INDIA Alliance Movement: নির্বাচন কমিশনের বিতর্কিত এসআইআর প্রক্রিয়া এবং ভোট চুরির অভিযোগের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। মামলাকারী হিসেবে পিটিশনে নাম রয়েছে ইন্ডিয়া জোটের আরও সাত নেতার। অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড এস প্রসন্নর মাধ্যমে শীর্ষ আদালতের ফাইলিং কাউন্টার বন্ধ হওয়ার ঠিক আগে এই মামলাটি দায়ের করা হয়।

এই আইনি পদক্ষেপে রাহুল গান্ধী প্রধান আবেদনকারী হিসেবে রয়েছেন এবং নির্বাচন কমিশনকে বিবাদী করা হয়েছে। এই মামলার শিরোনাম রাখা হয়েছে 'রাহুল গান্ধী বনাম নির্বাচন কমিশন অফ ইন্ডিয়া।' মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া।’ বিরোধীদের বিক্ষোভ কর্মসূচিকে যাঁরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম রাহুল গান্ধী। জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে কেন্দ্রের উপর চাপ তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। এরই মধ্যে এসআইআরে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সোমবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এই পিটিশনে মামলাকারী হিসেবে নাম রয়েছে– কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং মল্লিকার্জুন খাড়গে, তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী প্রসাদ যাদব, শিবসেনা (ইউবিটি) সাংসদ সঞ্জয় রাউত, সিপিআই (এম) এর এম এ বেবি এবং সিপিআই নেতা ডি রাজার।
মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু মামলার শুনানি রয়েছে। রাহুলের দায়ের করা মামলাটিও সেগুলির সঙ্গেই শুনানি হতে পারে বলে সূত্রের খবর। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের পক্ষ থেকে বিরোধীদের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করার পরই এই আইনি পদক্ষেপের পথ বেছে নেয় বিরোধী শিবির। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে ১০ থেকে ১৫ জন কংগ্রেস নেতার একটি প্রতিনিধিদলকে আদালতের প্রাঙ্গণে ফাইলিং কাউন্টারে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।
{{/usCountry}}মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু মামলার শুনানি রয়েছে। রাহুলের দায়ের করা মামলাটিও সেগুলির সঙ্গেই শুনানি হতে পারে বলে সূত্রের খবর। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের পক্ষ থেকে বিরোধীদের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করার পরই এই আইনি পদক্ষেপের পথ বেছে নেয় বিরোধী শিবির। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে ১০ থেকে ১৫ জন কংগ্রেস নেতার একটি প্রতিনিধিদলকে আদালতের প্রাঙ্গণে ফাইলিং কাউন্টারে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।
{{/usCountry}}এদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা থেকে সাধারণ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার মতো অনিয়মের অভিযোগে সরব হয়ে কনট প্লেস থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত 'চলো দিল্লি' পদযাত্রার নেতৃত্ব দেন রাহুল গান্ধী। দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাব থেকে বাসে চাপেন রাহুল গান্ধী নিজে, মল্লিকার্জুন খাড়গে, নেহা বোরারা। সেই বাসের পিছনে মিছিল করে হাঁটতে থাকেন কর্মীরা। পরে বাস থেকে নেমে কর্মীদের সঙ্গে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, আইসা নেত্রী নেহা বোরাও হাঁটতে শুরু করেন। ভগবান দাস মার্গে আটকে দেওয়া হয় বিরোধী জোটের মিছিলকে। এর আগে রাহুল গান্ধীদের দেখা করার আর্জি খারিজ করে প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, 'সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা আছে। সাধারণ মানুষ হোন বা নির্বাচিত সদস্য, যে কেউ যে কোনও আবেদন নিয়ে আমাদের কাছে আসতে পারেন। ভারতের যে কোনও নাগরিকের অধিকার আছে আদালতে আসার। আইন অনুযায়ী আমরা তাঁদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব এবং তাঁদের অধিকার সুনিশ্চিত করব।’ এরপরই রাহুল গান্ধীর তরফে পিটিশন ফাইল করা হয় শীর্ষ আদালতে। যদিও কংগ্রেস নেতার সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি পৌঁছতে পারেননি।