খবরের শিরোনাম কাড়ছে বাংলাদেশের খুলনা। সেখানে রাতে পুলিশ কর্মীদের একা চলাচল না করার জন্য এক নির্দেশিকা জারি হয়েছে। শুক্রবার রাতে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার (ডিএসবি) পুলিশ সুপার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। মূলত, খুলনায় ভয়াবহ ছিনতাইয়ের ঘটনার পরই এই নির্দেশ এসেছে।

সদ্য খুলনা নগরে ছিনতাইকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক পুলিশ পরিদর্শক গুরুতর আহত হওয়ার পরই এই নির্দেশিকা তারেক প্রশাসনের তরফে এসেছে। জানা যাচ্ছে, ওই নির্দেশ পত্রে বলা হয়েছে, খুলনায় সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনাও পরিলক্ষিত হচ্ছে। সেই পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেই বিশেষ অভিযানসহ অন্যান্য দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাতে একা চলাচল না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, গোটা বিষয়টি নিয়ে ইউনিট ইনচার্জদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ওই চিঠির কপি ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট থানাগুলিতে পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশের পুলিশ প্রশাসনের এই চিঠি ঘিরে উঠছে নানান প্রশ্ন। এই চিঠি কি কোনও ধরনের নিরাপত্তাহীনতার বার্তা দিচ্ছে? প্রশ্ন আসতেই পুলিশ কর্তা, সরকার ওমর ফারুক বলেন, ‘আসলে এটা আমাদের অভ্যন্তরীণ একটা চিঠি। চিঠিতে তো বিস্তারিত লেখা যায় না। যাতে কোনও পুলিশ সদস্য ছিনতাইকারীর কবলে না পড়েন, সে জন্যই মূলত এই চিঠি দেওয়া।’ প্রশ্ন উঠছে, যদি পুলিশ সদস্যদের প্রতি এই বার্তা থাকে পুলিশ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের, তাহলে সেই এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার পরিস্থিতি কী হতে পারে!
এর আগে, খুলনায় বৃহস্পতিবার ভোররাত আড়াইটার দিকে খুলনার খানজাহান আলি রোডে খুলনা কলেজিয়েট স্কুলের সামনে পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলম ছিনতাইকারীদের হামলার শিকার হন। জানা যায়, তিনি ছিলেন রিক্সায়। স্কুলের সামনে তিন ছিনতাইকারী তাঁর গতিরোধ করে টাকা ও ফোন ছিনিয়ে নেয়। বাধা দিলে ছিনতাইকারীরা ধারালো চাপাতি দিয়ে তাঁর দুই হাতের কবজিতে ভয়াবহভাবে কোপ দেয়। তিনি হাসপাতালে ভর্তি হলেও, পরবর্তী চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়। এর আগে, একাধিক খুনের ঘটনা ঘটে বাংলাদেশের রূপসায়। তারপর বাংলাদেশের পুলিশ নামে অভিযানে। গত মঙ্গলবার রাত থেকে অপরাধী গ্রেপ্তার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে খুলনা জেলা পুলিশ বিশেষ অভিযান শুরু করে। এরপর এল খুলনা পুলিশের এই নির্দেশিকা।
{{/usCountry}}এর আগে, খুলনায় বৃহস্পতিবার ভোররাত আড়াইটার দিকে খুলনার খানজাহান আলি রোডে খুলনা কলেজিয়েট স্কুলের সামনে পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলম ছিনতাইকারীদের হামলার শিকার হন। জানা যায়, তিনি ছিলেন রিক্সায়। স্কুলের সামনে তিন ছিনতাইকারী তাঁর গতিরোধ করে টাকা ও ফোন ছিনিয়ে নেয়। বাধা দিলে ছিনতাইকারীরা ধারালো চাপাতি দিয়ে তাঁর দুই হাতের কবজিতে ভয়াবহভাবে কোপ দেয়। তিনি হাসপাতালে ভর্তি হলেও, পরবর্তী চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়। এর আগে, একাধিক খুনের ঘটনা ঘটে বাংলাদেশের রূপসায়। তারপর বাংলাদেশের পুলিশ নামে অভিযানে। গত মঙ্গলবার রাত থেকে অপরাধী গ্রেপ্তার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে খুলনা জেলা পুলিশ বিশেষ অভিযান শুরু করে। এরপর এল খুলনা পুলিশের এই নির্দেশিকা।
{{/usCountry}}