Asian Games 2026: এশিয়ান গেমসের ১১তম দিনে জাপানের আইচি-নাগোয়ায় রচিত হল নতুন ইতিহাস। শুরুটা হয়েছিল সকালেই। সময় গড়াতেই আরও তীব্র হয় ভারতের সোনালি দাপট। কম্পাউন্ড তিরন্দাজিতে একদিনেই তিনটি সোনা জিতে নজির গড়েছে ভারত। মেয়েদের দল প্রথমে চিনকে হারিয়ে সোনা জেতে। এরপর মিক্সড টিম ইভেন্টেও সোনা জেতে ভারত। দিনের শেষে আসে আরও একটি সাফল্য। চিনের বিরুদ্ধে টানটান লড়াইয়ে স্নায়ুর চাপ সামলে পুরুষদের কম্পাউন্ড দল সোনা জিতে তিরন্দাজিতে ভারতের সোনার হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে এমন একচেটিয়া আধিপত্য সত্যিই বিরল।

দিনের শুরুতে পদক জয়ের সুর বেঁধে দেন মেয়েরা। মহিলাদের কম্পাউন্ড দলগত বিভাগে ট্র্যাকে নামেন জ্যোতি সুরেখা ভেন্নাম, চিকিথা তানিয়াপার্থি এবং পৃথিকা প্রদীপ। ফাইনালে প্রতিপক্ষ ছিল শক্তিশালী চিন। তবে ভারতীয় দলের নিখুঁত লক্ষ্যভেদের সামনে টিকতে পারেনি কেউই। ২৩৮-২৩৪ স্কোরের দাপুটে ব্যবধানে বিপক্ষকে উড়িয়ে সোনা জেতেন জ্যোতিরা। শুধুমাত্র সোনা জয়ই নয়, ফাইনালে ২৩৮ পয়েন্টের এক অনবদ্য বিশ্ব রেকর্ড গড়ে এশিয়ান গেমসে ভারতীয় তিরন্দাজির নতুন অধ্যায় সূচনা করেছেন তাঁরা। টুর্নামেন্টের মেজাজ ঠিক করে দেয় তাঁদের চোখধাঁধানো পারফরম্যান্স। একই সঙ্গে অভিজ্ঞ তিরন্দাজ জ্যোতি সুরেখা ভেন্নাম-এর মুকুটেও যুক্ত হয়েছে নতুন পালক। নিজের কেরিয়ারে এটি তাঁর চতুর্থ এশিয়ান গেমস সোনা। জ্যোতির অভিজ্ঞতা যে দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে, এই পারফরম্যান্সেই তা স্পষ্ট।
মেয়েদের সাফল্যের রেশ টেনে ময়দানে নামে মিক্সড টিম। সেখানে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন চিকিথা তানিয়াপার্থি এবং সাহিল যাদব। ফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ছিল টানটান উত্তেজনা। নির্ধারিত রাউন্ড শেষে দু'দলের স্কোর ১৫৭-১৫৭ পয়েন্টে টাই হয়ে যায়। ফলাফল নির্ধারণের জন্য ম্যাচ গড়ায় শুট-অফে। চরম স্নায়ুর চাপের মুহূর্তে স্থির মস্তিষ্ক রাখেন চিকিথা ও সাহিল। শেষ পর্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি শুট-অফে কোরিয়াকে ২০-১৯ ব্যবধানে হারিয়ে সোনার পদক ছিনিয়ে নেয় এই ভারতীয় জুটি। এই জয়ের সুবাদে ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জন করেছে ভারত। ওই মেগা আসরে প্রথমবার সরকারিভাবে যুক্ত হতে চলেছে কম্পাউন্ড তিরন্দাজি। ফলে এই জয় দেশের ক্রীড়ামহলে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।
ভারতের সোনার হ্যাটট্রিকের বৃত্ত সম্পূর্ণ করেছে পুরুষদের কম্পাউন্ড দল। কুশল দালাল, সাহিল যাদব এবং মণি রত্নম গণেশ থিরুমুরু—ভারতের এই তরুণ ত্রয়ী দারুণ মানসিক দৃঢ়তা দেখিয়ে পুরুষদের কম্পাউন্ড দলগত ইভেন্টে সোনা জিতছেন। ফাইনাল রাউন্ডের একটি শটে ৮ পয়েন্ট পাওয়ার ফলে চিনের দাপুটে পারফরম্যান্স একটু ধাক্কা খায়। আর এই সুযোগকে কাজে লাগায় ভারত। ফাইনালে ভারত চিনকে ২৩৮-২৩৭ ব্যবধানে পরাজিত করে। এই ফাইনালের নায়ক ছিলেন নিঃসন্দেহে সাহিল যাদব, যিনি প্রতিটি শটেই নিখুঁতভাবে ‘১০’ স্কোর করার কৃতিত্ব দেখান। কুশল দালাল এবং গণেশ মণি রত্নমও দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। এই সাফল্যের ফলে এশীয় স্তরে কম্পাউন্ড আর্চারিতে ভারতের একাধিপত্য আরও একবার অটুট রইল। একই সঙ্গে দলগত বিভাগে তিন-তিনটি সোনা পকেটে আসায় আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে ভারতীয় শিবির।
পদক তালিকায় আরও শক্তিশালী ভারত
{{/usCountry}}ভারতের সোনার হ্যাটট্রিকের বৃত্ত সম্পূর্ণ করেছে পুরুষদের কম্পাউন্ড দল। কুশল দালাল, সাহিল যাদব এবং মণি রত্নম গণেশ থিরুমুরু—ভারতের এই তরুণ ত্রয়ী দারুণ মানসিক দৃঢ়তা দেখিয়ে পুরুষদের কম্পাউন্ড দলগত ইভেন্টে সোনা জিতছেন। ফাইনাল রাউন্ডের একটি শটে ৮ পয়েন্ট পাওয়ার ফলে চিনের দাপুটে পারফরম্যান্স একটু ধাক্কা খায়। আর এই সুযোগকে কাজে লাগায় ভারত। ফাইনালে ভারত চিনকে ২৩৮-২৩৭ ব্যবধানে পরাজিত করে। এই ফাইনালের নায়ক ছিলেন নিঃসন্দেহে সাহিল যাদব, যিনি প্রতিটি শটেই নিখুঁতভাবে ‘১০’ স্কোর করার কৃতিত্ব দেখান। কুশল দালাল এবং গণেশ মণি রত্নমও দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। এই সাফল্যের ফলে এশীয় স্তরে কম্পাউন্ড আর্চারিতে ভারতের একাধিপত্য আরও একবার অটুট রইল। একই সঙ্গে দলগত বিভাগে তিন-তিনটি সোনা পকেটে আসায় আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে ভারতীয় শিবির।
পদক তালিকায় আরও শক্তিশালী ভারত
{{/usCountry}}এশিয়ান গেমস ২০২৬-এ ভারতের মোট পদকসংখ্যা এবার বেড়ে দাঁড়াল ৫৮। এর মধ্যে রয়েছে ১০টি সোনা, ২১টি রুপো এবং ২৭টি ব্রোঞ্জ। এর আগে হাংঝৌ এশিয়ান গেমসে ভারত মোট ন’টি পদক জিতেছিল—পাঁচটি সোনা, দুটি রুপো এবং দুটি ব্রোঞ্জ। এবার প্রতিযোগিতা এখনও চলায় ভারতের পদকসংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।