ইরান যুদ্ধের আবহে জ্বালানি সংকট বিশ্ব জুড়ে। আর তাতেই নাজেহাল বাংলাদেশও। এই আবহে এবার ভারতের কাছে সাহায্যের হাত বাড়াতে হল বাংলাদেশকে। এই আবহে ভারত থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল আজ বাংলাদেশে যাচ্ছে। বাংলাদেশ পেট্রলিয়াম কর্পোরেশন জানিয়েছে, ভারতের অসমের নুমালিগড় তেল শোধনাগার থেকে বাংলাদেশে ৫ হাজার টন ডিজেল পাঠানো হবে। জ্বালানি তেল পাইপলাইনের মাধ্যমে সেই ডিজেল বাংলাদেশকে দেওয়া হবে। জ্বালানি তেলের মজুদ স্বাভাবিক রাখতে এবং দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে তারেক রহমানের সরকার জরুরিভিত্তিতে ভারতের থেকে এই তেল চেয়েছিল।

রিপোর্ট অনুযায়ী, এই পাইপলাইন দিয়ে আগামী ৪ মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টন ডিজেল আনার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। গত ৮ মার্চ ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অনুরোধ করেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এমনিতে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল আমদানির চুক্তি ছিল ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে। তবে ইউনুস জমানায় ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের টানাপড়েনে তা বন্ধ ছিল।
এমনিতে বাংলাদেশে বাইকে ২ লিটার এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে ১০ লিটার করে তেল দেওয়ার নিয়ম চালু করা হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য আগাম বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং ইদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে সেখানে। বাংলাদেশে অবশ্য এর আগে থেকেই গ্যাসের সংকট ছিল। ইউনুস জমানা থেকেই সিলিন্ডারের কালো বাজারি বেড়েছিল। গ্যাসের সিলিন্ডার ২-৩ গুণ দামে বিক্রি হচ্ছিল বাংলাদেশে। আর বর্তমানে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ থাকায় আরও বিপাকে বাংলাদেশ। এর মাঝেও অনেক জায়গায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে পেট্রোল পাম্প। যেখানে পাম্প খোলা, সেখানেও গাড়ির লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে।
এদিকে ভারতেও জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করার জন্য একধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। ভারতে পেট্রোল-ডিজেলের দাম না বাড়লেও বেড়েছে রান্নার গ্যাসের দাম। এদিকে গ্যাস সিলিন্ডার বুকিংয়ের ক্ষেত্রে চালু হয়েছে নয়া নিয়ম। এখন থেকে ২৫ দিন অন্তর অন্তর সিলিন্ডারের বুকিং করা যাবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে হরমুজ প্রণালীতে কয়েকশো তেলের ট্যাঙ্কার আটকে আছে। এর মধ্যে ভারতেরও ৩০টিরও বেশি জাহাজ রয়েছে। এর ফলে আগামী দিনে ভারতসহ সারা বিশ্বে তেলের সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। ভারতের প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেলের আমদানি হরমুজ প্রণালী থেকে আসে। এটা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল রফতানি রুট। এবং এই রুটটি প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার জেরে অন্য বিকল্পের খোঁজে গোটা বিশ্ব। এদিকে ভারতের ক্ষেত্রে রাশিয়ার থেকে তেল কেনা সম্ভব। তবে গ্যাসের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে পারে দেশ।
{{/usCountry}}এদিকে ভারতেও জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করার জন্য একধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। ভারতে পেট্রোল-ডিজেলের দাম না বাড়লেও বেড়েছে রান্নার গ্যাসের দাম। এদিকে গ্যাস সিলিন্ডার বুকিংয়ের ক্ষেত্রে চালু হয়েছে নয়া নিয়ম। এখন থেকে ২৫ দিন অন্তর অন্তর সিলিন্ডারের বুকিং করা যাবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে হরমুজ প্রণালীতে কয়েকশো তেলের ট্যাঙ্কার আটকে আছে। এর মধ্যে ভারতেরও ৩০টিরও বেশি জাহাজ রয়েছে। এর ফলে আগামী দিনে ভারতসহ সারা বিশ্বে তেলের সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। ভারতের প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেলের আমদানি হরমুজ প্রণালী থেকে আসে। এটা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল রফতানি রুট। এবং এই রুটটি প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার জেরে অন্য বিকল্পের খোঁজে গোটা বিশ্ব। এদিকে ভারতের ক্ষেত্রে রাশিয়ার থেকে তেল কেনা সম্ভব। তবে গ্যাসের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে পারে দেশ।
{{/usCountry}}