...
...
Next Story

India-Bangladesh Trade: মুখেই বয়কট! বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার ভারত

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশের মোট বাণিজ্যে ভারতের অংশ ছিল ৮.৪৭ শতাংশ। এই সময়কালে ভারতের সাথে বাণিজ্যের মোট মূল্য ছিল প্রায় ১২৩ বিলিয়ন টাকা। এদিকে বাংলাদেশের বাণিজ্য অংশিদারিত্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাগ ছিল ৮.৪৬ শতাংশ।

Published on: May 22, 2026, 14:26:33 IST
Advertisement

যুক্তরাষ্ট্রকে ছাপিয়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক পার্টনার হয়েছে ভারত। এমনিতে বাংলাদেশে বিগত দিনে কট্টরপন্থীরা প্রতিনিয়ত 'ভারত বয়কটের' ডাক দিয়ে আসছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশের মোট বাণিজ্যে ভারতের অংশ ছিল ৮.৪৭ শতাংশ। এই সময়কালে ভারতের সাথে বাণিজ্যের মোট মূল্য ছিল প্রায় ১২৩ বিলিয়ন টাকা। এদিকে বাংলাদেশের বাণিজ্য অংশিদারিত্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাগ ছিল ৮.৪৬ শতাংশ। তবে এই তালিকায় শীর্ষ স্থানে আছে চিন। বাংলাদেশের ২১ শতাংশ বাণিজ্য চিনের সঙ্গে।

যুক্তরাষ্ট্রকে ছাপিয়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক পার্টনার হয়েছে ভারত।
যুক্তরাষ্ট্রকে ছাপিয়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক পার্টনার হয়েছে ভারত।

এর আগে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। নতুন সরকারের পর এখন উন্নতি হচ্ছে। এর আগে ২০২৫ সালের মে, অগস্ট এবং ডিসেম্বর মাসে ভারতকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য পার্টনার হিসেবে উঠে এসেছিল আমেরিকা। এই পরিবর্তনের পিছনে ৩টি প্রধান কারণ ছিল- মার্কিন আমদানি বৃদ্ধি, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যের প্রতিবন্ধকতা, আধিপত্যে পিছিয়ে পড়েছে ভারত।

মার্কিন আমদানি বৃদ্ধি: বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলপিজি, তুলো এবং গমের মতো পণ্য আমদানি বৃদ্ধি করেছে, যার ফরে বাংলাদেশের বাণিজ্য অংশিদারিত্বে ভাগ বেড়েছে আমেরিকার।

বাণিজ্যের প্রতিবন্ধকতা: বাংলাদেশের শিল্পপতিদের মতে, ভারতের বাণিজ্য বাধা (যেমন আমদানি সীমা এবং শুল্ক বিলম্ব) এবং ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে ভারতের সাথে বাণিজ্যকে প্রভাবিত হয়েছে।

চিনের আধিপত্য: চিন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে রয়ে গেছে। শিল্পের কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি ও তৈরি পণ্যের জন্য চীন থেকে আমদানির ওপর বাংলাদেশ ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। এর ফলে ভারতের থেকে এই সব পণ্য আমদানি কমিয়েছে বাংলাদেশ।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe