ইজরায়েলের সঙ্গে অটুট বন্ধুত্ব সত্ত্বেও এবার তাদের সমালোচনা করল ভারত। ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক দখল করতে চাইছে ইজরায়েল। এবং নেতানিয়াহুর সরকারের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে ভারত। আগামী সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইজরায়েল সফরে যেতে চলেছেন। এর ঠিক আগে এই ইস্যুতে ইজরায়েলের বিরোধিতা করল ভারত। পশ্চিম তীরে ইজরায়েলের তৎপরতা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে যৌথ বিবৃতিতে সমর্থন জানিয়েছে ভারত।

১৯৬৭ সাল থেকে দখল থাকা প্যালেস্তিনীয় অঞ্চলগুলির (পূর্ব জেরুজালেম সহ) জনসংখ্যাতাত্ত্বিক কাঠামো, চরিত্র এবং অবস্থা পরিবর্তন করার যে কোনও প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করে এই বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। ইজরায়েলের পদক্ষেপকে শান্তির জন্য হুমকি হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। এই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করা দেশগুলি বিশ্বাস করে যে ইজরায়েলের দখলদারি পদক্ষেপগুলি এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রচেষ্টাকে দুর্বল করবে। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগামী সপ্তাহে ইজরায়েল সফরে যেতে চলেছেন। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইজরায়েলের সংসদেও ভাষণ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তার আগে এই যৌথ বিবৃতিতে ভারতের স্বাক্ষরকে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভারত ও ইজরায়েলের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তবে ভারত ঐতিহাসিকভাবে 'দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের' সমর্থন করে এসেছে। মোদী জমানাতেও পশ্চিম তীর নিয়ে ভারতের সেই অবস্থানে পরিবর্তন আসেনি। এর আগে, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা গাজায় বাস্তবায়িত যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্থায়ী করার আহ্বান জানিয়েছিল। এদিকে গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে 'বাহিনী' গড়ে তোলার ডাক দিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেটাই বোর্ড অফ পিস হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটিয়েছে। সেই বাহিনীতে যোগ দিতে আগ্রহপ্রকাশ করেছিল বাংলাদেশের ইউনুস সরকারও। এরই মাঝে ভারতকে 'বোর্ড অফ পিস' বা শান্তির বোর্ডে যোগদান করার আহ্বান জানিয়ে কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও সেই বোর্ডে ভারত যোগদান করেনি। এই নিয়ে কয়েকদিন আগেই বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়, ট্রাম্পের আমন্ত্রণের বিষয়ে পর্যালোচনা চলছে।
উল্লেখ্য, গাজা উপত্যকায় ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প এই শান্তির বোর্ড গঠন করছেন। গাজা ও এর আশেপাশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিসকে একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে তুলে ধরছে ওয়াশিংটন। জল্পনা চলছে, এই সংস্থাটি অন্যান্য বৈশ্বিক সংঘাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। মূলত, এই নতুন সংস্থাকে গাজার পুনর্গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হবে। এই বোর্ডের সভাপতিত্ব করবেন ট্রাম্প। ভারত যদি ট্রাম্পের আমন্ত্রণ গ্রহণ করে, তাহলে তিন বছরের জন্য বোর্ডের অংশ হয়ে যাবে। তবে বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, কোনও দেশকে এই বোর্ডের সদস্য থাকতে হলে ১ বিলিয়ন ডলার খসাতে হবে পকেট থেকে। এই আবহে ভারত ছাড়াও ইজরায়েল, মিশর, তুরস্ক, কাতার, পাকিস্তান, কানাডা এবং আর্জেন্টিনা সহ প্রায় বহু দেশকে এই বোর্ডে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে তাঁর সেই বোর্ডে কয়েকটি মাত্র দেশই অংশ নিয়েছে এখনও পর্যন্ত।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, গাজা উপত্যকায় ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প এই শান্তির বোর্ড গঠন করছেন। গাজা ও এর আশেপাশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিসকে একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে তুলে ধরছে ওয়াশিংটন। জল্পনা চলছে, এই সংস্থাটি অন্যান্য বৈশ্বিক সংঘাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। মূলত, এই নতুন সংস্থাকে গাজার পুনর্গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হবে। এই বোর্ডের সভাপতিত্ব করবেন ট্রাম্প। ভারত যদি ট্রাম্পের আমন্ত্রণ গ্রহণ করে, তাহলে তিন বছরের জন্য বোর্ডের অংশ হয়ে যাবে। তবে বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, কোনও দেশকে এই বোর্ডের সদস্য থাকতে হলে ১ বিলিয়ন ডলার খসাতে হবে পকেট থেকে। এই আবহে ভারত ছাড়াও ইজরায়েল, মিশর, তুরস্ক, কাতার, পাকিস্তান, কানাডা এবং আর্জেন্টিনা সহ প্রায় বহু দেশকে এই বোর্ডে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে তাঁর সেই বোর্ডে কয়েকটি মাত্র দেশই অংশ নিয়েছে এখনও পর্যন্ত।
{{/usCountry}}