...
...
Next Story

India-China Meeting on Border issue: ভারত-চিন সীমান্ত নিয়ে দিল্লিতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, আলোচনা সীমান্ত ও নদী নিয়ে

বৈঠকে ভারতের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বিদেশ মন্ত্রকের পূর্ব এশিয়া বিভাগের যুগ্মসচিব সুজিত ঘোষ। চিনের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন চিনের বিদেশ মন্ত্রকের Boundary and Oceanic Affairs Department-এর ডিরেক্টর জেনারেল হৌ ইয়াংছি।

Published on: Aug 9, 2026, 08:03:50 IST
Advertisement

India-China Meeting on Border issue: ভারত ও চিনের মধ্যে সীমান্ত সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হল নয়াদিল্লিতে। গত ৬ অগস্ট অনুষ্ঠিত হয় ভারত-চিন সীমান্ত বিষয়ক Working Mechanism for Consultation and Coordination (WMCC)-এর ৩৬তম বৈঠক। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বা LAC বরাবর পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি সীমান্ত নির্ধারণ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে ভারতের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বিদেশ মন্ত্রকের পূর্ব এশিয়া বিভাগের যুগ্মসচিব সুজিত ঘোষ।
বৈঠকে ভারতের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বিদেশ মন্ত্রকের পূর্ব এশিয়া বিভাগের যুগ্মসচিব সুজিত ঘোষ।

বৈঠকে ভারতের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বিদেশ মন্ত্রকের পূর্ব এশিয়া বিভাগের যুগ্মসচিব সুজিত ঘোষ। চিনের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন চিনের বিদেশ মন্ত্রকের Boundary and Oceanic Affairs Department-এর ডিরেক্টর জেনারেল হৌ ইয়াংছি। দুই দেশের বিদেশ, স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা এবং অভিবাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন সরকারি বিভাগের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বিদেশ মন্ত্রকের প্রকাশিত বিবৃতি অনুযায়ী, বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে LAC বরাবর পরিস্থিতি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখা যে ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সামগ্রিক উন্নতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তা উভয় পক্ষই স্বীকার করেছে।

দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও সামরিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলি নিয়মিত ব্যবহার করার উপর বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয় এই বৈঠকে। WMCC, স্থানীয় কমান্ডার স্তরের বৈঠক এবং অন্যান্য নির্ধারিত যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে সীমান্তে তৈরি হওয়া সমস্যা দ্রুত সমাধানের বিষয়ে একমত হয়েছে দুই দেশ। এর লক্ষ্য, সীমান্তে কোনও ধরনের ভুল বোঝাবুঝি বা ভুল হিসাব থেকে যাতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি না হয়।

সীমান্তের মূল সমস্যাগুলির মধ্যে Boundary Delimitation বা সীমান্ত নির্ধারণ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার বিষয়টি বৈঠকে উঠে আসে। এছাড়া সীমান্তবর্তী অঞ্চলে পারস্পরিক যোগাযোগ এবং Trans-border Cooperation বা আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে।

ভারতের পক্ষ থেকে আন্তঃসীমান্ত নদী নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করা হয়। Trans-border Rivers-এর Expert Level Mechanism-এর পরবর্তী বৈঠক দ্রুত আয়োজনের প্রয়োজনীয়তার কথা জানায় ভারত। পাশাপাশি উজানে চিনের বিভিন্ন প্রকল্পের বিষয়ে প্রযুক্তিগত তথ্য ভাগ করে নেওয়ার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়েছে। সীমান্তবর্তী নদীগুলির জলপ্রবাহ ও জলসম্পদ সংক্রান্ত তথ্য ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এই বিষয়টি বৈঠকে বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে।

দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখা দীর্ঘদিন ধরেই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত-চিন সম্পর্কের মধ্যে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল, তার প্রেক্ষাপটে নিয়মিত কূটনৈতিক ও সামরিক যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

৩৬তম WMCC বৈঠকে কোনও বড় ঘোষণা না হলেও, সীমান্তে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আলোচনা ও যোগাযোগের প্রক্রিয়া চালু রাখার বিষয়ে দুই দেশের সম্মতি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী দিনে ২৫তম স্পেশাল রিপ্রেসেন্টেটিভ বৈঠকের প্রস্তুতি এবং সীমান্ত সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এই আলোচনা আরও এগোতে পারে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe