ভারত ও স্লোভাকিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরকালে। বিশেষ করে দুই দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নতুন সহযোগিতার সূচনা হল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্লোভাকিয়া সফরের সময় দুই দেশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের উদ্দেশ্যে একটি ‘লেটার অব ইনটেন্ট’ বা অভিপ্রায়পত্র স্বাক্ষর করেছে। এই পদক্ষেপকে দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রথমবার কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর স্লোভাকিয়া সফরের মধ্য দিয়ে এই ঐতিহাসিক অগ্রগতি ঘটেছে। ব্রাতিস্লাভায় স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে বৈঠকের পর দুই দেশ সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপ’-এর স্তরে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ—একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বাক্ষরিত অভিপ্রায়পত্র অনুযায়ী, দুই দেশ সামরিক প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা উৎপাদন এবং কৌশলগত সহযোগিতায় যৌথভাবে কাজ করার পরিকল্পনা নিয়েছে। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা শিল্পের মধ্যে প্রযুক্তি বিনিময় ও যৌথ প্রকল্পের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে। সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদীবলেন, ভারত ও স্লোভাকিয়ার মধ্যে সহযোগিতার সম্ভাবনা অত্যন্ত বিস্তৃত এবং দুই দেশই পারস্পরিক বিশ্বাস ও উন্নয়নের লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগোচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি সহযোগিতা ভবিষ্যৎ অংশীদারিত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হবে।
অন্যদিকে স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোও ভারত–ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রতি সমর্থন জানান এবং দুই দেশের শিল্প ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার ওপর গুরুত্ব দেন। বিশেষ করে অটোমোবাইল, উন্নত উৎপাদন, প্রযুক্তি এবং সবুজ শক্তি খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউরোপের কেন্দ্রীয় একটি দেশের সঙ্গে ভারতের এই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নয়, বরং ইউরোপীয় বাজারে ভারতের কৌশলগত উপস্থিতিকেও আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে এটি ভারতের প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও প্রযুক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রেও নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। এই সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাল বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।
{{/usCountry}}বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউরোপের কেন্দ্রীয় একটি দেশের সঙ্গে ভারতের এই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নয়, বরং ইউরোপীয় বাজারে ভারতের কৌশলগত উপস্থিতিকেও আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে এটি ভারতের প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও প্রযুক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রেও নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। এই সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাল বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।
{{/usCountry}}