Rajnath on Hormuz Blockade: হরমুজ প্রণালীর সমস্যা ভারতের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলেছে বলে জানালেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। জার্মানি সফরে গিয়ে তিনি এই বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন। উল্লেখ্য, আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর ইরান প্রথমে হরমুজ জলপথ অবরোধ করেছিল। পরে যুদ্ধবিরতি চলাকালীন হরমুজ অবরোধের ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। এই আবহে সম্প্রতি ভারতের দুই জাহাজের ওপর আইআরজিসি হামলা চালিয়েছিল হরমুজ অতিক্রম করার সময়। এহেন পরিস্থিতিতে রাজনাথ বললেন, 'ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতি পরোক্ষ ঘটনা নয়, এটি একটি গুরুতর বাস্তবতা। এটা আমাদের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলেছে।'
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, 'দেশে জ্বালানির একটা বড় অংশ আসে পশ্চিম এশিয়ার থেকে। তাই জ্বালানি চাহিদা মেটানোর জন্য পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের ওপর নির্ভরশীল ভারত।' রাজনাথ সিং আরও বলেন, 'আজ বিশ্ব নতুন নিরাপত্তা হুমকির মুখোমুখি হচ্ছে। প্রযুক্তিগত পরিবর্তন পরিস্থিতিকে অত্যন্ত জটিল করে তুলেছে। পরিবর্তিত পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকার জন্য একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন।'
প্রসঙ্গত, হরমুজ ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সমুদ্রপথ। দেশের চাহিদা মেটাতে ৮০ শতাংশেরও বেশি অপরিশোধিত তেল ভারত আমদানি করে থাকে। যার একটি বড় অংশ উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে। এই তেল বেশিরভাগ হরমুজের মধ্য দিয়ে ভারতে আসে। একই সময়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এই হরমুজের পথ দিয়েই যায়। সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কাতারের মতো প্রধান জ্বালানি উত্পাদনকারী দেশগুলি তাদের রফতানির জন্য এই রুটের উপর নির্ভর করে।
এদিকে হরমুজ প্রণালীতে ভারতীয় পতাকাবাহী দুটি জাহাজ লক্ষ্য করে সম্প্রতি গুলি ছুড়েছিল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর। অন্যদিকে, ভারতীয় নৌবাহিনী আরব সাগর এবং ওমান সাগরে ৭টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে জাহাজ পাহারা দেওয়া শুরু করেছে। গোলাগুলির ঘটনার পর ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেখা করে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, হরমুজ অঞ্চল দিয়ে যাতায়াত করা ভারতীয় জাহাজগুলির সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল নিশ্চিত করেছেন যে এই ঘটনায় ভারত কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় আইআরজিসি ইউনিটের মধ্যে 'যোগাযোগের অভাবের' ফলস্বরূপ এই গুলি চালানো হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে রিপোর্ট অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালীতে কমপক্ষে ১৪টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ এখনও নোঙর করে আছে। এর মধ্যে তিনটি বড় তেলের ট্যাঙ্কার এবং একটি এলপিজি ক্যারিয়ার রয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ভারতের ১০টি জাহাজ ইতিমধ্যেই হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে দেশে এসেছে।
{{/usCountry}}এদিকে হরমুজ প্রণালীতে ভারতীয় পতাকাবাহী দুটি জাহাজ লক্ষ্য করে সম্প্রতি গুলি ছুড়েছিল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর। অন্যদিকে, ভারতীয় নৌবাহিনী আরব সাগর এবং ওমান সাগরে ৭টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে জাহাজ পাহারা দেওয়া শুরু করেছে। গোলাগুলির ঘটনার পর ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেখা করে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, হরমুজ অঞ্চল দিয়ে যাতায়াত করা ভারতীয় জাহাজগুলির সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল নিশ্চিত করেছেন যে এই ঘটনায় ভারত কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় আইআরজিসি ইউনিটের মধ্যে 'যোগাযোগের অভাবের' ফলস্বরূপ এই গুলি চালানো হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে রিপোর্ট অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালীতে কমপক্ষে ১৪টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ এখনও নোঙর করে আছে। এর মধ্যে তিনটি বড় তেলের ট্যাঙ্কার এবং একটি এলপিজি ক্যারিয়ার রয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ভারতের ১০টি জাহাজ ইতিমধ্যেই হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে দেশে এসেছে।
{{/usCountry}}