...
...
Next Story

London News: ৩৭ তলা থেকে মরণঝাঁপ! লন্ডনে ভারতীয় দম্পতি-শিশুপুত্রের মৃত্যু, বাড়ছে রহস্য

London News: প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাকেশ ও অদিতি ২০০০-এর দশকে মুম্বই থেকে লন্ডনে আসেন। সেখানেই তৈরি হয় তাঁদের সফল কেরিয়ার। রাকেশ পাই কাজ করতেন আর্থিক পরামর্শদাতা হিসেবে এবং অদিতি পারালকার ছিলেন নির্মাণ খাতে একটি উচ্চপদস্থ কর্মী। লন্ডনে তাঁদের কোনও আত্মীয়স্বজন ছিল না।

Published on: Jun 10, 2026, 12:54:32 IST
Advertisement

London News: লন্ডনের বিলাসবহুল একটি আবাসিক টাওয়ার থেকে পড়ে এক ভারতীয় দম্পতি ও তাঁদের ৯ বছরের ছেলের মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, গত ২৭ মে এক অ্যাপার্টমেন্টের ৩৭ তলা থেকে পড়ে যায় ওই তিনজন। তাঁরা আত্মহত্যা করেছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে। তবে সম্ভাব্য সমস্ত দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

লন্ডনে ভারতীয় দম্পতি-শিশুপুত্রের মৃত্যু (সৌজন্যে টুইটার)
লন্ডনে ভারতীয় দম্পতি-শিশুপুত্রের মৃত্যু (সৌজন্যে টুইটার)

সূত্রের খবর, মৃতদের মধ্যে রয়েছেন রাকেশ পাই (৪৭) এবং অদিতি পারালকার (৪৬) ও তাঁদের ছেলে সিড (৯)। ডেইলি মেইলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সন্তানের দীর্ঘমেয়াদি ও গুরুতর অসুস্থতার কারণে চিকিৎসকরা আর কোনও কার্যকর চিকিৎসা নেই বলে জানিয়ে দেওয়ার পরই এই দম্পতি চরম সিদ্ধান্ত নেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনাটি ঘিরে ধোঁয়াশাও রয়েছে। পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্র ও বন্ধুরা ‘আত্মহত্যার চুক্তি’–র তত্ত্বকে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন। তাঁদের মতে, এটি একটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও জটিল পারিবারিক পরিস্থিতির পরিণতি।

মৃত দম্পতির পরিবার

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাকেশ ও অদিতি ২০০০-এর দশকে মুম্বই থেকে লন্ডনে আসেন। সেখানেই তৈরি হয় তাঁদের সফল কেরিয়ার। রাকেশ পাই কাজ করতেন আর্থিক পরামর্শদাতা হিসেবে এবং অদিতি পারালকার ছিলেন নির্মাণ খাতে একটি উচ্চপদস্থ কর্মী। লন্ডনে তাঁদের কোনও আত্মীয়স্বজন ছিল না। তাঁরা একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট-এ বাস করতেন, যার মাসিক ভাড়া ৩,৮০০ ডলার পর্যন্ত হতে পারত। বছর দশেক আগে জন্ম নেয় তাঁদের একমাত্র শিশুপুত্র। কিন্তু তাঁদের সন্তান সিড একাধিক জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিল এবং বিশেষ যত্নের প্রয়োজন ছিল। কিডনি এতটাই খারাপ ছিল, যে কারণে কথা বলতে পারত না সে। এমনকী, বছর ছয়েক আগে রাকেশরা মুম্বইয়ের চিকিৎসকদের কাছেও শিশুকে নিয়ে আসেন। কিন্তু কোনওভাবেই দেখা মেলেনি আশার আলোর। সূত্রের খবর, মা অদিতি বাড়িতেই সন্তানের যত্ন ও শিক্ষার দায়িত্ব পালন করতেন, যা তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে বলে জানা গেছে। সিড বাড়িতেই অদিতির কাছে পড়াশোনা করত এবং তার সমস্ত দায়িত্ব মা-ই নিয়েছিলেন।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe