ভারতগামী আরও ২টি ট্যাঙ্কার হরমুজ প্রণালী পাড়ি দিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী এই দুটি বাণিজ্যিক জাহাজকে সহায়তা প্রদানের জন্য ভারতীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ প্রস্তুত রয়েছে বলে দাবি করেছে সংবাদ সংস্থা এএনআই। উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাস সরবরাহ কার্যত থমকে আছে ইরান যুদ্ধের আবহে। এখনও পর্যন্ত ২০টিরও বেশি জাহাজে হামলা হয়েছে এই অঞ্চলে। তবে ভারতের বেশ কয়েকটি ট্যাঙ্কার নিরাপদে পাড়ি দিয়েছে হরমুজ প্রণালী। আরও জাহাজ ক্রমেই ভারতে আসছে।
এরই মধ্যে আবার জল্পনা-কল্পনা শুরু হয় যে ইরানের অনুমতি নিয়ে এবং তাদেরকে 'ফি' দিয়ে সেখান থেকে জাহাজ নিয়ে আসতে হচ্ছে ভারতকে। এই গুঞ্জন শুরু হতেই মুখ খোলে সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে স্পষ্ট করা দেওয়া হয় যে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে কোনও দেশের অনুমতির প্রয়োজন নেই। তারা কাউকে কোনও ফি দিচ্ছে না।
পারস্য উপসাগরে আটকে পড়া ভারতীয় জাহাজগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিয়ে আসতে ইরানের সঙ্গে কথা হয়েছিল ভারতের। এই আবহে প্রথমে আমেরিকার আধিকারিকরা দাবি করেছিল, ভারতের সঙ্গে নিশ্চয় ইরানের কোনও চুক্তি হয়েছে। পরে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, ভারতের জাহাজকে যেতে দেওয়ার বিনিময়ে নাকি ইরান তাদের বাজেয়াপ্ত হওয়া তিনটি ট্যাঙ্কার ফেরত চেয়েছে। আর সাম্প্রতিক সময়ে আবার গুঞ্জন শুরু হয়েছে হরমুজ প্রণালীর 'ফি' নিয়ে। তবে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও জানিয়েছেন, বন্ধুরাষ্ট্রগুলির জাহাজকে নিরাপদে হরমুজ প্রণালী পার করতে দিচ্ছে ইরান। এই বন্ধুরাষ্ট্রগুলির মধ্যে রয়েছে ভারত, রাশিয়া, চিন, ইরাক এবং পাকিস্তান।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে প্রাথমিক ভাবে ১০ মার্চ পর্যন্ত ৯টি ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছিল ইরান। এই ৯টি জাহাজেই ভারতীয় ক্রু ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর ১১ মার্চ কার্গো জাহাজে হামলার সংখ্যা বাড়িয়ে দেয় ইরান। গভীর রাতে অন্তত ৫-৬টি জাহাজে হামলা চালায় তারা। এখনও পর্যন্ত ১ মার্চ ওমানের খসব বন্দরে এমটি স্কাইলাইট নামক তেলের ট্যাঙ্কারে হামলার জেরে প্রাণ হারিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন আশিস কুমার এবং অয়লার পদে থাকা দিলীপ সিং। এদিকে ওমানের মাস্কাটের থেকে ৭০ নটিক্যাল মাইল দূরে থাকা এমকেডি ব্যোম নামক ট্যাঙ্কারে হামলা করা হলে প্রাণ হারান অয়লার দিক্ষীত অমৃতলাল সোলাঙ্কি। ইরাকের জলসীমায় সেফ-সি বিষ্ণু নামক মার্কিন জাহাজে প্রাণ হারান দেবানন্দন প্রসাদ সিং।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে প্রাথমিক ভাবে ১০ মার্চ পর্যন্ত ৯টি ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছিল ইরান। এই ৯টি জাহাজেই ভারতীয় ক্রু ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর ১১ মার্চ কার্গো জাহাজে হামলার সংখ্যা বাড়িয়ে দেয় ইরান। গভীর রাতে অন্তত ৫-৬টি জাহাজে হামলা চালায় তারা। এখনও পর্যন্ত ১ মার্চ ওমানের খসব বন্দরে এমটি স্কাইলাইট নামক তেলের ট্যাঙ্কারে হামলার জেরে প্রাণ হারিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন আশিস কুমার এবং অয়লার পদে থাকা দিলীপ সিং। এদিকে ওমানের মাস্কাটের থেকে ৭০ নটিক্যাল মাইল দূরে থাকা এমকেডি ব্যোম নামক ট্যাঙ্কারে হামলা করা হলে প্রাণ হারান অয়লার দিক্ষীত অমৃতলাল সোলাঙ্কি। ইরাকের জলসীমায় সেফ-সি বিষ্ণু নামক মার্কিন জাহাজে প্রাণ হারান দেবানন্দন প্রসাদ সিং।
{{/usCountry}}