...
...
Next Story

India Vs China Nuke: ১৯০ বনাম ৬২০- পাকিস্তানের তুলনায় এগিয়ে, তবে চিনের বিরুদ্ধে কতটা কার্যকর ভারতের পরমাণু প্রতিরোধ?

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ (SIPRI)-এর ২০২৬ সালের মূল্যায়ন অনুযায়ী, ভারতের হাতে বর্তমানে প্রায় ১৯০টি পরমাণু ওয়ারহেড রয়েছে। একই সময়ে পাকিস্তানের ভাণ্ডারে রয়েছে প্রায় ১৭০টি ওয়ারহেড, ফলে সংখ্যার বিচারে ভারত কিছুটা এগিয়ে।

Published on: Jun 10, 2026 12:07 PM IST
Advertisement

বিশ্বে দ্রুত বদলে যাওয়া কৌশলগত পরিস্থিতির মধ্যে ভারতের পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ (SIPRI)-এর ২০২৬ সালের মূল্যায়ন অনুযায়ী, ভারতের হাতে বর্তমানে প্রায় ১৯০টি পরমাণু ওয়ারহেড রয়েছে। একই সময়ে পাকিস্তানের ভাণ্ডারে রয়েছে প্রায় ১৭০টি ওয়ারহেড, ফলে সংখ্যার বিচারে ভারত কিছুটা এগিয়ে।

Odisha, May 09 (ANI): Defence Research and Development Organisation (DRDO) successfully test-fired the advanced Agni missile with MIRV (Multiple Independently Targeted Re-Entry Vehicle) system from Dr APJ Abdul Kalam Island, Odisha on 08th May, on Saturday. (@DRDO_India X/ANI Photo) (@DRDO_India X)
Odisha, May 09 (ANI): Defence Research and Development Organisation (DRDO) successfully test-fired the advanced Agni missile with MIRV (Multiple Independently Targeted Re-Entry Vehicle) system from Dr APJ Abdul Kalam Island, Odisha on 08th May, on Saturday. (@DRDO_India X/ANI Photo) (@DRDO_India X)

তবে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের মূল কৌশলগত চ্যালেঞ্জ এখন আর শুধু পাকিস্তান নয়, বরং চীন। SIPRI-র হিসাব অনুযায়ী, চীনের হাতে বর্তমানে প্রায় ৬২০টি পরমাণু ওয়ারহেড রয়েছে এবং তাদের অস্ত্রভাণ্ডার বিশ্বের দ্রুততম হারে সম্প্রসারিত হচ্ছে। নতুন ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো, দীর্ঘ-পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং শক্তিশালী সমুদ্রভিত্তিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলছে বেইজিং।

ভারত দীর্ঘদিন ধরে ‘Credible Minimum Deterrence’ বা ন্যূনতম কিন্তু বিশ্বাসযোগ্য প্রতিরোধ নীতি অনুসরণ করে আসছে। অর্থাৎ প্রতিপক্ষকে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির হুমকি দেওয়ার মতো সক্ষমতা বজায় রাখাই ভারতের লক্ষ্য, অস্ত্রের সংখ্যায় প্রতিযোগিতা নয়। কিন্তু চীনের দ্রুত আধুনিকীকরণের ফলে এই নীতি ভবিষ্যতে যথেষ্ট হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

এই প্রেক্ষাপটে ভারতও নিজের কৌশলগত সক্ষমতা বাড়ানোর পথে হাঁটছে। MIRV প্রযুক্তি, ক্যানিস্টারাইজড ক্ষেপণাস্ত্র, দীর্ঘ-পাল্লার Agni সিরিজের মিসাইল এবং সমুদ্রভিত্তিক পরমাণু প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe