্ষ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা। তবে পেটেন্ট, ব্র্যান্ডেড ও উদ্ভাবনী ওষুধের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতি অপরিবর্তিত থাকবে বলেও জানান তিনি।

কেন ভারতের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ?

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন এর ফলে ওষুধের দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত অধিকাংশ প্রেসক্রিপশনের ওষুধই জেনেরিক, কারণ এগুলির দাম ব্র্যান্ডেড ওষুধের তুলনায় অনেক কম। শুল্ক বাড়লে উৎপাদনকারী সংস্থাগুলি সেই অতিরিক্ত খরচ পরিবেশক, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যবিমা সংস্থার উপর চাপাতে পারে। শেষ পর্যন্ত রোগীদেরও বেশি দাম দিয়ে ওষুধ কিনতে হতে পারে। রয়টার্সের উদ্ধৃত বিশ্লেষকদের মতে, অনেক সংস্থা যদি অতিরিক্ত শুল্কের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি কমিয়ে দেয়, তাহলে ওষুধের ঘাটতির সমস্যাও বাড়তে পারে।

ভারতীয় সংস্থাগুলি কী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন বাড়াতে পারবে?

কিছু সংস্থা ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তুলেছে বা সেখানকার কারখানা অধিগ্রহণ করেছে। তবে বড় পরিসরে উৎপাদন স্থানান্তর করতে গেলে কয়েকশো মিলিয়ন ডলারের নতুন বিনিয়োগ, দক্ষ কর্মী নিয়োগ, ইউএস এফডিএ-র অনুমোদন এবং নতুন সাপ্লাই চেন তৈরি করতে হবে। ছোট ও মাঝারি সংস্থার পক্ষে এই ব্যয় বহন করা কঠিন হতে পারে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe