মার্কিন কংগ্রেসে পাশ হয়ে গিয়েছে রাশিয়া ও ইরানের ওপর চাপানো কড়া নিষেধাজ্ঞামূলক বিল। রাশিয়া থেকে তেল কেনার দায়ে ভারত ও চিনের মতো দেশগুলির ওপ শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা। এই মর্মে মার্কিন কংগ্রেস (আইনসভা)র নিম্নকক্ষে বিল পাশ হয়েছে। বিলে স্বাক্ষর করা বাকি রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। এই প্রেক্ষাপটে মুখ খুলেছে ভারত। ভারতের বিদেশমন্ত্রক এই ইস্যুতে দিল্লির অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে।

ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে সাফ বলা হয়েছে, ‘ভারত সরকার মার্কিন কংগ্রেসে 'রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বিষয়ক আইন' (Sanctioning Russia and Iran Act) পাস হওয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করেছে। আমরা এ বিষয়ে পরবর্তী ঘটনাবলি পর্যবেক্ষণ করছি।' এই বিল কার্যত কূটনৈতিক আঙিনায় ভারতের সামনে এক বড় চ্যালেঞ্জ। সেই প্রেক্ষাপটে ভারত কোনপথে হাঁটবে! তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধু রাশিয়ার সঙ্গেও কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে এই বিল বেশ কিছু প্রশ্ন তুলে ধরছে। এমনকি ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক নিয়েও এই বিল কূটনৈতিক আঙিনায় বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এই প্রেক্ষাপটে দিল্লি বলছে, ‘এর আগেও একাধিকবার উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জ্বালানি সংগ্রহের উৎস বহুমুখী করার মাধ্যমে এবং বাজারের পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে ভারত এই প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।' ফলত, মার্কিন কংগ্রেসে পাশ হওয়া বিল প্রসঙ্গে কার্যত দিল্লি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে।
মার্কিন কংগ্রেসে পা হওয়া বিল বলছে, যে দেশগুলি রাশিয়া এবং ইরান থেকে তেল আমদানি করে, তাদের বিরুদ্ধে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা যাবে। এরপর শুল্ক কতটা কার ওপর ধার্য হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই বিল (লিন্ডসে ও গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অফ ২০২৬) গত মাসেই মার্কিন আইনসভার উচ্চকক্ষ সেনেটে পাস করানো হয়েছিল। এরপর তা মার্কিন আইনসভার নিম্নকক্ষে পাশ হল। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি বলছে, ‘সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিনিধির সাথে উচ্চপর্যায়ে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টিও ভারতীয় পক্ষের তরফ থেকে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।'
{{/usCountry}}মার্কিন কংগ্রেসে পা হওয়া বিল বলছে, যে দেশগুলি রাশিয়া এবং ইরান থেকে তেল আমদানি করে, তাদের বিরুদ্ধে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা যাবে। এরপর শুল্ক কতটা কার ওপর ধার্য হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই বিল (লিন্ডসে ও গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অফ ২০২৬) গত মাসেই মার্কিন আইনসভার উচ্চকক্ষ সেনেটে পাস করানো হয়েছিল। এরপর তা মার্কিন আইনসভার নিম্নকক্ষে পাশ হল। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি বলছে, ‘সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিনিধির সাথে উচ্চপর্যায়ে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টিও ভারতীয় পক্ষের তরফ থেকে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।'
{{/usCountry}}