Hardeep Singh Puri on Fuel Reserve: ইরান যুদ্ধ ঘিরে পশ্চিম এশিয়া তপ্ত। এদিকে, তার প্রভাব পড়েছে বিশ্ব জুড়ে জ্বালানি বাণিজ্যে। ইতিমধ্যেই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, জ্বালানি তেল নিয়ে সংযমী হতে বলেছেন। এই আবহে স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, দেশে জ্বালানি মজুতের পরিমাণ নিয়ে। আর তা নিয়ে এদিন মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী।

এদিন, সিআইআই-র বার্ষিক সামিটে যোগ দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেন, ‘সরবরাহ ব্যবস্থাপনার দিক থেকে কোনও সমস্যা নেই, কোথাও কোনো ঘাটতি নেই।’ দেশে কতটা জ্বালানি মজুত রয়েছে, তার হদিশ এদিন জানতে চাওয়া হলে, হরদীপ সিং পুরী বলেন,'আমাদের কাছে ৬০ দিনের অপরিশোধিত তেল মজুত আছে, যা আমাদের সর্বোচ্চ প্রয়োজন। আমাদের কাছে ৬০ দিনের এলএনজি এবং ৪৫ দিনের এলপিজি আছে। সুতরাং, সরবরাহের দিক থেকে কোনও সমস্যা নেই।' মন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন কেন সাম্প্রতিক দিনগুলোতে উদ্বেগ হঠাৎ বেড়েছে, তা নিয়ে। পাশাপাশি, জ্বালানি সংরক্ষণ নিয়ে সরকারের বার্তাকে ভুলভাবে না বোঝার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
হরদীপ সিং পুরী বলেন,'দয়া করে দেখুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আসলে কী বলেছেন, এবং এর উপর কোনো উদ্ভট ধারণা চাপিয়ে দেবেন না।' বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় জ্বালানি খরচ কমানোর আহ্বান জানানোর পরপরই তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী জনগণকে যথাসম্ভব গণপরিবহন ব্যবহার করতে, কারপুলিংয়ের মাধ্যমে যানবাহন ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে এবং অপ্রয়োজনীয় পেট্রোল ও ডিজেলের ব্যবহার কমাতে উৎসাহিত করেছেন।
এরই মাঝে মঙ্গলবার কোটিপতি ব্যাঙ্কার উদয় কোটাক বলেন,' গত দুই মাসে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে জ্বালানির মূল্য স্থানান্তরের প্রভাব আমরা দেখিনি। কিন্তু সেই প্রভাব আসছে। আর তা আসছে বেশ বড় আকারেই।' তিনি উল্লেখ করেন যে মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়লে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি অসুবিধার সম্মুখীন হতে পারে। সতর্কতার সুরে তিনি বলেন, 'এমন একজন সীমিত আয়ের ভোক্তার কথা ভাবুন, যাঁকে সরাসরি জ্বালানির পেছনে এবং পরোক্ষভাবে জ্বালানিনির্ভর অন্যান্য জিনিসের পেছনে বেশি খরচ করতে হচ্ছে। বড় ধাক্কাটা আসছে।'
{{/usCountry}}এরই মাঝে মঙ্গলবার কোটিপতি ব্যাঙ্কার উদয় কোটাক বলেন,' গত দুই মাসে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে জ্বালানির মূল্য স্থানান্তরের প্রভাব আমরা দেখিনি। কিন্তু সেই প্রভাব আসছে। আর তা আসছে বেশ বড় আকারেই।' তিনি উল্লেখ করেন যে মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়লে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি অসুবিধার সম্মুখীন হতে পারে। সতর্কতার সুরে তিনি বলেন, 'এমন একজন সীমিত আয়ের ভোক্তার কথা ভাবুন, যাঁকে সরাসরি জ্বালানির পেছনে এবং পরোক্ষভাবে জ্বালানিনির্ভর অন্যান্য জিনিসের পেছনে বেশি খরচ করতে হচ্ছে। বড় ধাক্কাটা আসছে।'
{{/usCountry}}