ঘটনা ২০২৩ সালের। সেই বছর কানাডায় খলিস্তানপন্থী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জরের খুনের ঘটনায় ভারত-কানাডার সম্পর্কে শীতলতা আসে। কানাডায় তৎকালে সরকারে থাকা ট্রুডো অভিযোগ করেন, নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে জড়িত ভারত। প্রসঙ্গত, কানাডার বুকে, অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীর হাতে খুন হয় নিজ্জর। এদিকে, কানাডার অভিযোগ নস্যাৎ করে দেয় দিল্লি। সেই ঘটনার বেশ কয়েক বছর পর এবার, প্রকাশ্যে এল গ্যাংস্টার সতিন্দর সিং ওরফে গোল্ডি ব্রারের কথপকথনের ফাঁস হওয়া অডিয়ো ক্লিপ। যেখানে গোল্ডি চাঞ্চল্যকরভাবে দাবি করছে, সেই হরদীপকে খুন করতে চেয়েছে। খুনের কারণও অডিয়োও প্রকাশ্যে আসে।

বেশ কিছু মামলায় ভারতের বুকে ওয়ান্টেড রয়েছে গ্যাংস্টার গোল্ডি। কিছু বছর আগে পঞ্জাবে সিধু মুসেওয়ালা হত্যাকাণ্ডেও গোল্ডির গ্যাং অভিযুক্ত। মুসেওয়ালা খুনের চক্রী গোল্ডিকে সন্ত্রাসীও ঘোষণা করেছে ভারত। সেই গোল্ডির সঙ্গে উগ্রপন্থী পরমজিৎ সিং পম্মার কথপোকথনের অডিয়ো ফাঁস হয়েছে। সেখানে গোল্ডিকে, নিজ্জরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘ যারা ১৬-১৭ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের মাদক বিক্রির জন্য প্রস্তুত ও প্ররোচিত করেছিল... যারা ব্ল্যাকমেইল বা ভয়ভীতি দেখিয়ে তরুণদের দিয়ে মাদক বিক্রি ও তথ্যদাতার (ইনফরমার) কাজ করাত... নিজ্জর এসব ব্যক্তিকে সহায়তা ও শক্তিশালী করে তুলেছিল, যাতে প্রয়োজনে তাদের কাজে লাগানো যায়।’ এরই সঙ্গে সেই অডিয়োতে গোল্ডি বলে, ‘এই কারণেই আমাকে,অর্থাৎ আমাকে ও আমার দলকে,নিজ্জরকে হত্যা করতে হয়েছিল। কারণ এরা তরুণদের ব্যবহার করে মাদক বিক্রি করত। নিজের কাজের পরিণাম তো সবাইকেই ভোগ করতে হয়।’
প্রসঙ্গত, গ্যাংস্টার গোল্ডি ব্রার এই মুহূর্তে পলাতক! যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) গত মাসে গোল্ডি ব্রারকে গ্রেফতারে সহায়তাকারী তথ্যের জন্য ৫০ হাজার ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে। এদিকে, নিজ্জর হত্যায় ভারতের জড়িত থাকার যে অভিযোগ তুলেছিল কানাডার ট্রুডো সরকার, তা খণ্ডন করে দিয়েছে বর্তমান কার্নি সরকার। গত মাসে কানাডার তদন্তকারীরা জানিয়েছেন যে, নিজ্জরের হত্যাকাণ্ডের সাথে ভারতের কোনো যোগসূত্র থাকার প্রমাণ তাঁরা পাননি। রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘সংগঠিত অপরাধ সংক্রান্ত এই তদন্ত এবং উত্থাপিত অভিযোগ ও আনুষ্ঠানিক অভিযোগনামার ভিত্তিতে এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে ভারতীয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ আনা হয়েছে বা তাঁরা এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন।’
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, গ্যাংস্টার গোল্ডি ব্রার এই মুহূর্তে পলাতক! যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) গত মাসে গোল্ডি ব্রারকে গ্রেফতারে সহায়তাকারী তথ্যের জন্য ৫০ হাজার ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে। এদিকে, নিজ্জর হত্যায় ভারতের জড়িত থাকার যে অভিযোগ তুলেছিল কানাডার ট্রুডো সরকার, তা খণ্ডন করে দিয়েছে বর্তমান কার্নি সরকার। গত মাসে কানাডার তদন্তকারীরা জানিয়েছেন যে, নিজ্জরের হত্যাকাণ্ডের সাথে ভারতের কোনো যোগসূত্র থাকার প্রমাণ তাঁরা পাননি। রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘সংগঠিত অপরাধ সংক্রান্ত এই তদন্ত এবং উত্থাপিত অভিযোগ ও আনুষ্ঠানিক অভিযোগনামার ভিত্তিতে এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে ভারতীয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ আনা হয়েছে বা তাঁরা এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন।’
{{/usCountry}}