Independence Day 2026 Speech in Bengali: স্বাধীনতা দিবসে স্কুলে ভাষণ দিতে হবে? বিপ্লবীদের স্মরণ করে এটা বলুন, মুগ্ধ হবেন
Independence Day 2026 Speech in Bengali: আগামী ১৫ অগস্ট দেশজুড়ে ৮০ তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হবে। সেদিন বিভিন্ন স্কুলের তরফে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আর সেদিন কি স্কুলে ভাষণ দিতে হবে? রইল দুটো টিপস।
Independence Day 2026 Speech in Bengali: উৎসবের আমেজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী ১৫ অগস্ট পালন করা হবে ৮০ তম স্বাধীনতা দিবস। দেশজুড়ে আনন্দের আবহ, চারদিকে উড়বে জাতীয় পতাকা। লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন। পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের স্কুলেও উত্তোলন করা হবে তেরঙা। বিভিন্ন স্কুলে খুদে পড়ুয়ারা ভাষণও দেয়। এবার কি আপনার সন্তানও স্কুলে স্বাধীনতা দিবসে বিশেষ ভাষণ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে? তাহলে দুটো টিপস দেওয়া হল। যে ভাষণ মন জয় করবে সকলের।

প্রাথমিক স্কুলের পড়ুয়াদের ভাষণের টিপস
সম্মাননীয় প্রধান শিক্ষক মহাশয়, শ্রদ্ধেয় শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ এবং আমার প্রিয় বন্ধুগণ, সকলকে ৮০ তম স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা। ১৯৪৭ সালের ১৫ অগস্ট আমাদের দেশ ভারতবর্ষ স্বাধীন হয়েছিল। আজ সেই মহা আনন্দের দিন। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, মহাত্মা গান্ধী, ভগৎ সিং, ক্ষুদিরাম বসু, মাস্টারদা সূর্য সেন, মাতঙ্গিনী হাজরা, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের মতো বীর বিপ্লবী এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগের ফলেই আজ আমরা এক স্বাধীন দেশে বেঁচে আছি। নতমস্তকে সেই বীর বিপ্লবী এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রণাম জানাই। আসুন, আজকের এই দিনে আমরা সবাই প্রতিজ্ঞা করি যে আমাদের প্রিয় দেশ ভারতের নাম সারা বিশ্বে উজ্জ্বল করব। জয় হিন্দ! ভারত মাতা কি জয়।
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের পড়ুয়াদের ভাষণের টিপস
৮০ তম স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা সকলকে। মঞ্চে উপস্থিত শ্রদ্ধেয় শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথি এবং আমার সহপাঠী- সবাইকে স্বাধীনতা দিবসের প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই। আজকের দিনটা আমাদের গর্বের দিন। অসংখ্য বীর স্বাধীনতা সংগ্রামীর রক্তের বিনিময়ে পাওয়া আমাদের এই স্বাধীনতা। আজ আমরা যখন মুক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নিই, তখন সেইসব মহান বীরদের স্মরণ করা আমাদের পরম কর্তব্য।
২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে আমাদের ভারতবর্ষ মহাকাশ গবেষণা থেকে শুরু করে বিজ্ঞান ও খেলাধুলায় বিশ্বের দরবারে এগিয়ে চলেছে। কিন্তু এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আমাদের দায়িত্বও শেষ হয়ে যায়নি। দেশের একজন সুনাগরিক হিসেবে আমাদের চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, গাছ লাগানো, এবং জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাইকে ভালোবাসা আমাদের দায়িত্ব। আজকের দিনে আমরা শপথ নিই- আমরা সুশিক্ষিত হয়ে দেশকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। গড়ে তুলব আরও শক্তিশালী ও প্রগতিশীল ভারত। বন্দে মাতরম! জয় হিন্দ!
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


