India rejects Turkey president comment: পাকিস্তানের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে ভারতের হাতে ‘কানমলা’ খেল তুরস্ক। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের সভায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগান কাশ্মীর নিয়ে নাক গলাতে যাওয়ায় পালটা দিল ভারত। মঙ্গলবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল চাঁচাছোলা ভাষায় বলেছেন, ‘ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট যে অযাচিত মন্তব্য করেছেন, তা খারিজ করে দেওয়া হচ্ছে। এটা ভারতের আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্বের সঙ্গে যুক্ত। কোনও বহিরাগতের এই বিষয়ে হস্তক্ষেপের কোনও অধিকার নেই।’
কাশ্মীর নিয়ে কী বলেছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট?

তবে এই প্রথমবার কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের হাতে ‘কানমলা’ খেল না তুরস্ক, আগেও খেয়েছিল। তাতেও শুধরে না গিয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণের সময় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, ‘এটা গুরুত্বপূর্ণ যে রাষ্ট্রসংঘের সনদ এবং প্রাসঙ্গিক প্রস্তাবনার মধ্যে থেকে আলোচনার মাধ্যমে কাশ্মীর ইস্যু-সহ সমস্ত বিরোধের সমাধান করা দরকার। গঠনমূলক পদক্ষেপ করা হলে সমস্ত ইস্যুই সমাধান করা যেতে পারে।’
সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও পাকিস্তানের জন্য বিভীষিকাময় দিন
যে দিনে পাকিস্তানের ‘বন্ধু’ দেশকে এভাবে তুলোধোনা করল ভারত, সেই দিনটা এমনিতেই ইসলামাবাদের জন্য বিভীষিকার। কারণ ১০ বছর আগে এই ২৮-২৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যবর্তী রাতে পাকিস্তানে ঢুকে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালিয়েছিল ভারত। উরি জঙ্গি হামলার পরে সেই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালিয়ে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়েছিল নয়াদিল্লি। যে বার্তা আরও কঠোরভাবে ২০১৯ সালের বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক এবং ২০২৫ সালের অপারেশন সিঁদুরের সময় পেয়েছিল পাকিস্তান।
অতীতে আরও কড়া ভাষায় নিশানা করেছিল ভারত
{{/usCountry}}অতীতে আরও কড়া ভাষায় নিশানা করেছিল ভারত
{{/usCountry}}আর পাকিস্তানের জন্য যে দিনটা বিভীষিকার ছিল, সেটা হয়ে গেল তুরস্কের জন্যও। তবে অতীতে ভারত এর থেকেও কড়া ভাষা ব্যবহার করেছিল তুরস্কের প্রেসিডেন্টের জন্য। ২০২০ সালের রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ভাষণে যখন কাশ্মীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছিলেন, সেইসময় তৎকালীন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টিএম তিরুমূর্তি বলেছিলেন, ‘ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের মন্তব্যটা দেখেছি।'
আরও পড়ুন: Bangladesh-Pakistan: খুলে গেল ইসলামাবাদের মুখোশ! পাকিস্তানের আপত্তিতে ইউরেনিয়াম ঘিরে বিপাকে বাংলাদেশ
সেইঙ্গে তিনি বলেছিলেন, 'তিনি (তুরস্কের প্রেসিডেন্ট) যে মন্তব্য করেছেন, তা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে চূড়ান্ত হস্তক্ষেপ এবং সেটা কোনওভাবে মেনে নেওয়া যায় না। অন্য দেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করতে শেখা উচিত তুরস্ক। সেইসঙ্গে নিজেদের নীতি নিয়ে আরও গভীরভাবে পর্যালোচনা করা (উচিত তুরস্কের)।’