Apple-India: প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল সর্বশেষ ত্রৈমাসিকের আর্থিক ফলাফলে বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছাড়িয়ে গেছে। আইফোন বিক্রি ও বিভিন্ন পরিষেবা থেকে আয় বাড়ায় চলতি বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে সংস্থাটি রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব আয় করেছে। অ্যাপল যন্ত্রাংশের মূল্য বৃদ্ধি এবং সাপ্লাই চেইনের চাপ সত্ত্বেও ২০২৬ অর্থবর্ষের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ১১৪.৪৮ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে, যা জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়কালের জন্য সংস্থার ইতিহাসের সর্বোচ্চ ত্রৈমাসিক আয়। আইফোন ও ম্যাকের বিক্রি এই প্রবৃদ্ধি অর্জনে বড় ভূমিকা রেখেছে।
সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে ভারতীয় বাজারে সর্বকালীন রেকর্ড ব্যবসা করেছে অ্যাপল (Apple)। সংস্থার সাম্প্রতিক আর্নিংস কলে সিইও জন টার্নাস ভারতে এক্সিস ব্যাঙ্কের হাত ধরে 'অ্যাপল পে' (Apple Pay)-র আনুষ্ঠানিক যাত্রাকে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। অ্যাপল জানিয়েছে, ২ জুলাই (স্থানীয় সময়) থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাদের অর্থবর্ষের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে মোট ১১৪.৪৮ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে। এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ শতাংশ বেশি এবং জুলাই-সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকের হিসেবে ইতিহাসের সর্বোচ্চ। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের (এলএসইজি) বাজার পূর্বাভাসের ১১৩.৩৯ বিলিয়ন ডলারকেও ছাড়িয়ে গেছে এই আয়। এর মধ্যে পণ্য বিক্রয় থেকে আয় ৮২.৯৪ বিলিয়ন ডলার এবং পরিষেবা খাত থেকে আয় হয়েছে ৩১.৫৭৩ বিলিয়ন ডলার। আইফোন থেকে আয় হয়েছে ৫৭.৫৮ বিলিয়ন ডলার, যা এক বছর আগের তুলনায় ১৭.৫ শতাংশ বেশি।
এছাড়া ম্যাকের বিক্রি ২৩.৭ শতাংশ বেড়ে ১০.৭৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, আইপ্যাডের বিক্রি ১০.৪ শতাংশ এবং পরিধানযোগ্য, গৃহস্থালি ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশের বিক্রি ৭.৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। আর্নিংস কলে অ্যাপলের সিইও জন টার্নাস বলেন, 'আমরা যেসব বাজারে নজর রাখি, তার সিংহভাগেই বড় অঙ্কের প্রবৃদ্ধি নথিভুক্ত হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, গ্রেটার চায়না এবং এশিয়া-প্যাসিফিকের অন্যান্য অঞ্চলে সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে নতুন রেকর্ড গড়েছে। পাশাপাশি উন্নত ও উদীয়মান—উভয় বাজারেই রেকর্ড আয়ের পাশাপাশি ভারতের বাজারে সর্বকালীন রেকর্ড তৈরি হয়েছে।' তিনি আরও জানান, অ্যাপল তাদের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রোডাক্ট লাইনআ" নিয়ে এই বছরটি শেষ করতে চলেছে। তিনি বলেন, 'এর মধ্যে রয়েছে 'আইফোন ডুও' (iPhone Duo), পাশাপাশি আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী ফোন 'আইফোন ১৮ প্রো' ও 'আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স।' এর সঙ্গে আমরা হোম ডিভাইসের সম্পূর্ণ নতুন প্রজন্মের হার্ডওয়্যার এবং ম্যাক কম্পিউটারে প্রথমবারের মতো 'টাচ' প্রযুক্তি নিয়ে এসেছি। সম্পূর্ণ নতুন সিরি এআই (Siri AI)-সহ এই অসাধারণ লাইনআপ আসন্ন উৎসবের মরসুমে আমাদের এগিয়ে রাখবে।'
বর্তমানে অ্যাপলের জনপ্রিয় আইফোনগুলির মধ্যে রয়েছে আইফোন ১৮ প্রো সিরিজ, ফোল্ডেবল আইফোন ডুও, আইফোন এয়ার, আইফোন ১৭, আইফোন ১৭ই এবং আইফোন ১৬। অন্যান্য স্মার্টফোন প্রস্তুতকারকের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) পরিকাঠামোর বাড়তি চাহিদার কারণে মেমোরি ও স্টোরেজের মূল্যবৃদ্ধি ঘটায় অ্যাপলকেও তাদের ফোনগুলির দাম কিছুটা বাড়াতে হয়েছে। ফোল্ডেবল আইফোন ডুও-র সম্ভাব্য শিপিংয়ের সময়সীমা ২০২৭ সালের শুরু পর্যন্ত গড়াচ্ছে। অ্যাপলের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) কেভান পারেখ বলেছেন, বিশ্বজুড়ে সক্রিয় আইফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা সর্বকালের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন, জাপান এবং ভারতের মতো একাধিক বাজারে গ্রাহকদের পুরনো মডেল বদলে নতুন আইফোনে যাওয়ার (Upgraders) নিরিখে এটি ছিল ঐতিহাসিক বছর। ওয়ার্ল্ড প্যানেলের সমীক্ষা অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন, ভারত, ব্রিটেন, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপানে সর্বোচ্চ বিক্রি মডেলগুলির মধ্যে অন্যতম শীর্ষস্থানে ছিল আইফোন।
{{/usCountry}}বর্তমানে অ্যাপলের জনপ্রিয় আইফোনগুলির মধ্যে রয়েছে আইফোন ১৮ প্রো সিরিজ, ফোল্ডেবল আইফোন ডুও, আইফোন এয়ার, আইফোন ১৭, আইফোন ১৭ই এবং আইফোন ১৬। অন্যান্য স্মার্টফোন প্রস্তুতকারকের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) পরিকাঠামোর বাড়তি চাহিদার কারণে মেমোরি ও স্টোরেজের মূল্যবৃদ্ধি ঘটায় অ্যাপলকেও তাদের ফোনগুলির দাম কিছুটা বাড়াতে হয়েছে। ফোল্ডেবল আইফোন ডুও-র সম্ভাব্য শিপিংয়ের সময়সীমা ২০২৭ সালের শুরু পর্যন্ত গড়াচ্ছে। অ্যাপলের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) কেভান পারেখ বলেছেন, বিশ্বজুড়ে সক্রিয় আইফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা সর্বকালের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন, জাপান এবং ভারতের মতো একাধিক বাজারে গ্রাহকদের পুরনো মডেল বদলে নতুন আইফোনে যাওয়ার (Upgraders) নিরিখে এটি ছিল ঐতিহাসিক বছর। ওয়ার্ল্ড প্যানেলের সমীক্ষা অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন, ভারত, ব্রিটেন, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপানে সর্বোচ্চ বিক্রি মডেলগুলির মধ্যে অন্যতম শীর্ষস্থানে ছিল আইফোন।
{{/usCountry}}অ্যাপল আশা করছে, ছুটির কেনাকাটার মৌসুম অন্তর্ভুক্ত থাকায় ২০২৭ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে তাদের এই প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকবে। কেভান পারেখ জানিয়েছেন, অক্টোবর-ডিসেম্বর সময়ে আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ থেকে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। এটি বাজারের পূর্বাভাস ৬.১ শতাংশের চেয়ে বেশি। তবে সংস্থার গ্রস মার্জিন ৪৫ থেকে ৪৬ শতাংশ হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে। এটি চতুর্থ ত্রৈমাসিকের ৪৭.৯ শতাংশ গ্রস মার্জিনের চেয়ে কম এবং পরিষেবা খাতের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৮ থেকে ৯ শতাংশে সীমাবদ্ধ থাকায় তা বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশাকে কিছুটা কমিয়ে দিয়েছে।