Indian Engineer Killed Wife in USA: যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত এক ভারতীয় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। প্রায় নয় মাস আগে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন প্রদেশে দম্পতির অ্যাপার্টমেন্ট থেকে তাঁর স্ত্রীর দেহ উদ্ধার হয়েছিল। দীর্ঘ তদন্তের পর পুলিশ ৩০ বছর বয়সি অবিনাশ নার্নেকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, তিনি তাঁর ২৭ বছরের স্ত্রী রাজিথা সাব্বিনেনিকে শ্বাসরোধ করে খুন করেন এবং ঘটনাটিকে অন্যভাবে দেখানোর চেষ্টা করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, অবিনাশ ও রাজিথার বিয়ে হয়েছিল ২০২৫ সালের জুন মাসে। বিয়ের পর জুলাইয়ে তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন। তবে তদন্তে উঠে এসেছে, বিয়ের আগেই অবিনাশের ভারতের এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং বিয়ের পরও সেই সম্পর্ক বজায় ছিল। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, তদন্তে এমন একাধিক প্রমাণ মিলেছে যা অবিনাশের বিরুদ্ধে অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে। অভিযোগ, স্ত্রীকে খুন করার পরই তিনি তাঁর প্রেমিকাকে রাজিথার মৃতদেহের ছবি পাঠান। শুধু তাই নয়, খুনের দিন ওই তরুণীর সঙ্গে চারবার ফোনেও কথা বলেন তিনি।
পুলিশের নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর অবিনাশ জরুরি পরিষেবায় ফোন করে জানান, তিনি কিছু কাজ সেরে বাড়ি ফিরে দেখেন বাথরুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। অনেক ডাকাডাকির পরও স্ত্রী কোনও সাড়া দিচ্ছেন না। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে বাথরুমে ঢোকে। সেখানে মেঝেতে অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন রাজিথা। পরে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা যায়, শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে রাজিথাকে। এরপরই পুলিশ খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। তদন্ত চলাকালীন আরও জানা যায়, মৃত্যুর আগে রাজিথা একাধিকবার অভিযোগ করেছিলেন যে, তাঁর পানীয়ের স্বাদ অস্বাভাবিক তেতো লাগছে। মৃত্যুর দিনও তিনি স্বামীকে বলেছিলেন, তাঁর জন্য তৈরি করা স্মুদির স্বাদ ওষুধ বা কাশির সিরাপের মতো লাগছে।
{{/usCountry}}ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা যায়, শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে রাজিথাকে। এরপরই পুলিশ খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। তদন্ত চলাকালীন আরও জানা যায়, মৃত্যুর আগে রাজিথা একাধিকবার অভিযোগ করেছিলেন যে, তাঁর পানীয়ের স্বাদ অস্বাভাবিক তেতো লাগছে। মৃত্যুর দিনও তিনি স্বামীকে বলেছিলেন, তাঁর জন্য তৈরি করা স্মুদির স্বাদ ওষুধ বা কাশির সিরাপের মতো লাগছে।
{{/usCountry}}দীর্ঘ তদন্তের পর সংগৃহীত তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অবিনাশকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। আদালত তাঁর জামিনের পরিমাণ ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের আইন অনুযায়ী, অভিযোগ প্রমাণিত হলে অবিনাশের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। মামলার পরবর্তী শুনানির অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা এবং নিহতের পরিবার।