রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত ভারতের প্রথম সচিব অনুপমা সিং আজ পাকিস্তানকে ধুয়ে দিলেন। রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে (ইউএনএইচআরসি) পাকিস্তান ও ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) করা ভিত্তিহীন অভিযোগের উপযুক্ত জবাব দিয়েছেন তিনি। 'জবাব দেওয়ার অধিকার' ব্যবহার করে কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের অপপ্রচারকে অস্বীকার করেছে ভারত। ওআইসি এবং পাকিস্তানের 'ঈর্ষান্বিত' হয়ে কাশ্মীর নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে জানালেন অনুপমা সিং। এরই সঙ্গে ভারত আরও একবার বিশ্ব মঞ্চে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য এবং অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, রয়েছে এবং থাকবে।
পাকিস্তান ও ওআইসির সব অভিযোগ ভারত আজ স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করে। ওআইসিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এই সংগঠন তোতাপাখির মতো পাকিস্তানের অপপ্রচারের পুনরাবৃত্তি করছে। এটি প্রমাণ করে যে ওআইসি নিজেকে একটি দেশের (পাকিস্তান) রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার 'ইকো চেম্বার' হতে দিয়েছে। তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে ভারতকে দিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভারতীয় কূটনীতিক। এদিকে তিনি বলেন, পাকিস্তান 'লা লা ল্যান্ডে' আছে। এদিকে তিনি বলেন, আইএমএফের বেলআউট প্যাকেজের থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নয়ন বরাদ্দের পরিমাণ অনেক বেশি।
অনুপমা সিং বলেন, ১৯৪৭ সালের ভারতীয় স্বাধীনতা আইন এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে কাশ্মীর ভারতের অংশ এবং এই বিষয়টি অপরিবর্তনীয়। পাকিস্তানের কোনও বাগাড়ম্বর এই সত্যকে পরিবর্তন করতে পারে না। ভারত কঠোর সুরে বলেছে যে এই অঞ্চলের একমাত্র বিতর্কিত ইস্যু হল পাকিস্তান ভারতীয় ভূখণ্ড অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে এবং পাকিস্তানের অবিলম্বে এই অঞ্চলগুলি খালি করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে কাশ্মীরে গণতন্ত্র নিয়ে পাকিস্তানের বক্তৃতাকে 'হাস্যকর' বলে অভিহিত করেছেন অনুপমা সিং। তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে বলেন, যে দেশে অসামরিক সরকারগুলি তাদের মেয়াদ শেষ করতে পারে না, সেখানে গণতন্ত্র সম্পর্কে তাদের বক্তব্য ফাঁপা বলে মনে হয়। এরই সঙ্গে তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের সাধারণ নির্বাচন এবং বিধানসভা নির্বাচনে রেকর্ড ভোটদানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষ পাকিস্তান মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ ও হিংসার মতাদর্শকে প্রত্যাখ্যান করে উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে এটাই প্রমাণ।
{{/usCountry}}এদিকে কাশ্মীরে গণতন্ত্র নিয়ে পাকিস্তানের বক্তৃতাকে 'হাস্যকর' বলে অভিহিত করেছেন অনুপমা সিং। তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে বলেন, যে দেশে অসামরিক সরকারগুলি তাদের মেয়াদ শেষ করতে পারে না, সেখানে গণতন্ত্র সম্পর্কে তাদের বক্তব্য ফাঁপা বলে মনে হয়। এরই সঙ্গে তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের সাধারণ নির্বাচন এবং বিধানসভা নির্বাচনে রেকর্ড ভোটদানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষ পাকিস্তান মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ ও হিংসার মতাদর্শকে প্রত্যাখ্যান করে উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে এটাই প্রমাণ।
{{/usCountry}}