ভারতীয় সেনার উত্তর কমান্ডের সদর দফতর উধমপুরে গিয়ে অপারেশনাল প্রস্তুতি, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিকীকরণ কর্মসূচির অগ্রগতি খতিয়ে দেখলেন সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী। জম্মু ও কাশ্মীরের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্রের চাহিদার কথা মাথায় রেখে এই পর্যালোচনা বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে, নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের পরিস্থিতি অশান্ত। পাকিস্তানি প্রশাসন এবং সেনার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছে সাধারণ মানুষজন। অশান্তির জেরে মৃত্যু হয়েছে ৩০ জনের। এই আবহে ভারতীয় সেনাপ্রধানের এই পর্যালোচনা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

সেনাপ্রধানকে মাল্টি-ডোমেন অপারেশন, নতুন প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্তি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সমন্বিত যুদ্ধপ্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং দেওয়া হয়। তিনি উত্তর কমান্ড ও বিভিন্ন ফরমেশন সদর দফতরের অফিসারদের সঙ্গে সরাসরি এবং হাইব্রিড পদ্ধতিতে বৈঠক করেন। বৈঠকে জেনারেল দ্বিবেদী স্পষ্ট করে জানান, বর্তমান যুদ্ধক্ষেত্রে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। তাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্যনির্ভর যুদ্ধব্যবস্থা, উন্নত নজরদারি এবং অন্যান্য উদীয়মান প্রযুক্তির ব্যবহারের উপর আরও জোর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
রিপোর্ট অনুযায়ী, সেনাপ্রধান জম্মু ও কাশ্মীরের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, সীমান্তে অনুপ্রবেশ রোধের ব্যবস্থা এবং সন্ত্রাসবাদবিরোধী অভিযানের অগ্রগতিও পর্যালোচনা করেন। আসন্ন অমরনাথ যাত্রার নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আলোচনায় উঠে আসে। পরিদর্শনের শেষে সেনাপ্রধান সকল পদমর্যাদার সেনাকর্মীদের পেশাদারিত্ব, অপারেশনাল দক্ষতা এবং উচ্চমাত্রার যুদ্ধপ্রস্তুতি বজায় রাখার জন্য প্রশংসা করেন। তিনি ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাহিনীকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক করে তোলার উপর জোর দেন। প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতের পর থেকে সীমান্তে আরও কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। জঙ্গি ধরতে ড্রোনের ব্যবহার করা হচ্ছে। কোনও ভাবেই পাক জঙ্গিরা যাতে ভারতে অনুপ্রবেশ না করতে পারে, তার জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে।
এদিকে ভারতীয় সেনা একদিকে যেখানে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করছে, অন্যদিকে জোরাওয়ার লাইট ট্যাঙ্ক, C-295 সামরিক পরিবহণ বিমান এবং উন্নত ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ব্যবস্থার মতো আধুনিক প্রকল্পগুলিকে দ্রুত বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। অর্থাৎ, আধুনিকীকরণের পাশাপাশি 'আত্মির্ভর ভারত' নীতিও অনুসরণ করছে সেনা।
{{/usCountry}}এদিকে ভারতীয় সেনা একদিকে যেখানে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করছে, অন্যদিকে জোরাওয়ার লাইট ট্যাঙ্ক, C-295 সামরিক পরিবহণ বিমান এবং উন্নত ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ব্যবস্থার মতো আধুনিক প্রকল্পগুলিকে দ্রুত বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। অর্থাৎ, আধুনিকীকরণের পাশাপাশি 'আত্মির্ভর ভারত' নীতিও অনুসরণ করছে সেনা।
{{/usCountry}}