আগামী জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জাকার্তা সফরে ভারত-ইন্দোনেশিয়া প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নতুন মাত্রা পেতে পারে। এই সফরকালেই ভারতের তৈরি ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার বিষয়ে চুক্তি চূড়ান্ত করতে পারে ইন্দোনেশিয়া। চুক্তি সম্পন্ন হলে ইন্দোনেশিয়া হবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তৃতীয় দেশ, যারা ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র কিনবে। এর আগে ফিলিপিন্স এবং ভিয়েতনাম এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার কিনেছে ভারতের থেকে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও গভীর করার লক্ষ্যেই এই চুক্তিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সামুদ্রিক নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত সমন্বয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হবে। ইন্দোনেশিয়া দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ও সামরিক আধুনিকীকরণ কর্মসূচি শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। সেই কারণেই ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের প্রতি তাদের আগ্রহ বেড়েছে। মার্চ মাসে ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছিলেন যে দেশটি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের জন্য ভারতের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে।
ভারতের কাছে এই চুক্তির গুরুত্বও যথেষ্ট। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের আওতায় দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পকে বিশ্ববাজারে তুলে ধরার ক্ষেত্রে ব্রহ্মোস অন্যতম বড় সাফল্য। ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে চুক্তি হলে ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানি আরও বাড়বে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কৌশলগত প্রভাবও শক্তিশালী হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রহ্মোস চুক্তি শুধু অস্ত্র বিক্রির বিষয় নয়; এটি ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিত্বেরও প্রতীক। ফলে জাকার্তা সফরে এই চুক্তি চূড়ান্ত হলে তা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে।
প্রসঙ্গত, ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন এবং রাশিয়ার মাশিনস্ত্রোয়া যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়েছে সুপারসনিক মিসাইলটি। ভারতের ব্রহ্মপুত্র এবং রাশিয়ার মস্কোভা নদীর নাম মিলিয়ে নাম রাখা হয়েছে এই মিসাইলের। বর্তমানে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ৪৫০ কিলোমিটার রেঞ্জ পর্যন্ত খুব উচ্চ গতিতে ছুটে যেতে পারে। গত ২০২৫ সালের মে মাসে অপারেশন সিঁদুরের সময় সুখোই-৩০ বিমান থেকে পাকিস্তানে আক্রমণ করতে ব্যবহৃত হয়েছিল এই ব্রহ্মোস মিসাইল। এর আগেই ২০২২ সালে ফিলিপিন্সের সঙ্গে ভারতের ব্রহ্মোস প্রযুক্তি নিয়ে চুক্তি হয়েছিল। সেই সময়ে চুক্তির অঙ্ক ছিল ৩.৫ হাজার কোটি টাকা। পরে ভিয়েতনামের সঙ্গেও ব্রহ্মোসের চুক্তি করে ভারত।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন এবং রাশিয়ার মাশিনস্ত্রোয়া যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়েছে সুপারসনিক মিসাইলটি। ভারতের ব্রহ্মপুত্র এবং রাশিয়ার মস্কোভা নদীর নাম মিলিয়ে নাম রাখা হয়েছে এই মিসাইলের। বর্তমানে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ৪৫০ কিলোমিটার রেঞ্জ পর্যন্ত খুব উচ্চ গতিতে ছুটে যেতে পারে। গত ২০২৫ সালের মে মাসে অপারেশন সিঁদুরের সময় সুখোই-৩০ বিমান থেকে পাকিস্তানে আক্রমণ করতে ব্যবহৃত হয়েছিল এই ব্রহ্মোস মিসাইল। এর আগেই ২০২২ সালে ফিলিপিন্সের সঙ্গে ভারতের ব্রহ্মোস প্রযুক্তি নিয়ে চুক্তি হয়েছিল। সেই সময়ে চুক্তির অঙ্ক ছিল ৩.৫ হাজার কোটি টাকা। পরে ভিয়েতনামের সঙ্গেও ব্রহ্মোসের চুক্তি করে ভারত।
{{/usCountry}}