পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধের কারণে গোটা বিশ্বে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। তবে এরই মাঝে ভারতে জ্বালানি সরবরাহে কোনও ব্যাঘাত ঘটতে দেখা যায়নি। রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধের মাঝে ভারতের জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়া। ভারতকে আরও তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ডেনিস মানতুরভ ভারতে এসে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে। সেখানেই তিনি রাশিয়ার পক্ষ থেকে ভারতকে সাহায্যের বার্তা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার আগে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সাথে দেখা করেছিলেন ডেনিস। সেই বৈঠকে জ্বালানি ও সারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতসহ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ঘটনাবলী নিয়েও আলোচনা করেন মান্টুরভ ও বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর।
বৈঠকের তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে তিনি লেখেন, রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাণিজ্য, সার, যোগাযোগ এবং নাগরিক পর্যায়ে সহযোগিতার মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। গত ডিসেম্বরে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভারত সফরের সময় ভারত-রাশিয়া শীর্ষ সম্মেলনের ফলাফল বাস্তবায়নে দুই দেশের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন মোদী।
বৈঠক শেষে রুশ দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মান্টুরভ প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন যে, ভারতীয় বাজারে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ ক্রমাগত বাড়ানোর সক্ষমতা রুশ কোম্পানিগুলোর রয়েছে। তিনি আরও জানান, ২০২৫ সালের শেষের দিকে ভারতে উচ্চ চাহিদাসম্পন্ন খনিজ সারের সরবরাহ ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছিল রাশিয়া। এবং ভবিষ্যতেও রাশিয়া ভারতের চাহিদা মেটাতে প্রস্তুত। বিবৃতিতে বলা হয়, উভয় পক্ষ কার্বাইড উৎপাদনের জন্য একটি যৌথ প্রকল্পও তৈরি করছে।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধ চলছে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে, যার পর ভারতসহ অনেক দেশে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এর প্রধান কারণ হলো যুদ্ধের মধ্যে বিশ্বের প্রধান নৌপথ হরমুজ প্রণালী কার্যকরভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া। এই সমুদ্রপথের ফলে বিশ্বের একটি বড় অংশে তেল ও গ্যাস বাণিজ্য হয়, যা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইতিমধ্যেই রুশ তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে আমেরিকা। এই আবহে আবারও রাশিয়ার থেকে তেল কিনছে ভারত।
{{/usCountry}}মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধ চলছে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে, যার পর ভারতসহ অনেক দেশে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এর প্রধান কারণ হলো যুদ্ধের মধ্যে বিশ্বের প্রধান নৌপথ হরমুজ প্রণালী কার্যকরভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া। এই সমুদ্রপথের ফলে বিশ্বের একটি বড় অংশে তেল ও গ্যাস বাণিজ্য হয়, যা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইতিমধ্যেই রুশ তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে আমেরিকা। এই আবহে আবারও রাশিয়ার থেকে তেল কিনছে ভারত।
{{/usCountry}}