...
...
Next Story

Indian Army Latest Update: অসমে সেনাবাহিনীর জন্য ৩৩৩ একর জমি অধিগ্রহণের উদ্যোগ, গড়ে উঠবে আর্টিলারি ঘাঁটি

অসমের গোলাঘাট জেলায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য প্রায় ৩৩৩.৬৬২ একর জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই জমিতে একটি নতুন আর্টিলারি ব্রিগেডের ঘাঁটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Published on: Jun 19, 2026, 09:11:48 IST
Advertisement

উত্তর-পূর্ব ভারতে সামরিক পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। অসমের গোলাঘাট জেলায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য প্রায় ৩৩৩.৬৬২ একর জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই জমিতে একটি নতুন আর্টিলারি ব্রিগেডের ঘাঁটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

অসমের গোলাঘাট জেলায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য প্রায় ৩৩৩.৬৬২ একর জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। (HT_PRINT)
অসমের গোলাঘাট জেলায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য প্রায় ৩৩৩.৬৬২ একর জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। (HT_PRINT)

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, জমি অধিগ্রহণের জন্য ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অসম সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মধ্যে এ বিষয়ে সমন্বয় চলছে। সেনাবাহিনীর দীর্ঘমেয়াদি প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সামরিক প্রস্তুতি ও কৌশলগত সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই অঞ্চলের সঙ্গে একাধিক আন্তর্জাতিক সীমান্ত যুক্ত রয়েছে। ফলে সীমান্ত নিরাপত্তা, দ্রুত সেনা মোতায়েন এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের জন্য উন্নত সামরিক পরিকাঠামোর প্রয়োজনীয়তা ক্রমশ বেড়েছে। নতুন আর্টিলারি ব্রিগেড ঘাঁটি সেই প্রয়োজন মেটাতে সাহায্য করবে।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে আর্টিলারি বা কামান বাহিনীর গুরুত্ব এখনও অত্যন্ত বেশি। দূরপাল্লার নির্ভুল আঘাত হানার ক্ষমতা যুদ্ধের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেই কারণে সেনাবাহিনী তাদের আর্টিলারি সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। অসমে নতুন ঘাঁটি গড়ে উঠলে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সেনার কার্যক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া এই প্রকল্প স্থানীয় অর্থনীতির উপরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। নির্মাণকাজ এবং পরবর্তী পরিকাঠামো উন্নয়নের ফলে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি রাস্তা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং অন্যান্য নাগরিক পরিকাঠামোরও উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe