Indian Army Chief fined: অবসরপ্রাপ্ত মেজরের পেনশন মামলায় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী এবং প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিংকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট। উচ্চ আদালত বলেছে, দুজনের বেতন থেকে এই টাকা কেটে আবেদনকারীকে দিতে হবে। প্রতিবেদন অনুসারে, চাকরি চলাকালীন মেজরকে ২৪টি অস্ত্রোপচার করতে হয়েছিল। এছাড়া তাঁর কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দ্য ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুণের বাসিন্দা মেজর রাজদীপ দিনকর পান্ডার (অবসরপ্রাপ্ত) ২০১২ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কমিশন পেয়েছিলেন। সে সময় তিনি পুরোপুরি ফিট ছিলেন। লাদাখের উঁচু এলাকায় তাঁকে পোস্টিং দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ বছর চাকরি করার পর তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তাঁকে দিল্লি ক্যান্টনমেন্টে সিক লিভ মেডিক্যাল বোর্ডের সামনে হাজির করা হয়। তদন্তে জানা গেছে যে তাঁর সিস্টাইটিস সিস্টিকা গ্ল্যান্ডুলারিস রয়েছে। মেজর রাজদীপের অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল এবং তাকে 'লো মেডিকেল ক্যাটাগরি'তে রাখা হয়েছিল।
২০২২ সালে পঞ্চকুলার চণ্ডীমন্দির ওয়েস্টার্ন কমান্ড হাসপাতালের সুপারিশে তাঁকে সার্ভিস থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় তিনি ১৫ শতাংশ প্রতিবন্ধী হয়ে পড়েছিলেন। এই আবহে তিনি সেনার প্রতিবন্ধী পেনশনের জন্য আবেদন করেছিলেন। তবে সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। এরপর চণ্ডীমন্দির আর্মড ফোর্সেস ট্রাইব্যুনাল রায় দেয় যে, মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশে তাঁর বেশ কয়েকটি অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল এবং চাকরি চলাকালীন তিনি অক্ষম ছিলেন। উল্লেখ্য, ট্রাইব্যুনালের একটি রায়ে বলেছিল, যখন কোনও ব্যক্তির সিরাম ক্রিয়েটিনিন ১.১৩ থাকে, তখন তাঁকে ৪০ শতাংশ প্রতিবন্ধী বিভাগে রাখা উচিত। এই আবহে কেন্দ্রীয় সরকার ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে একটি আবেদন দায়ের করেছিল, যা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। পরে প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার এবং সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর বিরুদ্ধে অবমাননার মামলা দায়ের করেন মেজর রাজদীপ। এই মামলার গত শুনানির সময়ও প্রতিরক্ষা সচিব ও সেনাপ্রধান কোনও জবাব দেয়নি। এই পরিস্থিতিতে ২ লাখ টাকার জরিমানা করা হল। এই টাকা তাঁদের বেতন থেকে কেটে ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে আবেদনকারীকে দিতে হবে।