...
...
Next Story

Income Tax Details Explained: বেতন থেকে টিডিএস কাটেনি, তবুও দিতে হতে পারে আয়কর! কেন?

কোনও সংস্থা যখন কর্মীর বেতন থেকে টিডিএস কাটে, তখন তারা শুধুমাত্র সেই কর্মীর বেতনের হিসাব জানে। যদি বেতন স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন বাদ দিয়ে ১২ লক্ষ টাকার মধ্যে থাকে, তাহলে সংস্থার টিডিএস কাটার প্রয়োজন হয় না।

Published on: Jul 5, 2026, 13:38:29 IST
Advertisement

Income Tax Details Explained: ২০২৫ সালের বাজেটের পর অনেক চাকরিজীবীর বেতন থেকে সারা বছর এক টাকাও টিডিএস (Tax Deducted at Source) কাটা হয়নি। কারণ, নতুন কর ব্যবস্থায় (New Tax Regime) আয়কর আইনের ৮৭এ ধারার অধীনে কর ছাড়ের সীমা ৭ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া ৭৫ হাজার টাকার স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন যোগ করলে, মোট ১২.৭৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বেতনের ক্ষেত্রে সাধারণত কোনও টিডিএস কাটার প্রয়োজন পড়ে না।

সারা বছর বেতন থেকে কোনও কর না কাটলেও রিটার্ন জমা দিতে গিয়ে কর দিতে হচ্ছে, কেন?
সারা বছর বেতন থেকে কোনও কর না কাটলেও রিটার্ন জমা দিতে গিয়ে কর দিতে হচ্ছে, কেন?

কিন্তু সমস্যা শুরু হয় আয়কর রিটার্ন (ITR) জমা দেওয়ার সময়। অনেকেই দেখছেন, সারা বছর বেতন থেকে কোনও কর না কাটলেও রিটার্ন জমা দিতে গিয়ে কর দিতে হচ্ছে। এতে অনেকেই বিভ্রান্ত হচ্ছেন। আসলে এখানে দুটি বিষয় আলাদা— টিডিএস এবং মোট আয় অনুযায়ী আয়কর।

কোনও সংস্থা যখন কর্মীর বেতন থেকে টিডিএস কাটে, তখন তারা শুধুমাত্র সেই কর্মীর বেতনের হিসাব জানে। যদি বেতন স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন বাদ দিয়ে ১২ লক্ষ টাকার মধ্যে থাকে, তাহলে সংস্থার টিডিএস কাটার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু আয়কর দফতর শুধু বেতন দেখে কর হিসাব করে না। আইটিআর জমা দেওয়ার সময় একজন ব্যক্তির সমস্ত আয় একসঙ্গে ধরা হয়। অর্থাৎ বেতনের পাশাপাশি ফিক্সড ডিপোজিট (FD)-এর সুদ, সেভিংস অ্যাকাউন্টের সুদ, বাড়ি ভাড়ার আয়, বা অন্য কোনও উৎস থেকে আয় থাকলে, সব মিলিয়েই মোট আয় নির্ধারণ করা হয়।

দিল্লির চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট প্রতিভা গুপ্তর কথায়, অনেক কর্মীর বেতন ১২ লক্ষ টাকার মধ্যে থাকায় সারা বছর কোনও টিডিএস কাটা হয়নি। কিন্তু পরে আইটিআর তৈরির সময় এফডির সুদ, ব্যাঙ্কের সুদ বা অন্য আয় যোগ করতেই করের অঙ্ক সামনে চলে আসছে। এতে অনেকেই অবাক হচ্ছেন, যদিও এটি আয়কর আইনের নিয়ম অনুযায়ীই হচ্ছে।

তবে এক্ষেত্রে কিছুটা স্বস্তিও রয়েছে। সরকার মার্জিনাল রিলিফ নামে একটি সুবিধা দিয়েছে। এর ফলে কেউ যদি ১২ লক্ষ টাকার সীমা সামান্য অতিক্রম করেন, তাহলে পুরো করের বোঝা চাপবে না। যতটা আয় ১২ লক্ষ টাকার বেশি হয়েছে, করের অঙ্ক তার বেশি হতে পারবে না।

ধরা যাক, কারও মোট বেতন ১৩.১০ লক্ষ টাকা। স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন বাদ দিলে করযোগ্য আয় দাঁড়ায় ১২.৩৫ লক্ষ টাকা। নিয়ম অনুযায়ী এই আয়ের উপর কর প্রায় ৬৫,২৫০ টাকা হওয়ার কথা। কিন্তু মার্জিনাল রিলিফের কারণে তাঁকে সর্বোচ্চ ৩৫ হাজার টাকাই কর দিতে হবে, কারণ তাঁর আয় ১২ লক্ষ টাকার থেকে মাত্র ৩৫ হাজার টাকা বেশি। তাই শুধু বেতন দেখে করের হিসাব করলে ভুল হতে পারে। আইটিআর জমা দেওয়ার আগে নিজের সব ধরনের আয়ের হিসাব একসঙ্গে মিলিয়ে দেখা জরুরি। তাহলেই শেষ মুহূর্তে অতিরিক্ত করের ধাক্কা এড়ানো সম্ভব।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe