গত সপ্তাহেই কার্যত প্রথমবারের জন্য চিন, খোলাখুলি নিশ্চিত করে যে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত যখন অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালাচ্ছিল, তখন প্রযুক্তিগত সমর্থন বেজিং দিয়েছিল ইসলামাবাদকে, এমনই দাবি করেছে বেশ কিছু রিপোর্ট। চিনের এই বার্তা ভালোভাবে নেয়নি দিল্লি। এদিন বিদেশমন্ত্রকের তরফে চিনকে নাম না করে কার্যত হাওয়া বুঝিয়ে দিল ভারত!

এদিন বিদেশমন্ত্রকের তরফে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন,'আমরা এমন প্রতিবেদন দেখেছি যা পূর্বের ধারণাকেই সমর্থন করে.. অপারেশন সিঁদুর ছিল পহেলগামের সন্ত্রাসী হামলার একটি সুনির্দিষ্ট, লক্ষ্যভিত্তিক এবং পরিকল্পিত জবাব, যার উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তান থেকে এবং তার নির্দেশে পরিচালিত রাষ্ট্র-পৃষ্ঠপোষিত সন্ত্রাসী অবকাঠামো ধ্বংস করা।' এরপরই অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকস্তানকে সাহায্য যোগানো নিয়ে চিনকে ঘিরে যে রিপোর্ট এসেছে, তা নিয়ে মুখ খুলেছে দিল্লি। বিদেশমন্ত্রক বলেছে,' যেসব দেশ নিজেদেরকে দায়িত্বশীল মনে করে, তাদেরই ভেবে দেখা উচিত যে সন্ত্রাসী অবকাঠামোকে সমর্থন বা সুরক্ষা দেওয়া তাদের সুনাম ও মর্যাদাকে প্রভাবিত করে কি না!'
প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনের নারকীয় নাশকতার সাক্ষী কাশ্মীরের পেহলগাঁও। সেখানে সন্ত্রাসী হামলার পর পাকিস্তানের বুকে ৭ মে থেকে বেশ কিছুদিন ধরে অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালু করে ভারত। সেই সময়ই চিন, পাকিস্তানকে প্রযুক্তিগত কিছু সাহায্য দিয়েছিল বলে দাবি করেছে বেশ কিছু রিপোর্ট।
চিনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিসিটিভি বৃহস্পতিবার ঝাং হেং-এর একটি সাক্ষাৎকার সম্প্রচার করেছে। তিনি এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি কর্পোরেশন অফ চায়না (AVIC)-এর চেংডু এয়ারক্রাফট ডিজাইন অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের একজন প্রকৌশলী, যা চিনের উন্নত যুদ্ধবিমান এবং মনুষ্যবিহীন আকাশযানের নকশার অন্যতম প্রধান নির্মাতা। হংকং-ভিত্তিক ‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’, 'সিসিটিভি'কে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, গত মে মাসের চার দিনব্যাপী যুদ্ধের সময় ঝাং পাকিস্তানকে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেছিলেন। পাকিস্তানের বিমান বাহিনী চিনের তৈরি জে-১০সিই জেট পরিচালনা করে, যা এভিআইসি-র একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান উৎপাদন করে। ঝাং হেং বলেন, ‘ঘটনাস্থলে সহায়তার মাধ্যমে আরও ভালো কাজ করার আকাঙ্ক্ষাই’ তাঁর দলকে চালিত করেছে।
{{/usCountry}}চিনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিসিটিভি বৃহস্পতিবার ঝাং হেং-এর একটি সাক্ষাৎকার সম্প্রচার করেছে। তিনি এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি কর্পোরেশন অফ চায়না (AVIC)-এর চেংডু এয়ারক্রাফট ডিজাইন অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের একজন প্রকৌশলী, যা চিনের উন্নত যুদ্ধবিমান এবং মনুষ্যবিহীন আকাশযানের নকশার অন্যতম প্রধান নির্মাতা। হংকং-ভিত্তিক ‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’, 'সিসিটিভি'কে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, গত মে মাসের চার দিনব্যাপী যুদ্ধের সময় ঝাং পাকিস্তানকে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেছিলেন। পাকিস্তানের বিমান বাহিনী চিনের তৈরি জে-১০সিই জেট পরিচালনা করে, যা এভিআইসি-র একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান উৎপাদন করে। ঝাং হেং বলেন, ‘ঘটনাস্থলে সহায়তার মাধ্যমে আরও ভালো কাজ করার আকাঙ্ক্ষাই’ তাঁর দলকে চালিত করেছে।
{{/usCountry}}