Bangladesh Minister on India Questions: সাংবাদিক বৈঠক হলে ভারত নিয়ে একাধিক প্রশ্ন আসবেই। কখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। কখনও আবার প্রশ্ন করা হয় ভারতের অন্যান্য বিষয় নিয়ে। আর তাতে এবার দেশেরই সাংবাদিকদের উপরে উষ্মাপ্রকাশ করলেন বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর। সেইসঙ্গে তিনি জানান, শেখ হাসিনার আমল পেরিয়ে এসে ভারতের সঙ্গে নতুন করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় ঢাকা।
‘ব্রেকফাস্টে ইন্ডিয়া, লাঞ্চে ইন্ডিয়া, ডিনারে ইন্ডিয়া’

আর তিনি সেইসব মন্তব্য করেছেন রবিবার বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের সাংবাদিক বৈঠকে। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত নিয়ে একাধিক প্রশ্নের প্রেক্ষিতে হুমায়ুন বলেন যে প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠার পরে ব্রেকফাস্ট করার সময় ইন্ডিয়া, লাঞ্চ করার সময় ইন্ডিয়া, ডিনার করার সময় ইন্ডিয়া করতে থাকন। শুধু যদি ইন্ডিয়া-ইন্ডিয়া, ভারত-ভারত করতে থাকেন, তাহলে কখন বাংলাদেশের খাবার খাবেন?
ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে জোর বাংলাদেশের মন্ত্রীর
তারইমধ্যে অবশ্য ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন করে স্থাপনের বার্তা দেন বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, ভারতের সঙ্গে তারেক সরকার ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ। সেজন্য দ্বিপাক্ষিক সফরের অগ্রাধিকার দেওয়ার ভাবনাচিন্তা করছে ঢাকা। তবে সেই বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও বহুপাক্ষিক মঞ্চে গিয়ে যে ভারতের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসবে না, তা বলছেন না বলে দাবি করেন বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী।
ঠিকভাবে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি তারেককে, দাবি করেন বাংলাদেশের মন্ত্রী
{{/usCountry}}ঠিকভাবে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি তারেককে, দাবি করেন বাংলাদেশের মন্ত্রী
{{/usCountry}}তিনি সেই মন্তব্য করেছেন ব্রিকস সম্মেলনের (১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতে হয়েছে) জন্য ভারত সফরে তারেক না আসার পরবর্তী সময়। সেইসময় তিনি দাবি করেছিলেন যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ঠিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি ব্রিকস সম্মেলনের জন্য। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি তারেককে। বরং সাত সদস্যের দক্ষিণ এবং পূর্ব এশিয়ার গোষ্ঠী বিমস্টেকের সভাপতি হিসেবে তাঁকে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলে দাবি করেছিলেন বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী।