...
...
Next Story

Sugar Export Ban: বিশ্ব বাজারে হাহাকারের আশঙ্কা! অভ্যন্তরীণ যোগানে জোর, চিনি রপ্তানিতে ‘ব্রেক’ কেন্দ্রের

Sugar Export Ban: গত মাসে ইন্ডিয়ান সুগার অ্যান্ড বায়ো-এনার্জি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছিল, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া মৌসুমে ভারতের মোট চিনি উৎপাদন হতে পারে ৩২ মিলিয়ন টন। এর আগে তাদের পূর্বাভাস ছিল ৩২.৪ মিলিয়ন টন।

Published on: May 14, 2026, 12:37:54 IST
Advertisement

Sugar Export Ban: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আঁচ ইতিমধ্যে আছড়ে পড়ছে গৃহস্থের হেঁসেলে। জ্বালানি সংকটের যে মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘মিতব্যয়ী’ হওয়ার আহ্বান থেকেই তা স্পষ্ট। এই পরিস্থিতিতে খাদ্যপণ্য বিশেষ করে চিনির অভ্যন্তরীণ যোগান স্বাভাবিক রাখতে এবং আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি রুখতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব ধরনের চিনি রপ্তানির ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করল ভারত সরকার।

চিনি রপ্তানিতে ‘ব্রেক’ কেন্দ্রের (BLOOMBERG)
চিনি রপ্তানিতে ‘ব্রেক’ কেন্দ্রের (BLOOMBERG)

বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের অধীন 'ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড' (ডিজিএফটি) থেকে জারি করা সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, কাঁচা, সাদা ও পরিশোধিত-সব ধরনের চিনির ক্ষেত্রেই এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। এতে চিনির রপ্তানি নীতির অবস্থান ‘সীমিত অনুমোদন’ থেকে পরিবর্তন করে ‘নিষিদ্ধ’ করা হয়েছে। অর্থাৎ, বিশেষ অনুমতি ছাড়া এই সময়ের মধ্যে চিনি রপ্তানি করা যাবে না। এটি সরকারের বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ এর আগে অতিরিক্ত উৎপাদনের সম্ভাবনা ধরে সীমিত আকারে চিনি রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ১৩ মে’র আগে যে সব চালানের পণ্য জাহাজে তোলা শুরু হয়েছিল বা যেগুলো ইতিমধ্যে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল, সেগুলোর রপ্তানি অনুমোদিত হবে। এছাড়া অন্য দেশের খাদ্য নিরাপত্তার প্রয়োজন মেটাতে ভারত সরকার বিশেষ অনুমতি দিলে সংশ্লিষ্ট সরকারের অনুরোধের ভিত্তিতে রপ্তানি করা যাবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

চিনির বিশ্ববাজারে ভারতের ভূমিকা অনস্বীকার্য। ২০১৭-১৮ সালে বিশ্ব বাজারে ভারতের অংশীদারিত্ব ছিল ৩.৪ শতাংশ, যা ২০২১-২২ সালে বেড়ে ১১ শতাংশে পৌঁছায়। বর্তমানে এই পরিমাণ আরও বেশি। ফলে ভারতের এই নিষেধাজ্ঞার জেরে বিশ্ব বাজারে চিনির দাম কয়েক গুণ বাড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। এদিকে, ভারতের এই সিদ্ধান্তে আন্তর্জাতিক বাজারেও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। নিউইয়র্কে কাঁচা চিনির ফিউচার দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। লন্ডনে সাদা চিনির ফিউচার দাম বেড়েছে প্রায় ৩ শতাংশ। ব্রাজিলের পর ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী দেশ। একই সঙ্গে ভারত বড় রপ্তানিকারকও দেশও। ফলে ভারত সরবরাহ কমিয়ে দিলে বৈশ্বিক বাজারে চিনির প্রাপ্যতা কমে যায়, বিশেষ করে এশিয়া ও আফ্রিকার ক্রেতারা এতে বেশি প্রভাবিত হন।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe