ইরানে যুদ্ধের জেরে ইরানের প্রতিবেশী পাকিস্তান জ্বালানি সংকটে। ইতিমধ্যেই ইরানে ইজরায়েল ও আমেরিকার হামলার ফলে হরমুজ প্রণালী ঘিরে যুদ্ধের মাঝে পড়ে যাওয়ার ফলে, গোটা বিশ্ব জুড়েই জ্বালানি সংকট মাথা চাড়া দিচ্ছে। তারই মাঝে পাকিস্তানের জ্বালানির সংকট সাধারণ জনজীবনে প্রভাব ফেলেছে। এরই মাঝে পাকিস্তান আয়োজন করছে তাদের টি২০ লিগ, পিএসএল (পাকিস্তান সুপার লিগ)। তবে সেদেশে জ্বালানির কমতির জেরে এই পিএসএল এবার পাকিস্তান শুঘুমাত্র লাহোর আর করাচিতেই আয়োজন করতে পারবে।

সদ্য পিএসএল ছেড়ে অনেকেই ভারতের আইপিএলর দিকে ঝুঁকছেন। এমন ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ড প্রধান নকভি। এদিকে, পিএসএল আয়োজনের ক্ষেত্রে বড় বিপাকে পড়ে গিয়েছেন নকভি! ২৬ মার্চ থেকে শুরু হতে চলা, পিএসএল-র জমকালো উদ্বোধনও বাতিল করছে পাকিস্তান। তবে সবচেয়ে চমকপ্রদ ঘটনা হল, পাকিস্তানে জ্বালানি সংকটের জেরে সম্ভবত আপাতত মাঠে দর্শকদের নাও দেখা যেতে পারে! ইএসপিএন-ক্রিক ইনফোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নকভি বলছেন, ইরানের যুদ্ধ হয়তো ১০ দিন কিম্বা ১৫ দিনে মিটে যাবে। সেই যুদ্ধের ওপরহ নির্ভর করছে পিএসএলর মাঠে দর্শকরা কবে আসতে পারবেন, সেই বিষয়টি।
নকভি বলছেন, জ্বালানি সংকটের কারণে প্রধানমন্ত্রী সমগ্র পাকিস্তানকে চলাচল সীমিত করার অনুরোধ করেছেন। তিনি বলেন, আমরা স্কুল বন্ধ করে দিয়েছি, বাড়ি থেকে কাজ করার ব্যবস্থা চালু করেছি এবং ইদের ছুটি বাড়িয়েছি। আমরা জানি না এই যুদ্ধ কতদিন চলবে।
এছাড়াও পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নকভি বলছেন, ‘এই সবকিছু বিবেচনা করে এবং আমাদের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সাথে আলোচনার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, পিএসএল পূর্বনির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ীই চলবে। কিন্তু আমরা মানুষকে চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করতে বলে আবার প্রতিদিন স্টেডিয়ামে ৩০ হাজার দর্শক রাখতে পারি না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, যতদিন এই সংকট চলবে, ততদিন ম্যাচগুলোতে দর্শক থাকবে না।’ দর্শকশূন্য গ্যালারির কারণে গেট থেকে হওয়া আয়ের ক্ষতির জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন নাকভি। ফলত, বিদেশি ক্রিকেটারদের পিএসএল থেকে আইপিএল-এ চলে যাওয়া নিয়ে নকভি যতই হুঁশিয়ারির সুর চড়াননা কেন, পিএসএল আয়োজন করতে গিয়েই বেশ চাপে পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ড প্রধান!
{{/usCountry}}এছাড়াও পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নকভি বলছেন, ‘এই সবকিছু বিবেচনা করে এবং আমাদের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সাথে আলোচনার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, পিএসএল পূর্বনির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ীই চলবে। কিন্তু আমরা মানুষকে চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করতে বলে আবার প্রতিদিন স্টেডিয়ামে ৩০ হাজার দর্শক রাখতে পারি না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, যতদিন এই সংকট চলবে, ততদিন ম্যাচগুলোতে দর্শক থাকবে না।’ দর্শকশূন্য গ্যালারির কারণে গেট থেকে হওয়া আয়ের ক্ষতির জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন নাকভি। ফলত, বিদেশি ক্রিকেটারদের পিএসএল থেকে আইপিএল-এ চলে যাওয়া নিয়ে নকভি যতই হুঁশিয়ারির সুর চড়াননা কেন, পিএসএল আয়োজন করতে গিয়েই বেশ চাপে পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ড প্রধান!
{{/usCountry}}