...
...
Next Story

IIT Bombay: আইআইটি বম্বের মৃত পড়ুয়ার শেষ ফোনালাপ প্রকাশ্যে, কী বলেছিলেন? তদন্তে বিরাট দাবি পুলিশের

IIT Bombay: মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ২৫ জনেরও বেশি ব্যক্তির বয়ান রেকর্ড করেছেন তাঁরা।

Published on: Sep 25, 2026, 21:01:11 IST
Advertisement

IIT Bombay: আইআইটি বম্বের পড়ুয়া সাহিল ওয়াকোডের মৃত্যুরহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে মুম্বই পুলিশ। গত শুক্রবার পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন তিনি। সে দিন সন্ধ্যাতেই ওই ছাত্রের দেহ প্রতিষ্ঠানের হস্টেল থেকে উদ্ধার করা হয়। তারপর থেকেই চলছে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের পালা। সম্প্রতি সাংবাদিক সম্মেলনে এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে জাতিগত বৈষম্যের অভিযোগ জানান সাহিল ওয়াকোডের বাবা-মা। এবার সেই তদন্তেই নয়া মোড়।

আইআইটি বম্বের মৃত পড়ুয়ার শেষ ফোনালাপ প্রকাশ্যে, কী বলেছিলেন?
আইআইটি বম্বের মৃত পড়ুয়ার শেষ ফোনালাপ প্রকাশ্যে, কী বলেছিলেন?

মুম্বই পুলিশের অপরাধদমন শাখা সাহিল ওয়াকোডের মামলার তদন্ত করছে। মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ২৫ জনেরও বেশি ব্যক্তির বয়ান রেকর্ড করেছেন তদন্তকারীরা। সাহিলের সহপাঠী, ঘনিষ্ঠদের পাশাপাশি হস্টেলের কর্মী ও পরিচিতদের সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার হল থেকে বেরিয়ে সাহিল কয়েক জন বন্ধুকে ফোন করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে এক বান্ধবীও ছিলেন। তাঁদের সাহিল জানিয়েছিলেন, পরীক্ষার হলে যা ঘটেছে, তার জন্য তিনি লজ্জিত। নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন। যা করেছেন, তা করা উচিত হয়নি। তার জন্য অনুশোচনা হচ্ছিল তাঁর। পুলিশ আধিকারিক বলেন, '১৮ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা ৪০ মিনিট নাগাদ নকল করতে গিয়ে ওই ছাত্র ধরা পড়েন এবং সেদিন সন্ধ্যায় হোস্টেলের রুমে তাঁকে মৃত অবস্থায় উদ্ধর করা হয়। এই মধ্যবর্তী সময় ওই ছাত্র হোস্টেলেই ছিলেন এবং তার কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে কথা বলেন। আমরা তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছি।'

সাহিল আইআইটি বম্বের এনার্জি সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন। শুক্রবার প্রতিষ্ঠানের মিড সেমেস্টার পরীক্ষার সময় তাঁকে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করতে দেখা যায় বলে দাবি কর্তৃপক্ষের। পরীক্ষার পরিদর্শক অধ্যাপক সূর্যনারায়ণ দুল্লা বিষয়টি কলেজ প্রশাসনকে জানান। যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, ঘটনার পর সাহিলকে কাউন্সেলিং করা হয়। তাঁকে আশ্বস্ত করা হয় যে এই ঘটনার কারণে তাঁর কেরিয়ারে কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। তবে সাহিলের বাবা-মায়ের অভিযোগ, তাঁদের ছেলেকে জাত তুলে হয়রানি করা হয়েছে। শুরু থেকে অধ্যাপক দুল্লার দ্বারা সাহিল মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। সে কথা জানিয়েছিল বাবা-মাকেও। পাশাপাশি, পোয়াই থানায় পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ১০৮ ধারা ও এসসি/এসটি আইনের অধীনে এফআইআর ধারায় মামলা দায়ের করেন তাঁরা। ইতিমধ্যে আইআইটি বম্বের প্রশাসন অধ্যাপক সূর্যনারায়ণ দুল্লাকে ডিন পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks