India invited for hormuz strait opening: হরমুজ সচল করার জন্য ভারতকে ডাক আমেরিকার 'বন্ধু' দেশের! কে যাবেন বৈঠকে?
হরমুজ প্রণালী সচল খোলার জন্য আলোচনার টেবিলে বসতে চাইছে ব্রিটেন। যে দেশকে আমেরিকার ‘বন্ধু’ দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং ইরান-আমেরিকার সংঘাতের আবহে বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ ‘হরমুজ প্রণালী’ নিয়ে বড়সড় পদক্ষেপ করতে চলেছে আন্তর্জাতিক মহল। বৃহস্পতিবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী সচল খোলার জন্য আলোচনার টেবিলে বসতে চাইছে ব্রিটেন। সেজন্য ভারত-সহ একাধিক দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ৩৫টি দেশের সেই বৈঠকে ভারতের তরফে যোগ দেবেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি।
হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব ও বর্তমান সংকট
পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী এই সংকীর্ণ জলপথটি বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের ধমনী হিসেবে পরিচিত। বিশ্বের মোট উৎপাদিত অপরিশোধিত তেলের বড় অংশই এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। আনা হয় এলপিজিও। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থা এবং আমেরিকার সরাসরি হস্তক্ষেপের আশঙ্কায় এই পথটি বর্তমানে কার্যত অবরুদ্ধ বা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
ভারতের অংশগ্রহণ ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট
ভারত তার জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকা মানেই ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া। সেই আবহে ব্রিটেনের উদ্যোগে এই ৩৫ দেশের জোট গঠন করা হচ্ছে। ভারত এই জোটে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা এবং অবাধ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নয়াদিল্লি কোনও আপস করবে না।
ইরান অবশ্য আশ্বাস দিয়েছে ভারতকে
এমনিতে ইরানের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে ‘আমাদের ভারতীয় বন্ধুরা নিরাপদ হাতে আছে, চিন্তার কোনও কারণ নেই (ডোন্ট অরি)।’ ভারতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাসের তরফে সেই আশ্বাসবাণী দেওয়া হয়েছে। ইরানে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে যে তারা কেবল তাদের ‘শত্রু দেশ’ এবং তাদের মিত্রদের জাহাজের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। কিন্তু ভারতের চিন্তার কোনও কারণ নেই। 'আমাদের ভারতীয় বন্ধুরা সুরক্ষিত হাতে আছে। চিন্তা করবেন না।'
সম্প্রতি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর এবং ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির মধ্যে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। এই আলোচনার পরেই ইরানের পক্ষ থেকে ভারতীয় জাহাজগুলোর জন্য ‘সেফ প্যাসেজ’ বা নিরাপদ যাতায়াতের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়। সূত্রের খবর, 'শিবালিক' এবং 'নন্দা দেবী'র মতো একাধিক ভারতীয় এলপিজি ট্যাঙ্কার অত্যন্ত নিরাপদে এই বিপদসংকুল এলাকা পার হয়ে মুম্বই বন্দরে পৌঁছেছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


