আইসিসি টি ২০ বিশ্বকাপ ২০২৬র গ্রুপ ৮র গুরুত্বপূর্ণ রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে এদিন শেষমেশ জয়ের হাসি ফুটল সূর্য বাহিনীর মুখে। গত ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে লজ্জার হারে পর্যুদস্ত হয়ে এই ম্যাচ থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই ছিল ভারতের। আর তাতে ব্যাটিং দাপট ধরে রাখে টিম ইন্ডিয়া। শেষমেশ ৭২ রানে জিম্বাবোয়েকে হারায় ভারত। যদিও এর আগে সমীকরণ বলছিল, এই ম্যাচে ভারত যদি ১০০ রানে জিম্বাবোয়েকে হারায়, তাহলে গ্রুপ ৮র ম্যাচে দাপট ধরে রাখা পোক্ত হতে পারে সূর্যদের জন্য।

এদিন, অভিষেক শর্মা বহুদিন পর পার করলেন অর্ধশতরানের গণ্ডি। বিশ্বকাপে এটিই তাঁর প্রথন অর্ধশতরান। একটা সময় পর পর ম্যাচে ‘গোল্ডেন ডাক’ করা অভিষেক, এদিন তাঁর ব্যাটিং দক্ষতা তুলে ধরেন। আর অভিষেকের কামব্যাক ম্যাচে শেষমেশ জয়ে ফিরল ভারত। তবে ব্যাট ঘুরিয়ে, বোলিংএ হাত ঘুরিয়ে ম্যাচের সেরা হয়েছেন হার্দিক পাণ্ডিয়া।
এদিনের ম্যাচে রিঙ্কুকে বাদ রেখে একাদশ সাজিয়েছে সূর্য বাহিনী। দলে ফেরেন সঞ্জু। তিনিই ছিলেন উইকেট কিপার। এছাড়াও দলে আসেন অক্ষর। এদিকে, টসে হেরে প্রথমে ব্যাট হাতে নামে সূর্য বাহিনী। ওপেনিং-এ নামে সঞ্জু ও অভিষেক। ইনিংস খানিকটা এগোতেই প্রথম উইকেট পতন হয় সঞ্জুর। এরপর ইনিংস কিছুটা ধরে রাখেন অভিষেক। সম্পূর্ণ করেন অর্ধশতরান। এরপর ৪.১ ওভারে ৫০ পার করে ভারত। এরপর দাপুটে ব্যাটিংএ শান দিয়ে এগোয় ভারত। পর পর পড়তে থাকে উইকেট। অর্ধশতরান পূরণ করেন হার্দিক। এদিকে, হার্দিকের সঙ্গে ইনিংস কিছুটা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও ১৩ বলে ৩৩ রানের ঝোড়ো ক্যামিও খেলে ফিরে যান সূর্য। তিনটি চার ও দুটো ছক্কা মেরেছেন। এরপর দানবীয় রান পৌঁছে যায় ২৫৫র ঘরে। স্কোরবোর্ডে এই দানবীয় রান রেখে ভারত নামে ফিল্ডিং করতে। সেখানে বল হাতে পেয়েই জ্বলে উঠলেন অক্ষর প্যাটেল। প্রথম ধাক্কা যায় জিম্বাবোয়ের ইনিংসে। বড় শট খেলতে গিয়ে তিলকের হাতে ক্যাচ দিলেন ডিয়ন মায়ার্স। ৬ রানে আউট হন। তাতে উইকেট পান বরুণ। এরপর পঞ্চন উইকেট তুলে নেন অর্শদীপ।১৯তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ক্লিন বোল্ড করলেন টনি মুনোয়োঙ্গাকে। ২০তম ওভারে শিবম দুবে পান তাসিঙ্গা মুশিকায়ার উইকেট। শূন্যে শরীর ভাসিয়ে দারুণ ক্যাচ নিলেন উইকেটকিপার সঞ্জু স্যামসন। শেষমেশ ১৮৪ রানে ৬ উইকেট-এ শেষ হয় জিম্বাবোয়ের ইনিংস। আপাতত নজর ইডেনে ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিকে।