সিন্ধু নদীর জল সম্পূর্ণভাবে ভারতের অভ্যন্তরে ব্যবহার করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রী সি আর পাটিল। মঙ্গলবার তিনি দাবি করেন, আগামী দেড় থেকে দু’বছরের মধ্যে এমন ব্যবস্থা করা হবে যাতে সিন্ধু নদীর এক ফোঁটা জলও পাকিস্তানের দিকে না যায়।

সিআর পাটিল বলেন, সিন্ধু জল চুক্তি বর্তমানে স্থগিত অবস্থায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সিদ্ধান্তের পর থেকেই কেন্দ্রের বিভিন্ন দফতর এই বিষয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তাঁর দাবি, কঠিন ভৌগোলিক পরিস্থিতির মধ্যেও একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভারতের প্রাপ্য জল দেশের মানুষের স্বার্থে ব্যবহার করা হবে। এই পুরো প্রক্রিয়ার উপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও নজর রাখছেন বলে জানান তিনি।
১৯৬০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু নদী ব্যবস্থার জল বণ্টন নিয়ে সিন্ধু জল চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তবে পাহেলগামের জঙ্গি হামলার পর ভারত আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় নিজেদের সার্বভৌম অধিকার প্রয়োগ করে চুক্তিটি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। কেন্দ্রের বক্তব্য, পাকিস্তান সীমান্ত-পার সন্ত্রাসবাদকে বিশ্বাসযোগ্য ও স্থায়ীভাবে পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত এই অবস্থান বহাল থাকবে।
ভারতের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে পাকিস্তান একটি সালিশি আদালতের দ্বারস্থ হয়। তবে ভারত শুরু থেকেই ওই আদালতের বৈধতা মানতে অস্বীকার করেছে। সম্প্রতি তথাকথিত কোর্ট অব আরবিট্রেশন কিশনগঙ্গা ও রাটলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প সংক্রান্ত বিষয়ে একটি রায় দেয়। ভারতের বিদেশ মন্ত্রক সেই রায়কে ‘অবৈধ’, ‘অকার্যকর’ এবং ‘শূন্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করে।
১৬ মে বিদেশ মন্ত্রক জানায়, ভারত কখনও এই আদালতের গঠনকে স্বীকৃতি দেয়নি। ফলে ওই সংস্থার যে কোনও কার্যক্রম, সিদ্ধান্ত বা রায় ভারতের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে মন্ত্রক স্পষ্ট করে দেয় যে, সিন্ধু জল চুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত এখনও বলবৎ রয়েছে। পাকিস্তানের উদ্যোগে এই ধরনের পদক্ষেপকে ভারত ‘জবাবদিহি এড়ানোর মরিয়া চেষ্টা’ বলেও কটাক্ষ করেছে।
{{/usCountry}}১৬ মে বিদেশ মন্ত্রক জানায়, ভারত কখনও এই আদালতের গঠনকে স্বীকৃতি দেয়নি। ফলে ওই সংস্থার যে কোনও কার্যক্রম, সিদ্ধান্ত বা রায় ভারতের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে মন্ত্রক স্পষ্ট করে দেয় যে, সিন্ধু জল চুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত এখনও বলবৎ রয়েছে। পাকিস্তানের উদ্যোগে এই ধরনের পদক্ষেপকে ভারত ‘জবাবদিহি এড়ানোর মরিয়া চেষ্টা’ বলেও কটাক্ষ করেছে।
{{/usCountry}}