...
...
Next Story

India slams Pakistan: ১২৫ বছরের প্রাচীন গুরুদোয়ারা ভাঙা হল পাকিস্তানে! ইসলামাবাদকে ধুয়ে দিল দিল্লি

পাকিস্তানে গুরুদোয়ারা ভাঙা নিয়ে মুখ খুলল দিল্লি।

Published on: Jul 1, 2026, 22:45:55 IST
Advertisement

পাকিস্তানের ফারুকাবাদে শ্রীগুরু সিং সবাহ সাহিব গুরুদোয়ারা ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে বিভিন্ন রিপোর্টে উঠে আসে। পাকিস্তানের অন্দরে ১২৫ বছরের পুরনো এই গুরুদোয়ারা ভাঙার ঘটনায় ইসলমাবাদকে উদ্দেশ্য করে বক্তব্য রেখেছে দিল্লি।

১২৫ বছরের প্রাচীন গুরুদোয়ারা ভাঙা হল পাকিস্তানে! ইসলামাবাদকে ধুয়ে দিল দিল্লি
১২৫ বছরের প্রাচীন গুরুদোয়ারা ভাঙা হল পাকিস্তানে! ইসলামাবাদকে ধুয়ে দিল দিল্লি

গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, ঐতিহাসিক শিখ তীর্থস্থানের কিছু অংশ ভেঙে ফেলার খবরে ভারত ‘গভীরভাবে ব্যথিত’। ভারতের তরফে বিদেশমন্ত্রক বলছে,' পাকিস্তানের ফারুকাবাদে ১২৫ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক ও পবিত্র গুরুদুয়ারা ‘শ্রী গুরু সিং সবাহ সাহেব’ ভেঙে ফেলার বিষয়ে অত্যন্ত উদ্বেগজনক খবর আমরা দেখেছি। শিখ সম্প্রদায়ের একটি শ্রদ্ধেয় তীর্থস্থানের ওপর চালানো এই অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাঙচুরের ঘটনাকে আমরা তীব্রভাবে ধিক্কার জানাই।’ রিপোর্টে জানা যাচ্ছে, পাকিস্তান ইভাকুই ট্রাস্ট প্রপার্টি বোর্ডের তরফেও এই গুরুদোয়ারা ভাঙা নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। উল্লেখ্য়, পাকিস্তানের এই প্রতিষ্ঠানই দেশভাগের পর হিন্দু ও শিখদের ফেলে যাওয়া ধর্মীয় সম্পত্তি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। আর সেই প্রতিষ্ঠানের তরফে গুরুদোয়ারা ভাঙা ঘিরে কোনও পদক্ষেপ না হওয়া নিয়েও সরব হয়েছে ভারত। ঘটনাটিকে একটি বৃহত্তর ধারার অংশ হিসেবে উল্লেখ করে ভারত বলেছে, এই ভাঙচুর 'দুর্ভাগ্যবশত কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।'

উল্লেখ্য , পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্থানে আঘাত হানার ঘটনা নতুন নয়। গুরুদুয়ারা নানকানা সাহিব, গুরুদ্বারা জনম আস্থান, কারাকের মন্দির, রহিম ইয়ার খান এবং সিন্ধুর কিছু অংশ, সেইসাথে আহমদী এবং খ্রিস্টান ধর্মীয় স্থানে পাকিস্তানে দখল, ভাঙচুরের ঘটনা নতুন নয়। ভারত বেশ কয়েকবার পাকিস্তানকে ধর্মীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলোকে পর্যাপ্ত সুরক্ষা প্রদানের আহ্বান জানিয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe