...
...
Next Story

Indian Navy Latest Update: চিনের পাড়ায় ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ, নৌমহড়ায় ‘সাহ্যাদ্রি’ ও ‘কুলিশ’- বার্তা বেজিংকে?

২০ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া এই মহড়ায় ভারত, ফিলিপিন্স, জাপান, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং ব্রুনেই-সহ একাধিক দেশ অংশ নিয়েছে। ভারতীয় নৌবাহিনীর শিবালিক শ্রেণির স্টেলথ ফ্রিগেট ‘আইএনএস সাহ্যাদ্রি’ এবং কোরাক শ্রেণির করভেট ‘আইএনএস কুলিশ’ও এই যৌথ কার্যক্রমের অংশ।

Published on: Sep 21, 2026, 12:23:46 IST
Advertisement

চিনের সঙ্গে ফিলিপিন্সের সমুদ্রসীমা নিয়ে যখন ফের উত্তেজনা চরমে, ঠিক তখনই ফিলিপিন্সের পাশে ভারতীয় নৌবাহিনী। ‘আইএনএস সাহ্যাদ্রি’ এবং ‘আইএনএস কুলিশ’ অংশ নিয়েছে বহুপাক্ষিক আসিয়ান-প্লাস সামুদ্রিক মহড়ায়। ফলে এই নৌ-তৎপরতা ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই নজর পড়েছে চিনের দিকে। তবে ভারতীয় নৌবাহিনী এই মহড়াকে কোনও নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হিসেবে ঘোষণা করেনি। মহড়াটির সরকারি উদ্দেশ্য হল সামুদ্রিক নিরাপত্তা, পারস্পরিক সমন্বয় এবং যৌথভাবে কাজের সক্ষমতা বাড়ানো।

২০ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া এই মহড়ায় ভারত, ফিলিপিন্স, জাপান, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং ব্রুনেই-সহ একাধিক দেশ অংশ নিয়েছে।
২০ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া এই মহড়ায় ভারত, ফিলিপিন্স, জাপান, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং ব্রুনেই-সহ একাধিক দেশ অংশ নিয়েছে।

২০ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া এই মহড়ায় ভারত, ফিলিপিন্স, জাপান, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং ব্রুনেই-সহ একাধিক দেশ অংশ নিয়েছে। ভারতীয় নৌবাহিনীর শিবালিক শ্রেণির স্টেলথ ফ্রিগেট ‘আইএনএস সাহ্যাদ্রি’ এবং কোরাক শ্রেণির করভেট ‘আইএনএস কুলিশ’ও এই যৌথ কার্যক্রমের অংশ। মহড়ায় সামুদ্রিক নজরদারি, সমন্বিত অভিযান এবং বিভিন্ন বাস্তব পরিস্থিতিতে একসঙ্গে কাজ করার অনুশীলন হচ্ছে।

সময়টা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ফিলিপিন্স ও চিনের মধ্যে দক্ষিণ চিন সাগর নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। আর গত কয়েক দিনেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর পালাওয়ানের কাছে একটি ফিলিপিন্সের সরকারি জাহাজের সঙ্গে চিনা উপকূলরক্ষী বাহিনীর জাহাজের সংঘর্ষ হয়। ফিলিপিন্সের দাবি, জ্বালানি নিয়ে স্থানীয় জেলেদের সাহায্য করতে যাওয়া ‘বিআরপি দাতু মাগাত সালামাত’ নামে জাহাজটিকে চিনা উপকূলরক্ষী জাহাজ ধাক্কা দেয়। ঘটনায় ফিলিপিন্সের জাহাজটির কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তবে এই ঘটনার ব্যাখ্যায় বেজিং ও ম্যানিলার বক্তব্য এক নয়। চিনা উপকূলরক্ষী বাহিনীর দাবি, ফিলিপিন্সের জাহাজ বারবার সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে তাদের জাহাজের সামনে চলে আসে। অন্যদিকে ফিলিপিন্স বলছে, চিনা জাহাজই বিপজ্জনক কৌশল নিয়ে তাদের জাহাজে ধাক্কা দিয়েছে। ফলে ওই সংঘর্ষের দায় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি মতবিরোধ রয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে ফিলিপিন্সে ভারতীয় যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে। নয়াদিল্লি দীর্ঘদিন ধরেই ‘আসিয়ান কেন্দ্রিক’ আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং মুক্ত ও নিরাপদ সমুদ্রপথের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে। ভারতীয় নৌবাহিনী আগেও ফিলিপিন্সের সঙ্গে মহড়া করেছে এবং সামুদ্রিক সহযোগিতা বাড়িয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আগের তথ্যেও দুই নৌবাহিনীর যোগাযোগ ও যৌথ প্রশিক্ষণের কথা বলা হয়েছিল। এই আবহে কৌশলগত দিক থেকে এর তাৎপর্য রয়েছে। দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের সঙ্গে বিরোধ থাকা একটি দেশের সঙ্গে ভারতীয় যুদ্ধজাহাজের বহুপাক্ষিক সামরিক মহড়া আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতা যে বাড়ছে, তা স্পষ্ট করে।

বিশেষ করে একই মহড়ায় আমেরিকা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ফিলিপিন্সের মতো দেশগুলির সঙ্গে ভারতীয় নৌবাহিনীর একসঙ্গে কাজ করা নজর কেড়েছে। ফলে বার্তাটি নির্দিষ্টভাবে চিনকে উদ্দেশ্য করে কি না, তা বলা না গেলেও, ভারত যে ইন্দো-প্যাসিফিকে নিজের সামুদ্রিক সহযোগিতার পরিধি বাড়াচ্ছে, সেই ছবি স্পষ্ট হচ্ছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks