রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধবিরতির জন্য রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। সেই প্রস্তাবের পক্ষে ১০৭টি দেশ ভোট দিয়েছে। তবে গতবারের মতো এবারও রাশিয়া সংক্রান্ত ভোটাভুটিতে ভারত তার পুরনো অবস্থান বজায় রাখে। ভারত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সংক্রান্ত এই খসড়া প্রস্তাবের উপর ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিল। প্রস্তাবে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে তাৎক্ষণিক, সম্পূর্ণ ও নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়েছিল। এই প্রস্তাবটি ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের চতুর্থ বার্ষিকীতে উত্থাপিত করা হয়। এবং রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় তা পাশও হয়েছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সংক্রান্ত এই প্রস্তাবের ভোটের ফলাফল: ১৯৩ সদস্যের সাধারণ পরিষদে এই রেজোলিউশনের পক্ষে ১০৭টি ভোট পড়ে, বিপক্ষে পড়ে ১২টি দেশ। ভারত সহ মোট ৫১টি দেশ ভোটদান প্রক্রিয়া থেকে বিরত ছিল। ইউক্রেনের উত্থাপিত এই প্রস্তাবে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকা ৫১টি দেশের মধ্যে ভারত ছাড়াও ছিল চিন, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, বাহরাইন।
এদিকে রাষ্ট্রসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবটিকে সমর্থন করা ১০৭টি দেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি। এদিকে রাষ্ট্রসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এই যুদ্ধকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছেন। এরই সঙ্গে বিশ্ব শান্তির জন্য এই যুদ্ধকে বড় হুমকি বলে বর্ণনা করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, 'এই বিধ্বংসী যুদ্ধ আমাদের সম্মিলিত বিবেকের জন্য একটি কলঙ্ক। যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, তত মারাত্মক হয়ে উঠবে। সাধারণ মানুষ এতে মরছে।'
উল্লেখ্য, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে ৪ বছর ধরে। এই আবহে ভারত ধারাবাহিকভাবে শান্তির বার্তা দিয়ে গিয়েছে। সংলাপ ও সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানানোর অঙ্গীকার করেছে ভারত। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বারবার বলেছেন, সহিংসতা বন্ধ করা দরকার এবং কূটনীতিই একমাত্র পথ। গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সামনে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছিলেন যে ভারত এই যুদ্ধে নিরপেক্ষ নয়, বরং শান্তির পক্ষে দাঁড়িয়েছে। পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর মোদী বলেন, 'মস্কো আমাদের সবকিছু সম্পর্কে অবহিত করেছে এবং আমাদের উপর আস্থা দেখিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি সাম্প্রতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বিশ্বকে ফের শান্তির পথে ফিরিয়ে আনবে।' পুতিন বলেছিলেন, 'ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী যেভাবে পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছেন, সেটি সত্যিই প্রশংসনীয়। ইউক্রেন সঙ্কট শুরু হওয়ার পর থেকে আমরা ক্রমাগত আলোচনায় রয়েছি। সময়ে সময়ে, আপনিও একজন প্রকৃত বন্ধু হিসেবে আমাদের সবকিছু সম্পর্কে অবগত রেখেছেন।'
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে ৪ বছর ধরে। এই আবহে ভারত ধারাবাহিকভাবে শান্তির বার্তা দিয়ে গিয়েছে। সংলাপ ও সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানানোর অঙ্গীকার করেছে ভারত। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বারবার বলেছেন, সহিংসতা বন্ধ করা দরকার এবং কূটনীতিই একমাত্র পথ। গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সামনে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছিলেন যে ভারত এই যুদ্ধে নিরপেক্ষ নয়, বরং শান্তির পক্ষে দাঁড়িয়েছে। পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর মোদী বলেন, 'মস্কো আমাদের সবকিছু সম্পর্কে অবহিত করেছে এবং আমাদের উপর আস্থা দেখিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি সাম্প্রতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বিশ্বকে ফের শান্তির পথে ফিরিয়ে আনবে।' পুতিন বলেছিলেন, 'ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী যেভাবে পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছেন, সেটি সত্যিই প্রশংসনীয়। ইউক্রেন সঙ্কট শুরু হওয়ার পর থেকে আমরা ক্রমাগত আলোচনায় রয়েছি। সময়ে সময়ে, আপনিও একজন প্রকৃত বন্ধু হিসেবে আমাদের সবকিছু সম্পর্কে অবগত রেখেছেন।'
{{/usCountry}}