‘অপারেশন সিঁদুর’র হাত ধরে গত বছরের মে মাসে পাকিস্তানের সেনার বহু হানার চেষ্টাকে নিমেষে ব্যর্থ করেছে ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা বা এয়ার ডিফন্স। এবার সেই এয়ার ডিফেন্সকে আরও পোক্ত করতে ১,৯৫০ কোটি টাকার বিপুল ব্যয়ে ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের (BEL) সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হল ভারতীয় প্রতিরক্ষা। ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের কাছ থেকে ভারতীয় প্রতিরক্ষা পাবে মাউন্টেইন ব়্যাডার। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এই ব়্যাডারই সেনার তরফে নজরদারির 'চোখ' হয়ে উঠতে চলেছে!

খুব দুর্গম পার্বত্য এলাকায় বহু সময়ই সাধারণ চিরাচরিত ব়্যাডারগুলির কর্মক্ষমতার একটা সীমাবদ্ধতা থেকে যায়। সেই জায়গা থেকে মাউন্টেইন ব়্যাডার তার কাজ শুরু করবে। মূলত, উচ্চ অক্ষাংশে, আকাশপথে নিচু এলাকা দিয়ে চলা শত্রুর এয়ারক্রাফ্ট, হেলিকপ্টার, ড্রোনকে খুঁজে বের করা আর তাকে নজরদারিতে রাখার কাজ করে থাকে এই উচ্চমানের ব়্যাডারগুলি। ভারতের যে সমস্ত পার্বত্য এলাকা, পাকিস্তান ও চিন সীমান্তে রয়েছে, সেই সমস্ত এলাকায় এই ব়্যাডার বেশ কার্যকরী হতে পারে, বলে মনে করা হচ্ছে। ফলত, চিন ও পাকিস্তানের তরফে আকাশপথে কোনও ঝুঁকি বা হুমকির উদ্রেক হলে, এই মাউন্টেইন ড্রোন খুবই কার্যকরী ভূমিকা নিতে পারে।
এই ব়্যাডারগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে এগুলো সহজে পরিবহনযোগ্য এবং দ্রুত মোতায়েন করা যায়, ফলে বাহিনীগুলো পরিবর্তিত হুমকি মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করে এগুলোকে বিভিন্ন অপারেশনাল সেক্টরে স্থানান্তর করতে পারে। এদের এই গতিশীলতা সীমান্ত অঞ্চলগুলোতে এগুলোকে বিশেষভাবে মূল্যবান করে তোলে, যেখানে অবকাঠামো সীমিত কিন্তু দ্রুত সামরিক প্রতিক্রিয়া অপরিহার্য। এদিকে, এই চুক্তি আত্মনির্ভর ভারত উদ্যোগের ক্ষেত্রেও একটি তাবড় দিক। এই চুক্তিটি ভারতের দেশীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদন প্রসারের ক্ষেত্রেও একটি বড় সহায়ক, যেখানে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিরক্ষা ইলেকট্রনিক্স সংস্থা বিইএল দেশীয় নজরদারি এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরিতে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে চলেছে।
এই অধিগ্রহণ এমন এক সময়ে হয়েছে যখন ভারত তার বহুস্তরীয় বিমান প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ককে আধুনিকীকরণের প্রচেষ্টা জোরদার করছে। আধুনিক সময়ে যখন ক্রমবর্ধমান ড্রোন যুদ্ধ, দূরপাল্লার হামলা এবং আধুনিক সংঘাতগুলিতে নির্ভুলভাবে পরিচালিত আকাশযানের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার বেড়েছে, তখন সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যুদ্ধবিদ্যাকেও আলাদা করে সাজিয়ে নিচ্ছে ভারত।
{{/usCountry}}এই অধিগ্রহণ এমন এক সময়ে হয়েছে যখন ভারত তার বহুস্তরীয় বিমান প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ককে আধুনিকীকরণের প্রচেষ্টা জোরদার করছে। আধুনিক সময়ে যখন ক্রমবর্ধমান ড্রোন যুদ্ধ, দূরপাল্লার হামলা এবং আধুনিক সংঘাতগুলিতে নির্ভুলভাবে পরিচালিত আকাশযানের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার বেড়েছে, তখন সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যুদ্ধবিদ্যাকেও আলাদা করে সাজিয়ে নিচ্ছে ভারত।
{{/usCountry}}পার্বত্য যুদ্ধের পরিস্থিতির জন্য আরও বিশেষায়িত ব়্যাডার কভারেজ যুক্ত করার মাধ্যমে, এই চুক্তিটি দেশের সবচেয়ে কৌশলগতভাবে সংবেদনশীল কিছু অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ নজরদারির ঘাটতি পূরণ করবে এবং সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি উন্নত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।