...
...
Next Story

India on Indus Water Treaty: 'আর এক ফোঁটা জলও পাকিস্তানে যাবে না', সিন্ধু নদীর নিয়ে কড়া বার্তা ভারতের

সিআর পাটিল বলেন, সিন্ধু জল চুক্তি বর্তমানে স্থগিত অবস্থায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সিদ্ধান্তের পর থেকেই কেন্দ্রের বিভিন্ন দফতর এই বিষয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

Published on: Jun 10, 2026, 14:57:19 IST
Advertisement

সিন্ধু নদীর জল সম্পূর্ণভাবে ভারতের অভ্যন্তরে ব্যবহার করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রী সি আর পাটিল। মঙ্গলবার তিনি দাবি করেন, আগামী দেড় থেকে দু’বছরের মধ্যে এমন ব্যবস্থা করা হবে যাতে সিন্ধু নদীর এক ফোঁটা জলও পাকিস্তানের দিকে না যায়।

সিন্ধু নদীর জল সম্পূর্ণভাবে ভারতের অভ্যন্তরে ব্যবহার করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রী সি আর পাটিল।
সিন্ধু নদীর জল সম্পূর্ণভাবে ভারতের অভ্যন্তরে ব্যবহার করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রী সি আর পাটিল।

সিআর পাটিল বলেন, সিন্ধু জল চুক্তি বর্তমানে স্থগিত অবস্থায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সিদ্ধান্তের পর থেকেই কেন্দ্রের বিভিন্ন দফতর এই বিষয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তাঁর দাবি, কঠিন ভৌগোলিক পরিস্থিতির মধ্যেও একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভারতের প্রাপ্য জল দেশের মানুষের স্বার্থে ব্যবহার করা হবে। এই পুরো প্রক্রিয়ার উপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও নজর রাখছেন বলে জানান তিনি।

১৯৬০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু নদী ব্যবস্থার জল বণ্টন নিয়ে সিন্ধু জল চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তবে পাহেলগামের জঙ্গি হামলার পর ভারত আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় নিজেদের সার্বভৌম অধিকার প্রয়োগ করে চুক্তিটি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। কেন্দ্রের বক্তব্য, পাকিস্তান সীমান্ত-পার সন্ত্রাসবাদকে বিশ্বাসযোগ্য ও স্থায়ীভাবে পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত এই অবস্থান বহাল থাকবে।

ভারতের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে পাকিস্তান একটি সালিশি আদালতের দ্বারস্থ হয়। তবে ভারত শুরু থেকেই ওই আদালতের বৈধতা মানতে অস্বীকার করেছে। সম্প্রতি তথাকথিত কোর্ট অব আরবিট্রেশন কিশনগঙ্গা ও রাটলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প সংক্রান্ত বিষয়ে একটি রায় দেয়। ভারতের বিদেশ মন্ত্রক সেই রায়কে ‘অবৈধ’, ‘অকার্যকর’ এবং ‘শূন্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe