India Vs SA 5th T20: ভারতের বিধ্বংসী ব্যাটিং-এর ঘায়ে চোট আম্পায়ার, ক্যামেরাম্যানের! তবে খবর হল, ‘সিরিজ’ সূর্যদের

৩০ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিলক, অন্যদিকে, ১৬ বল-এ হাফ সেঞ্চুরি পূর্ব করেন হার্দিক। গ্যালারিতে বান্ধবীর উদ্দেশে পান্ডিয়া ছুঁড়ে দেন উড়ন্ত চুম্বন! বল হাতেও সফল হার্দিক।

Published on: Dec 19, 2025, 22:58:38 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে পঞ্চম একদিনের ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে দর্শক কূল উপহার পেয়েছে ছয়, চারের ফোয়ারা! তবে তা ছাড়াও মাঠে ঘটে যায় আরও বেশ কিছু ঘটনা, সঞ্জু স্যামসনের শটে আম্পায়ারের পায়ে লেগে গিয়ে আহত হওয়া। হার্দিক পান্ডিয়ার শট গিয়ে বাউন্ডারি পার হয়ে ক্যামেরাম্যানের হাতে লাগে, তিনিও হন আহত! তবে সে চোট সামান্য়ই ছিল। এরই মাঝে মাঠে ‘বন্দে মাতরম’ গান বেজে উঠতেই হার্দিক ২২ গজে দাঁড়িয়েই তাতে মাথা নাড়িয়ে ‘লিপ’ মেলাতে থাকেন! এই সবের পর আসা যাক খেলার স্কোরে।

ভারতের বিধ্বংসী ব্যাটিং-এর ঘায়ে আহত আম্পায়ার, ক্যামেরাম্যান!তবে ‘সিরিজ’ সূর্যদের. (Photo by Shammi MEHRA / AFP) / (AFP)
ভারতের বিধ্বংসী ব্যাটিং-এর ঘায়ে আহত আম্পায়ার, ক্যামেরাম্যান!তবে ‘সিরিজ’ সূর্যদের. (Photo by Shammi MEHRA / AFP) / (AFP)

৩০ রানে রুদ্ধশ্বাস আমেদাবাদের টি২০ ম্যাচ পকেটে পুরে নেয় ভারত । ফলত সিরিজের চ্যাম্পিয়ন সূর্য বাহিনী। এর আগে লখনউ ম্যাচ কুয়াশার জন্য বাতিল হয়। তার আগে, সিরিজে ২-১ এ এগিয়ে ছিল ভারত। আর আমেদাবাদ ম্যাচ পকেটে পুরে ফেলে ভারত। বিশ্বকাপের ৫০ দিন আগে ভারত এই সিরিজ ৩-১ এ জিতে নিল।

এদিন ম্যাচের শুরুতেই এদিন ভারতের ক্যাম্প জানিয়ে দেয়, ম্যাচে নেই ভাইস ক্যাপ্টেন গিল। তিনি আহত বলে জানা যায়। এদিকে, ২২ গজে ভারতের তরফে গিলের জায়গায় ওপেন করতে দেখা যায় সঞ্জু স্যামসনকে। এরপর মাঠে ওঠে ‘শর্মাজি স্পেশ্যাল শটের সুনামি’! অভিষেকের ব্যাট থেকে রকেট বেগে বের হতে থাকে বাউন্ডারি। অন্যদিকে সঞ্জুও চুপ থাকেননি। আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপের জন্য দল নির্বাচনের আগে সঞ্জুর এই ইনিংস যে ক্রিকেটীয় দিক থেকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না! ভারতের প্রথম উইকেট পড়ে ৫.৪ ওভারে। আউট হন অভিষেক শর্মা, সংগ্রহে ২১ বলে ৩৪ রান। দ্বিতীয় উইকেট- ৯.১ ওভার, বোল্ড হন সঞ্জু। ততক্ষণে মাঠে তিলক। শর্মাজির পর ভর্মাজি এসে শুরু করেন ব্যাটিং তাণ্ডব! অন্যদিকে, সঞ্জুর পর আসেন সূর্য, ফের একবার ফ্যানদের নিরাশ করে ভারতীয় ক্যাপ্টেন আউট হন। তবে এরপর শুরু হয় ‘দ্য হার্দিক পান্ডিয়া শো’! ধুন্ধুমার ব্যাটিংএ ভারতের স্কোর তখন ১৪ ওভার শেষে ১৫৮-৩। ওই একই ওভারে আসে ২৭ রান। একদিকে, ৩০ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিলক, অন্যদিকে, ১৬ বল-এ হাফ সেঞ্চুরি পূর্ব করেন হার্দিক। গ্যালারিতে বান্ধবীর উদ্দেশে ছুঁড়ে দেন উড়ন্ত চুম্বন! ১৯.৩ ওভারে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে আউট হন হার্দিক। এরপর বাউন্ডারির ফোয়ারা চালিয়ে যান তিলক ও শিবম। তবে মাঝ মাঠে তালমিলের অভাবে রান আউট হন তিলক। ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ভারতের স্কোর ২৩১ রান, সর্বোচ্চ দুই রান সংগ্রহকারী হিসাবে উঠে আসেন তিলক বর্মা (৭৩), হার্দিক পান্ডিয়া (৬৩)। বশের সংগ্রহে ২ টি, বার্টম্যান ও লিন্ডের সংগ্রহে ১ টি করে উইকেট।

( Bangladesh Update:'ভারতীয় হাইকমিশনে ভাঙচুর করতে চাই না', দিনের শেষে বাংলাদেশের এই দল…)

এরপর ব্যাট হাতে নেমেই বিধ্বংসী মেজাজ নেন কুইন্টেন ডি কক। প্রথম ২৪ বলে বিনা উইকেটে হাফ সেঞ্চুরি পার করে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ওপেনিং জুটি। ১৬ বলে ৪০ রান করে ফেলেন ডি কক। এরপর ৬.৩ ওভারে ভারতের ভাগ্যে প্রথম সাফল্য এনে দেন বরুণ। প্যাভিলিয়ানে ফিরে যান রেজা। ধীরে ধীরে ডিককের বিধ্বংসী ব্যাট ভারতকে ব্যাকফুটে ফেলে দেয়। একই ওভারে হার্দিককে ১৯ রান দেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর বুমরাহ ফিরতেই শুরু হয় ম্যাজিক। ৬৫ রানে ডিকককে ক্যাচ ধরে প্যাভিলিয়নে ফেরান বুমরাহ। এরপর হার্দিকের শিকার হন ১৭ বলে ৩১ রান করা ব্রেভিস। ব্যাটের পর বল হাতেও সফল পান্ডিয়া। মার্কব়্যামকে এলবিডাব্লিউ করে চতুর্থ ধাক্কা দেন বরুণ চক্রবর্তী। পরের বলেই ডোনোভান ফেরেরাকে গোল্ডেন ডাক-এ বোল্ড করেন বরুণ। তবে হ্যাটট্রিক আসেনি। এরপর ১৪.৪ ওভরে ১৫৪ রানে ৬ উইকেট পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার। এরপর ১৬.১ ওভারে বুমরাহ ফেরান ইয়ানসনকে। দ. আফ্রিকার স্কোর তখন ১৭৭। শেষ ওভারে বল করতে নামেন অভিষেক শর্মা। ২০১ রানে ৮ উইকেটে থামে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৩০ রানে ভারত জয় ছিনিয়ে নেয়।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More