India on Ladakh Issue: 'লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কোনও প্রকার অস্বীকৃতি এই প্রতিষ্ঠিত সত্যকে পরিবর্তন করতে পারবে না।' লাদাখ নিয়ে চিনের সাম্প্রতিক দাবিকে আবারও পত্রপাঠ খারিজ করে দিল ভারত।মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসাবে দেশের এক অবিচ্ছেদ্য এবং অবিচ্ছিন্ন অংশ। বেজিং যতই এ কথা যতই অস্বীকার করার চেষ্টা করুক না কেন, এই প্রমাণিত সত্যকে কোনওভাবেই বদলানো যাবে না বলে কড়া ভাষা জানিয়ে দিল বিদেশ মন্ত্রক।

২ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে লাদাখের ২৮টি কৌশলগত স্থান ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য নিজেদের মানচিত্রে চিহ্নিত করেছে ভারত। এর মধ্যে রয়েছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) বরাবর অবস্থিত গোগরা ও হট স্প্রিং-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকাও। যে অঞ্চল নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে রয়েছে উত্তেজনা। এছাড়াও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পর্বতশৃঙ্গ, গিরিপথ, স্থলভাগ ও জলাশয়গুলিকেও চিহ্নিত করা হয়েছে। লাদাখ প্রশাসনের সঙ্গে পরামর্শ করেই সরকার এই পদক্ষেপ করেছে। এর লক্ষ্য হল সরকারি মানচিত্র তৈরির প্রক্রিয়াকে সুবিন্যস্ত করা। সুনির্দিষ্টভাবে স্থানগুলির শনাক্তকরণ সম্ভব করা। পাশাপাশি, সংবেদনশীল সীমান্তবর্তী অঞ্চলটি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
এই বিষয়ে চিনের আপত্তি প্রসঙ্গে বিদেশ মন্ত্রকের মন্তব্য, 'সার্ভে অফ ইন্ডিয়া কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখের মানচিত্র তৈরি করেছে। এই স্থানগুলিকে চিহ্নিত করার উদ্দেশ্য হল এদের স্বীকৃতি সহজতর করা এবং বৃহত্তর জনসাধারণের মধ্যে উন্নততর সচেতনতা বৃদ্ধি করা।' এইসঙ্গে জোর দিয়ে বলা হয়, লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। চিনের কোনও অস্বীকৃতিই এই প্রতিষ্ঠিত সত্যকে পরিবর্তন করতে পারবে না। মঙ্গলবার মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, 'লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটি ভারতের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। চীন যতবারই অস্বীকার করুক না কেন, এই ঐতিহাসিক সত্যকে পরিবর্তন করা যাবে না।' তিনি আরও স্পষ্ট করে দেন যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিটিতেও তা স্পষ্ট করা হয়েছে। দেশের মানচিত্রে নিজেদের ভূখণ্ডের নাম সঠিকভাবে নথিভুক্ত করার সম্পূর্ণ অধিকার ভারতের রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সম্প্রতি বেজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, 'ভারত একতরফা ও অবৈধভাবে তথাকথিত ‘লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল’ তৈরি করেছে। চিন কখনওই এর স্বীকৃতি দেয়নি।' ভারতের তথাকথিত নামকরণের দৃঢ় বিরোধিতা মাও আরও বলেন, '(ভারতের) এই পদক্ষেপ অবৈধ ও অকার্যকর। এটি এই সত্যকে পরিবর্তন করতে পারে না যে, চিন-ভারত সীমান্তের পশ্চিমাঞ্চলের সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো সর্বদা চিনেরই অন্তর্ভুক্ত।' চিনের তরফে আরও বলা হয়, ভারতের পদক্ষেপ সীমান্তের পশ্চিমাঞ্চলীয় সেক্টর নিয়ে বিজিংয়ের অবস্থানে কোনও পরিবর্তন ঘটাতে পারবে না। অপরপক্ষে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, চিনের মতো আগ্রাসী প্রতিবেশীর ক্ষেত্রে পালটা পদক্ষেপ ছাড়া উপায় ছিল না ভারতের।
{{/usCountry}}সম্প্রতি বেজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, 'ভারত একতরফা ও অবৈধভাবে তথাকথিত ‘লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল’ তৈরি করেছে। চিন কখনওই এর স্বীকৃতি দেয়নি।' ভারতের তথাকথিত নামকরণের দৃঢ় বিরোধিতা মাও আরও বলেন, '(ভারতের) এই পদক্ষেপ অবৈধ ও অকার্যকর। এটি এই সত্যকে পরিবর্তন করতে পারে না যে, চিন-ভারত সীমান্তের পশ্চিমাঞ্চলের সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো সর্বদা চিনেরই অন্তর্ভুক্ত।' চিনের তরফে আরও বলা হয়, ভারতের পদক্ষেপ সীমান্তের পশ্চিমাঞ্চলীয় সেক্টর নিয়ে বিজিংয়ের অবস্থানে কোনও পরিবর্তন ঘটাতে পারবে না। অপরপক্ষে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, চিনের মতো আগ্রাসী প্রতিবেশীর ক্ষেত্রে পালটা পদক্ষেপ ছাড়া উপায় ছিল না ভারতের।
{{/usCountry}}