হায়দরাবাদে এক তরুণী সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার তরুণীর মৃত্যু ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তরুণীর পুকুরে ডুবে মৃত্যুর তদন্তের মাঝেই পুলিশের কাছে আসে, স্থানীয় এক মন্দিরের মূর্তি উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ। এরপর দুটি ঘটনাকে একসূত্রে বাঁধতেই পুলিশের কাছে উঠে আসে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার হদিশ।

হায়দরাবাদে তেজস্বিনী নামের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার তরুণীর মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। জানা গিয়েছে, স্থানীয় এক মন্দিরে, ওই তরুণী, প্রথমে নগ্ন অবস্থায় প্রবেশ করেন। তারপর মন্দির থেকে আম্মাভারুর মূর্তি তিনি সঙ্গে নেন, পরে একটু দূরে থাকা এক পুকুরে ঝাঁপ দেন তরুণী। তরুণীর দেহ উদ্ধার হলেও, উদ্ধার হয়নি মূর্তিটি। কেন এমন করলেন তেজস্বিনী, তা নিয়ে প্রশ্ন, সন্দেহ, জল্পনা থেকে যাচ্ছে। এদিকে, ঘটনার তদন্তে নেমে, পুলিশ খতিয়ে দেখছে তেজস্বিনীর টাকা পয়সার লেনদেন।
এদিকে, পুকুরটিতে মূর্তিটির সন্ধানে ‘ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স’ নৌকা নামিয়েছে; তদন্তকারীদের ধারণা, এই মামলায় মূর্তিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রমাণ হতে পারে। তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ তেজস্বিনীর মা অরুণাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। পাশাপাশি, ওই নারীর কথিত মৃত্যুর ঘোষণা, আর্থিক লেনদেন এবং ঘটনার আগের দিনগুলোতে তাঁর চলাফেরার বিষয়টিও তারা খতিয়ে দেখছে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন যে তেজস্বিনী একটি ভাড়া করা ফ্ল্যাটে থাকতেন, যার জন্য তিনি প্রতিদিন প্রায় ৩,৫০০ টাকা,অর্থাৎ মাসে প্রায় ১ লাখ টাকা.,ভাড়া দিতেন। পুলিশ আরও জানতে পেরেছে যে ওই ভবনের ওপরের দুটি তলা একটি লজের মতো করে চালানো হচ্ছিল। এই বিষয়টির সঙ্গে বর্তমান মামলার কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ প্রাথমিক তদন্তের পর জানাচ্ছে, এই মৃত্যু আত্মহত্যা। তবে, ঘটনার সঠিক ক্রম এবং তাঁর এমন আচরণের নেপথ্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্তকারীরা সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি ও ফরেনসিক প্রমাণাদি বিশ্লেষণ করছেন এবং তাঁর মৃত্যুর পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি।
{{/usCountry}}পুলিশ প্রাথমিক তদন্তের পর জানাচ্ছে, এই মৃত্যু আত্মহত্যা। তবে, ঘটনার সঠিক ক্রম এবং তাঁর এমন আচরণের নেপথ্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্তকারীরা সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি ও ফরেনসিক প্রমাণাদি বিশ্লেষণ করছেন এবং তাঁর মৃত্যুর পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি।
{{/usCountry}}