...
...
Next Story

Indian Air Force 811 Cr Defence Pact: ৮১১ কোটিতে বায়ুসেনার জন্য ১৬০ ‘স্যাট-সাও’ অস্ত্র, জাগুয়ার থেকে সুখোইয়ে ব্যবহার

এই অস্ত্রের প্রধান লক্ষ্য শত্রুপক্ষের বিমানঘাঁটি। সাধারণ বোমার তুলনায় এটি অনেক বেশি নির্ভুল ভাবে নির্দিষ্ট স্থানে আঘাত হানার জন্য তৈরি। এটি একটি ‘এয়ার-টু-গ্রাউন্ড’ প্রিসিশন-গাইডেড গ্লাইড বোমা। অর্থাৎ যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়ার পর নির্দিষ্ট লক্ষ্য ধরে এগিয়ে গিয়ে সেখানে আঘাত করতে পারে।

Published on: Sep 24, 2026, 08:49:40 IST
Advertisement

Indian Air Force 811 Cr Defence Pact: বায়ুসেনার আঘাত হানার ক্ষমতা আরও বাড়াতে বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি করল কেন্দ্র। ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেড বা বিডিএলের সঙ্গে প্রায় ৮১১ কোটি টাকার চুক্তি করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। এই চুক্তির আওতায় ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য তৈরি হবে ১৬০টি ‘স্যাটেলাইট স্মার্ট অ্যান্টি-এয়ারফিল্ড ওয়েপন’ বা SAT-SAAW। এর সঙ্গে প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক সরঞ্জামও সরবরাহ করা হবে। চুক্তিটি হয়েছে ২৩ সেপ্টেম্বর, নয়াদিল্লিতে।

বায়ুসেনার আঘাত হানার ক্ষমতা আরও বাড়াতে বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি করল কেন্দ্র।
বায়ুসেনার আঘাত হানার ক্ষমতা আরও বাড়াতে বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি করল কেন্দ্র।

এই অস্ত্রের প্রধান লক্ষ্য শত্রুপক্ষের বিমানঘাঁটি। সাধারণ বোমার তুলনায় এটি অনেক বেশি নির্ভুল ভাবে নির্দিষ্ট স্থানে আঘাত হানার জন্য তৈরি। এটি একটি ‘এয়ার-টু-গ্রাউন্ড’ প্রিসিশন-গাইডেড গ্লাইড বোমা। অর্থাৎ যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়ার পর নির্দিষ্ট লক্ষ্য ধরে এগিয়ে গিয়ে সেখানে আঘাত করতে পারে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বক্তব্য, দূরত্ব বজায় রেখেই শত্রুর বিমানঘাঁটিকে অচল করে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এই অস্ত্রের।

SAT-SAAW ব্যবহারের জন্য একাধিক যুদ্ধবিমানকে মাথায় রাখা হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জাগুয়ার, হক এবং সুখোই-৩০ এমকেআই-এর মতো প্ল্যাটফর্ম থেকে এই অস্ত্র ছোড়া যাবে। ফলে ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে থাকা বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধবিমান থেকেই একই ধরনের নির্ভুল আঘাত হানার সুযোগ তৈরি হবে।

এই চুক্তির আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহার। অস্ত্রটি তৈরি করেছে প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা বা ডিআরডিও। পুরো প্রকল্পে প্রায় ৬০ শতাংশ দেশীয় উপাদান থাকার কথা জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। শুধু অস্ত্র তৈরি নয়, এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপ-ব্যবস্থাও ধীরে ধীরে দেশেই তৈরি করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ‘ইনিশিয়াল মেজারমেন্ট ইউনিট’, ‘লং ইমপ্যাক্ট ডিলে ফিউজ’ এবং ‘টুইন স্টোর ক্যারিয়ার’। এর ফলে ভবিষ্যতে বিদেশি প্রযুক্তি বা উপকরণের উপর নির্ভরতা আরও কমানোর লক্ষ্য রয়েছে।

কবে হাতে আসবে নতুন অস্ত্র? প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, SAT-SAAW সরবরাহের কাজ ২০২৭-২৮ এবং ২০২৮-২৯ অর্থবর্ষের মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থাৎ ধাপে ধাপে বায়ুসেনার হাতে পৌঁছবে ১৬০টি অস্ত্র।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে, এই অস্ত্র বায়ুসেনার অপারেশন চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা বাড়াবে এবং দেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিও শক্তিশালী করবে। বিশেষ করে শত্রুপক্ষের বিমানঘাঁটি বা গুরুত্বপূর্ণ স্থলভিত্তিক লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে দূর থেকে নির্ভুল হামলার ক্ষেত্রে SAT-SAAW গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks