...
...
Next Story

Ladakh Dam: পাকিস্তানকে জবাব দেওয়া শুরু? এদিকে,সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত,ওদিকে লাদাখে বসল বাঁধ, মিলবে কোন সুবিধা?

লাদাখে এই বাঁধ নির্মাণের ফলে কী সুবিধা হয়েছে?

Published on: Sep 5, 2026, 06:51:08 IST
Advertisement

২০২৫ সালে কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে পাকিস্তানি মদতপুষ্ট জঙ্গিদের হামলায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরই কূটনৈতিক ময়দানের যুদ্ধে নেমে সিন্ধু জলচুক্তিকে সাময়িকভাবে স্থগিত রাখে ভারত। সিন্ধুর জলের ভাগ পেতে মরিয়া পাকিস্তান আন্তর্জাতিক নানান মহলের দরজা ধাক্কেও ভারতের সিন্ধান্ত টলাতে পারেনি! এরই মাঝে লাদাখে উপসি নদীতে বসল প্রথম পাথুরে বাঁধ!

নয়াদিল্লি জানিয়ে দিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সিন্ধু জলচুক্তি আর আগের মতো কার্যকর হবে না।
নয়াদিল্লি জানিয়ে দিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সিন্ধু জলচুক্তি আর আগের মতো কার্যকর হবে না।

সদ্য এসসিও সম্মেলনে গিয়েএও সিন্ধুর জল নিয়ে বার্তা দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। এর আগেও সিন্ধুর জল নিয়ে পাকিস্তানের দিক থেকে নানান যুদ্ধের হুমকি এসেছে। আন্তর্জাতিক আরবিট্রেশন কোর্টের দ্বারস্থও হয়েছে পাকিস্তান। সেই কোর্টের রায়কে যদিও নস্যাৎ করেছে দিল্লি।

এদিকে, লাদাখে লেহতে উপসি নদীতে ভারত বসিয়ে দিয়েছে প্রথম পাথুরে বাঁধ। কোনও সিমেন্ট ছাড়াই এই বাঁধ তৈরি হয়েছে। বাঁধ নির্মাণ হয়েছে প্রাকৃতিক বোল্ডার দিয়ে। বাঁধ দিতেই জলস্তর ১০ ফুট উপরে উঠেছে। তারফলে স্থানীয় কৃষকদের কৃষি কাজে সুবিধা হয়েছে। বসন্তের মরশুমে সেখানে চাষে সেচের জল পেতে তাদের বহুদিন ধরে নানান দুর্ভোগ পোহাতে হত, এই বাঁধ সেক্ষেত্রে সুবিধা এনে দিয়েছে বলে দাবি মিডিয়া রিপোর্টে। বছরের পর বছর ধরে স্থানীয় কৃষকরা ফসল ফলাতে হিমশিম খেয়েছেন। কারণ বসন্তকালীন বীজ বোনার সময় সিন্ধু নদ গভীর গিরিখাতের অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতো, ফলে তার থেকে জল পেতে সমস্যা হত। সিন্ধু নদের জল ব্যবহারের ওপর নানা বিধিনিষেধ এবং সেই সাথে জলের মরশুমি প্রবাহের জেরে তৈরি এই তীব্র সংকটের ফলে কৃষিজমিগুলো শুষ্ক হয়ে পড়েছিল এবং কৃষি-সম্প্রদায় আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। নতুন বাঁধটিতে প্রায় ৪০ মিলিয়ন লিটার পানি জমা থাকে এবং ‘ইগু ফে’ সেচ খালের মাধ্যমে তা গ্রামের শুষ্ক ফসলি জমিতে জল সরবরাহ করে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks