...
...
Next Story

Indian pilot Smit Machchhar: ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে বিশেষ স্বীকৃতি UAE-র, প্রকাশ্যে ফ্লাইদুবাই-কাণ্ডের ক্ষত

Indian pilot Smit Machchhar: সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার ও তাঁর সহকর্মী ক্রু সদস্যদের ‘ফার্স্ট ক্লাস অর্ডার অফ জায়েদ ২’ সম্মানে ভূষিত করেছেন।

Published on: Oct 28, 2026, 23:00:22 IST
Advertisement

Indian pilot Smit Machchhar: ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার এবং তাঁর ‘ফ্লাইদুবাই’ ক্রু সদস্যদের সম্মানিত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। এই অনুষ্ঠানেই প্রথমবার ক্যাপটেন স্মিত মাচ্ছারের মাথার আঘাতের বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রকাশ্যে এসেছে।

ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে বিশেষ স্বীকৃতি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির (@DXBMediaOffice)
ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে বিশেষ স্বীকৃতি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির (@DXBMediaOffice)

সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার ও তাঁর সহকর্মী ক্রু সদস্যদের ‘ফার্স্ট ক্লাস অর্ডার অফ জায়েদ ২’ সম্মানে ভূষিত করেছেন। দুবাই থেকে তেল আভিভগামী একটি ফ্লাইটে মাঝ আকাশে হামলার সময় যাত্রীদের সুরক্ষায় তাঁদের ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের একটি ভিডিওতে ক্যাপ্টেন মাচ্ছারের মাথায় সেলাইয়ের চিহ্ন দেখা গিয়েছে। ককপিটে থাকা একটি কুঠার দিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়েছিল, যার ফলে তাঁর মাথার খুলিতে গুরুতর আঘাত (কম্পাউন্ড ডিপ্রেসড স্কাল ফ্র্যাকচার) লাগে। অর্থাৎ, মাচ্ছারের খুলির হাড় ভেঙে তার একটি অংশ মস্তিষ্কের ভিতরের দিকে ঢুকে যায়। মাথা থেকে প্রচুর রক্তপাত হয়। গুরুতর আহত হওয়া সত্ত্বেও তিনি ককপিটের দরজা খুলতে পেরেছিলেন। ফলে ক্রু সদস্য ও যাত্রীরা ভেতরে প্রবেশ করতে পারেন, যা একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সাহায্য করে।

ঘটনাটি ঘটে ৩০ সেপ্টেম্বর, ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড১০৭৩ ফ্লাইটে। দুবাই থেকে তেল আভিভগামী এই বিমানে ১৭০ জনেরও বেশি যাত্রী ছিলেন। ককপিটে জরুরি প্রয়োজনে রাখা একটি কুঠার (ক্র্যাশ এক্স) দিয়ে ক্যাপ্টেন মাচ্ছারকে আক্রমণ করেন তাঁরই সহ-পাইলট। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তবে এই আক্রমণের উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। ইজরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই কো-পাইলট ওমানের নাগরিক। তিনি ক্যাপ্টেন মাচ্ছারকে আঘাত করার পর বিমানটিকে ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ের মধ্যে প্রায় ১৪,০০০ ফুট নীচে নামিয়ে দিয়েছিলেন। রক্তাক্ত অবস্থায় ককপিটের মেঝেতে পড়ে থাকা ক্যাপ্টেন মাচ্ছার তাঁর 'শেষ শক্তি' ব্যবহার করে ককপিটের দরজার লক খুলে ফেলেন।

এর ফলে যাত্রী ও ক্রুরা ওই সহ-পাইলটকে কাবু করতে সক্ষম হন। এছাড়া বিমানে থাকা ফ্লাইদুবাইয়ের অন্য দুই পাইলট বিমানটিকে নিরাপদে তাবুকে অবতরণ করান। ক্যাপ্টেন মাচ্ছারকে প্রথমে সৌদি আরবের তাবুকের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়, পরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য আবুধাবিতে নিয়ে যাওয়া হয়। ক্রুরা সফলভাবে আক্রমণ প্রতিহত করেন এবং বিমানটিকে সৌদি আরবে নিরাপদে অবতরণ নিশ্চিত করেন। ক্যাপ্টেন মাচ্ছার যখন চিকিৎসাধীন ছিলেন, তখন ক্রাউন প্রিন্স হামদান একটি সম্ভাব্য বড় বিপর্যয় এড়ানোর ক্ষেত্রে তাঁর 'সাহসিকতার' প্রশংসা করেন। ক্রাউন প্রিন্স হাসপাতালে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন এবং সেই সাক্ষাতের ছবি এক্স-এ পোস্ট করেন। ক্যাপ্টেন মাচ্ছারের প্রাপ্ত সম্মানের তালিকায় এটি সর্বশেষ সংযোজন। গুজরাট সরকার তাঁকে 'বিশিষ্ট গুজরাট গরিমা পুরস্কার'-এ ভূষিত করেছে। এছাড়া ইজরায়েল সরকারও তাঁকে অসামরিক বীরত্বের জন্য একটি 'প্রেসিডেন্সিয়াল অ্যাওয়ার্ড' দেওয়ার প্রস্তাব করেছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks