...
...
Next Story

India-EU Most Favoured Nations Pact: মোস্ট ফেভারড নেশনস নিয়ে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের চুক্তি, জেনে নিন কার কত লাভ এতে?

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দুই অর্থনীতি একে অপরকে 'মোস্ট ফেভারড নেশন'-এর মর্যাদা দেবে। অর্থ, উভয় পক্ষই বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নিয়ম মেনে চলতে বাধ্য থাকবে এবং বৈশ্বিক নিয়মের বাইরে কোনও নতুন আমদানি-রফতানি বিধিনিষেধ আরোপ করতে সক্ষম হবে না।

Published on: Feb 28, 2026, 08:34:25 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) খসড়া তৈরি হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দুই অর্থনীতি একে অপরকে 'মোস্ট ফেভারড নেশন'-এর মর্যাদা দেবে। অর্থ, উভয় পক্ষই বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নিয়ম মেনে চলতে বাধ্য থাকবে এবং বৈশ্বিক নিয়মের বাইরে কোনও নতুন আমদানি-রফতানি বিধিনিষেধ আরোপ করতে সক্ষম হবে না। অন্তত পাঁচ বছরের জন্য ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন একে অপরকে মোস্ট ফেভারড নেশনের তালিকায় রাখবে।

European Union flags flutter outside the European Commission headquarters in Brussels, Belgium Februrary 26, 2026. REUTERS/Yves Herman (REUTERS)
European Union flags flutter outside the European Commission headquarters in Brussels, Belgium Februrary 26, 2026. REUTERS/Yves Herman (REUTERS)

ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে পণ্যদ্রব্যের মূল্যের উপর ভিত্তি করে ৯৬.৬% পণ্যের উপর শুল্ক পর্যায়ক্রমে কমানো হবে বা তুলে দেওয়া হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন তার বাজারের ৯৯.৫% ভারতের জন্য খুলে দেবে। বেশিরভাগ পণ্যের শুল্ক তাত্ক্ষণিকভাবে বা সর্বোচ্চ ৭ বছরের মধ্যে শূন্যে নামিয়ে আনা হবে। ভারত ৯৬ শতাংশ পণ্যের উপর শুল্ক প্রত্যাহার করবে। এই প্রক্রিয়াটি আগামী ১০ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন হবে।

এদিকে স্থানীয় কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় চুক্তি থেকে দুধ, দুগ্ধত পণ্য, চাল, চিনি ও মাংসের মতো পণ্যকে বাদ দিয়েছে উভয় পক্ষ। এই চুক্তির ফলে উভয় পক্ষই বড় ধরনের অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে। ভারতীয় রফতানিকারকরা বস্ত্র, চামড়া, রত্ন ও গয়না এবং সামুদ্রিক খাবারের খাতে লাভবান হবেন। কারণ চুক্তি বাস্তবায়িত হতেই ইউরোপের বাজারে এই সব পণ্য বিনা শুল্কে বিক্রি করতে পারবেন ভারতীয় ব্যবসায়িরা। এদিকে ইউরোপীয় গাড়ি প্রস্তুতকারক এবং ওয়াইন উৎপাদকরা ভারতীয় বাজারে নিজেদের পা রাখতে পারবেন। এতবছর ধরে যে চড়া হারে তাদের শুল্ক দিতে হত, এবার আর তা দিতে হবে না। অনুমান করা হচ্ছে যে ২০৩২ সালের মধ্যে ভারতে ইউরোপীয় রফতানি দ্বিগুণ হবে এবং ইউরোপীয় সংস্থাগুলি বার্ষিক প্রায় ৪ বিলিয়ন ইউরো সাশ্রয় করবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe