Rahul jokes on wife issue: আমার ও মোদীর ‘বউ ইস্যু’ নেই, মজা রাহুলের, ‘ম্যাজিশিয়ান’ ও ‘১৬’ নিয়ে উত্তাল সংসদ
Rahul jokes on wife issue: মহিলা সংরক্ষণ বিল সংক্রান্ত আলোচনার সময় সংসদে ‘ম্যাজিশিয়ান’, ‘১৬-র ধাঁধা’ নিয়ে বিতর্ক উস্কে দিলেন রাহুল গান্ধী। সেইসঙ্গে মজা করে বললেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী ও তাঁর বউ ‘ইস্যু’ নেই।
Rahul jokes on wife issue: ‘ম্যাজিশিয়ান’, ‘১৬-র ধাঁধা’-র মধ্যে লোকসভায় হাসির ঝড় তুললেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। বললেন যে তাঁর এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘বউ সংক্রান্ত ইস্যু’ নেই। যা শুনে হাসির রোল ওঠে লোকসভায়। শুক্রবার মহিলা সংরক্ষণ ও ডিলিমিটেশন কমিশন গঠন সংক্রান্ত যে বিল পেশ করা হয়েছে, তা নিয়ে সংসদের বিশেষ অধিবেশনে বিতর্কের সময় রাহুল বলেন, ‘এই কক্ষে উপস্থিত আমরা প্রত্যেকেই আমাদের জীবনের নারীদের- মা, বোন এবং স্ত্রীদের - দ্বারা প্রভাবিত হয়েছি, তাঁদের কাছ থেকে শিখেছি এবং তাঁদের কাছ থেকেই অনেক কিছু জেনেছি।’ সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই, প্রধানমন্ত্রী এবং আমার ক্ষেত্রে স্ত্রী'র বিষয়টি নেই, তাই আমরা সেই মতামত পাই না। কিন্তু আমাদের মা ও বোনেরা আছেন।’

‘অপারেশন সিঁদুরের ম্যাজিশিয়ান’, পরোক্ষে মোদীকে তোপ রাহুলের
তবে সেই হাসির মেজাজের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ শানিয়েছেন রাহুল। তিনি বলেন, 'বাস্তবটা হল যে ম্যাজিশিয়ান ধরা পড়ে গিয়েছেন- বালাকোটের ম্যাজিশিয়ান, নোটবন্দীর ম্যাজিশিয়ান, অপারেশন সিঁদুরের ম্যাজিশিয়ান।' সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সকলেই জানে যে আমাদের বন্ধু, সেই জাদুকর এবং ব্যবসায়ীর মধ্যে একটি অংশীদারিত্ব রয়েছে।’
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: 'ওরা ভীতু, কাপুরুষ', দেবাশিসের বাড়ি-অফিসে আয়কর হানার বিরুদ্ধে সরব মমতা
আর রাহুলের সেই মন্তব্যে তুমুল ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিজেপি সাংসদরা। রাহুলকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি তুলতে থাকেন তাঁরা। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু অভিযোগ করেন, রাহুল দেশের প্রধানমন্ত্রীর যে ভাষা ব্যবহার করেছেন, তা একেবারেই ঠিক নয়। বালাকোট এয়ারস্ট্রাইক এবং অপারেশন সিঁদুর নিয়ে মন্তব্য দেশের সামরিক বাহিনীকেও অপমান করেছেন বলে অভিযোগ করেন রিজিজু।
শৈশবের মানসিক আঘাত….রাহুলকে নিশানা কঙ্গনার
একই রেশ ধরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে রাহুলের মন্তব্য ছেঁটে ফেলার অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, ‘এই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্পর্কে বিরোধী নেতা যে ধরনের শব্দ ব্যবহার করছেন, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আমি মনে করি, এর কোনও নিন্দাই যথেষ্ট নয়।’ আবার বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত বলেন, ‘ওঁর কথা শোনাও একটা চরম বিরক্তিকর। শৈশব যে মানসিক আঘাত পেয়েছিলেন, সেটার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ছোটবেলায় দেখা জাদু প্রদর্শনীর কথা বলছিলেন। ভয়াবহ ছিল ওঁর ভাষণ। স্পিকারও তাঁকে থেমে যেতে বলেন। তিনি সংসদকে উপহাসের পাত্রে পরিণত করেছেন।’
‘১৬-র ধাঁধা’ দিলেন রাহুল
তারইমধ্যে ‘১৬-র ধাঁধা’ নিয়েও মোদীকে কটাক্ষ করেন রাহুল। তিনি বলেন, ‘গতকাল আমি প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেখছিলাম। উদ্যম কম, ভগ্নপ্রায়, কিছুই বোঝাতে পারছিলেন না। আমি হঠাৎ খেয়াল করলাম যে গতকাল ছিল ১৬ এপ্রিল... তিনি ঠিক করে বোঝাতে পারছিলেন না কারণ এটা স্পষ্ট যে এই বিলটি পাশ করার চেষ্টা করাটা একটা ভুল ছিল। কারণ সবাই জানতেন যে একটা আতঙ্কজনক প্রতিক্রিয়া হবে, যেমনটা আমি আগেই বলেছি। তো আমি তাঁকে দেখছিলাম এবং আমার ফোনে দেখলাম, ১৬ই এপ্রিল। আর আমি ভাবলাম, হে ঈশ্বর, কী অদ্ভুত ব্যাপার। এটাই সেই সংখ্যা ১৬। এই ১৬ সংখ্যাটি, এটাই সেই সংখ্যা। ধাঁধার পুরো উত্তরটাই ১৬ সংখ্যাটির মধ্যে রয়েছে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


