...
...
Next Story

MEA: 'অবৈধভাবে গঠিত...,' সিন্ধু জলচুক্তি নিয়ে দ্য হেগ-র রায় পত্রপাঠ প্রত্যাখ্যান ভারতের

MEA: বিদেশ মন্ত্রক কড়া বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, 'আজকে এই তথাকথিত ও অবৈধভাবে গঠিত সালিসি আদালত অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা এবং সিন্ধু জলচুক্তির স্থায়িত্ব নিয়ে একটি রায় বা অ্যাওয়ার্ড জারি করেছে।'

Published on: Aug 31, 2026, 20:05:12 IST
Advertisement

MEA: সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি (Indus Waters Treaty) নিয়ে ফের মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান। দ্য হেগে (Hague tribunal) গঠিত তথাকথিত ‘কোর্ট অব আরবিট্রেশন’ বা সালিশি আদালতের সাম্প্রতিক রায়কে পত্রপাঠ প্রত্যাখ্যান করেছে নয়াদিল্লি। আন্তর্জাতিক ওই আদালতের বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রীয় সরকার বলেছে, ‘অবৈধ ভাবে গঠিত ওই সংস্থার কথার কোনও মূল্য নেই।’

সিন্ধু জলচুক্তি নিয়ে দ্য হেগ-র রায় পত্রপাঠ প্রত্যাখ্যান ভারতের (PTI)
সিন্ধু জলচুক্তি নিয়ে দ্য হেগ-র রায় পত্রপাঠ প্রত্যাখ্যান ভারতের (PTI)

সোমবার দেওয়া রায়ে হেগের আদালত বলেছে, সিন্ধু জলচুক্তি এখনও পুরোপুরি কার্যকর রয়েছে। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের ওই রায় ঘোষণার পরেই পত্রপাঠ তা খারিজ করেছে বিদেশ মন্ত্রক। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে পহেলগাঁও হামলার পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একাধিক পদক্ষেপ নেয় ভারত। তার মধ্যেই সিন্ধু জলচুক্তি ‘অ্যাবেয়ান্স’-এ রাখার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে নয়াদিল্লি। ভারত জানিয়েছিল, সীমান্তপারের সন্ত্রাসে পাকিস্তানের সমর্থন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত চুক্তির স্বাভাবিক কার্যকারিতা স্থগিত থাকবে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই চুক্তির আইনি অবস্থান নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। হেগের সালিশি আদালত একাধিক পর্যায়ে চুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে অবস্থান জানিয়েছে। ভারত অবশ্য প্রতিবারই আদালতের এখতিয়ার নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে এবং প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়নি।

এদিন বিদেশ মন্ত্রক কড়া বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, 'আজকে এই তথাকথিত ও অবৈধভাবে গঠিত সালিসি আদালত অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা এবং সিন্ধু জলচুক্তির স্থায়িত্ব নিয়ে একটি রায় বা অ্যাওয়ার্ড জারি করেছে।' কেন্দ্র এও জানিয়েছে, 'চুক্তির নিয়মকানুনের স্পষ্ট লঙ্ঘন ঘটিয়ে বিশ্বব্যাঙ্ক এই তথাকথিত আদালত তৈরি করেছিল। ভারত যেমন আগে এর সমস্ত নির্দেশকে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখান করেছে, তেমনই আজকের এই কথিত রায়কেও ক্যাটগরিক্যালি খারিজ করছে।' বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ভারত কখনও এই ট্রাইব্যুনালের শুনানিতে অংশ নেয়নি এবং এর কোনও পদক্ষেপকেই কোনওদিন স্বীকৃতি দেয়নি। বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, 'এই তথাকথিত আদালতের ভারতের কোনও সার্বভৌম সিদ্ধান্তের ওপর কথা বলার কোনও এক্তিয়ারভুক্ত বা জুরিসডিকশন (Jurisdiction) নেই। তাদের এই বা ভবিষ্যৎ কোনও নির্দেশ ভারতের নিজস্ব প্রকল্পগুলির ওপর কোনও প্রভাব ফেলতে পারবে না।' 'ভারতের সিন্ধু জলচুক্তিকে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত যেমন ছিল তেমনই বলবৎ থাকছে,' জানিয়ে দিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক।

সিন্ধু জলচুক্তি নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের টানাপোড়েন অবশ্য নতুন নয়। ১৯৬০ সালের এই চুক্তির আওতায় সিন্ধু অববাহিকার নদীগুলির জল ব্যবহারের অধিকার দুই দেশের মধ্যে ভাগ করা হয়েছে। পূর্বের নদী—রাভি, বিআস ও শতদ্রুর জল ব্যবহারে ভারতের অধিকারের কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে সিন্ধু, ঝিলম ও চেনাব পশ্চিমের নদী হিসেবে পাকিস্তানের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে, যদিও নির্দিষ্ট শর্ত মেনে এই নদীগুলিতে ভারত জলবিদ্যুৎ প্রকল্প চালাতে পারে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe